Anik Dutta:'ও আমায় দায়ী করতে চায়নি...', অনীকের মৃত্যুর পর যা বললেন প্রাক্তন স্ত্রী সন্ধি

Anik Dutta: গত বুধবার অর্থাৎ ২৭ মে প্রাক্তন স্ত্রীর বাড়ির ছাদ থেকে ঝাঁপ মেরে আত্মহত্যা করেছিলেন পরিচালক অনীক দত্ত। খুব স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় অনেকেই পরিচালকের প্রাক্তন স্ত্রীর দিকে আঙুল তুলেছেন। 

Published on: May 30, 2026, 21:33:40 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Anik Dutta: গত বুধবার অর্থাৎ ২৭ মে প্রাক্তন স্ত্রীর বাড়ির ছাদ থেকে ঝাঁপ মেরে আত্মহত্যা করেছিলেন পরিচালক অনীক দত্ত। খুব স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় অনেকেই পরিচালকের প্রাক্তন স্ত্রীর দিকে আঙুল তুলেছেন। পরিচালকের সঙ্গে তাঁর সন্ধির সম্পর্ক নিয়েও বিস্তর কাটাছেঁড়া হয়েছে সমাজ মাধ্যমে। কিন্তু এবার এই প্রসঙ্গে প্রথমবার মুখ খুললেন সন্ধি দত্ত।

অনীকের মৃত্যুর পর যা বললেন প্রাক্তন স্ত্রী সন্ধি
অনীকের মৃত্যুর পর যা বললেন প্রাক্তন স্ত্রী সন্ধি

আনন্দবাজার অনলাইনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কোনও যোগাযোগ ছিল। অনেকদিন হয়ে গেছে আমাদের মধ্যে কোনও কথা নেই। আমরা একসঙ্গেও থাকি না। শেষ আমার কাছে যখন এসেছিল তখন বেশ কিছুটা সময় কাটিয়ে গিয়েছিল। একসঙ্গে বসে অনেক কথা বলেছিলাম আমরা। ও আমার কাছে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিল অনেকবার আমাদের কমন বন্ধুদের মাধ্যমে। কিন্তু আমি ফিরব না বলেই আর ফিরিনি।’

আরও পড়ুন: 'আজও মনে হয় হঠাৎ ফোন করে বলবি...', ঋতুপর্ণের মৃত্যুদিনে মন খারাপ প্রসেনজিতের

সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন কটাক্ষের কথা উল্লেখ করে সন্ধি বলেন, ‘আমি সোশ্যাল মিডিয়া থেকে এখন দূরে আছি। কিছুই দেখছি না কারণ এগুলো যত দেখব তত মন খারাপ হয়ে যাবে। এসব দেখতে দেখতে আমার ক্লান্ত হয়ে গিয়েছি। আমাদের সম্পর্ক বা বিচ্ছেদ নিয়ে আমি কিছুই বলতে চাই না। ও কেন আমার বাড়িটা সেই সময়ের জন্য বেছে নিয়েছিল সেটা সম্ভবত আমি আন্দাজ করতে পারছি। তবে এইটুকু বলব অনীক আমায় দায়ী করতে চায়নি। আমায় কাঠগড়ায় তুলবে বলে এমন কাজ করেনি। এটাই সত্যি।’

আরও পড়ুন: বিনায়কের বাড়িতে এন্ট্রি বাবলি সুন্দরীর, তবে কি শুরু ভালবাসার গল্প?

পরিচালকের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, অনীক গত ৩ বছর ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো নিয়মিত ওষুধ খেতেন তিনি। তবে যাদের অবসাদ থাকে তাদের মাঝেমধ্যে এমন মন খারাপ হয় যে নিজেদের ধরে রাখতে পারে না তারা।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুন অর্থাৎ শুক্রবার পরিচালকের মরদেহ প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় নন্দনে, সেখান থেকে এনটিওয়ান স্টুডিওয়। সবশেষে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে পরিচালকের শেষ কাজ করেন তাঁর মেয়ে।