এ যেন অবিকল সতীশ কৌশিক! কাকে দেখে আবেগতাড়িত হলেন অনিল কাপুর?
২০২৩ সালে ৯ মার্চ আচমকা না ফেরার দেশে চলে গিয়েছিলেন সতীশ কৌশিক। অভিনেতার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ ছিলেন সকলে। তবে যে মানুষটি সতীশের মৃত্যুতে সব থেকে বেশি কষ্ট পেয়েছিলেন তিনি হলেন অনিল কাপুর। কাজের সূত্রে এই দুই অভিনেতার মধ্যে বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছিল কিন্তু সেই বন্ধুত্ব পরবর্তীকালে থেকে যায়।
২০২৩ সালে ৯ মার্চ আচমকা না ফেরার দেশে চলে গিয়েছিলেন সতীশ কৌশিক। অভিনেতার মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ ছিলেন সকলে। তবে যে মানুষটি সতীশের মৃত্যুতে সব থেকে বেশি কষ্ট পেয়েছিলেন তিনি হলেন অনিল কাপুর। কাজের সূত্রে এই দুই অভিনেতার মধ্যে বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছিল কিন্তু সেই বন্ধুত্ব পরবর্তীকালে থেকে যায়।
কাকে দেখে আবেগতাড়িত হলেন অনিল কাপুর?
সতীশ কৌশিকের যে স্মৃতি বুকে আগলে রয়েছেন অনিল কাপুর, সেই স্মৃতি আবার দগডগি হয়ে যায় ইন্ডিয়াকে টপ ১% অনুষ্ঠানে। সম্প্রতি এই অনুষ্ঠানে গগন নামের এক প্রতিযোগী এসেছিলেন যাকে অবিকল সতীশ কৌশিকের মতো দেখতে। অনিল স্বীকার করেন যে গগনকে দেখে তাঁর বন্ধুর কথা মনে পড়ে যায়।
অনুষ্ঠানটির যে নতুন প্রমো মুক্তি পেয়েছে সেখানে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, গগনকে দেখে চোখে জল চলে আসে অনিলের। গগনকে অনিল বলেন, আমার বন্ধুর সঙ্গে আমার যা বন্ধন তা আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। এই অনুষ্ঠান ৭০ মিনিটের যদি হয় তাহলে আমি ৭০ মিনিট আমার বন্ধুকে নিয়ে কথা বলতে পারি। ওর প্রতিভা আর রসবোধ ছিল অসাধারণ।
অনিল আরও স্মরণ করেন যে তিনি সতীশ কৌশিককে ভালোবেসে 'ড্যানি ডিভিটো' বলে ডাকতেন। দুই অভিনেতাই 'টুইনস' ছবিটি খুব পছন্দ করতেন এবং প্রায়শই পর্দায় একসঙ্গে যমজ ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করার কল্পনা করতেন। তবে, অনিল আক্ষেপ প্রকাশ করেন যে তারা পর্দায় ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পাননি।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার যদি কেউ ভাই হতে পারত, তাহলে সে অবশ্যই সতীশ। ও আমায় খুব ভালো করে চিনত। ওর থেকে ভালো আমায় কেউ বাসতে পারবে না।’ পরে অনিল ও গগন সতীশ কৌশিকের বিখ্যাত সংলাপ, “মেরা নাম হ্যায় ক্যালেন্দ্র, ম্যায় চলা কিচেন কে অন্দর!” গেয়ে পরিবেশ হালকা করেন। এই সংলাপটি অনিলের ১৯৮৭ সালের ছবি ‘মিস্টার ইন্ডিয়া’-র, যেখানে সতীশ ক্যালেন্ডার নামের রাঁধুনির চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।
সতীশ কৌশিক চার দশকেরও বেশি সময় ধরে হিন্দি সিনেমায় কাজ করেছেন। তিনি শ্রীদেবী অভিনীত মিস্টার ইন্ডিয়াতে ক্যালেন্ডার খেলার জন্য একটি পরিবারের নাম হয়ে ওঠেন। তিনি রাম লিখন, সাজন চলে সসুরাল এবং দিওয়ানা মাস্তানার মতো চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য স্বীকৃতি অর্জন করেছিলেন। অভিনয় ছাড়াও, কৌশিক রুপ কি রানি চোরন কা রাজা, হাম আপকে দিল মে রেহতে হ্যায় এবং তেরে নাম সহ চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন।
Home/Entertainment/এ যেন অবিকল সতীশ কৌশিক! কাকে দেখে আবেগতাড়িত হলেন অনিল কাপুর?