কৌশিকী অমাবস্যার দিন তারাপীঠ থেকে কালীঘাট সর্বত্র ভক্তের ঢল নেমেছে। এই দিন মাকে এক নজর দেখার জন্য দূর দূর থেকে ভক্তরা আসছেন মন্দিরে। এই পবিত্র দিনে তাই কালীঘাট মন্দিরের পুজো দিতে দেখা গেল অনিন্দিতা বসুকে। আগামীকাল মুক্তি পাবে ঘুণ গাঁও, তার আগেই এবার মন্দিরে পুজো দিয়ে গেলেন অভিনেত্রী।

এই দিন একটি প্রিন্টেড শাড়ি এবং হালকা মেকআপে ধরা দিকে দেখা যায় অনিন্দিতাকে। তবে অনিন্দিতা পুজো দিতে গেলেও এই দিন রণজয়কে দেখতে পাওয়া যায়নি মন্দিরে। বৃহস্পতিবারের পড়ন্ত বিকেলে হাতে মায়ের ডালা নিয়ে ভক্তি ভরে মায়ের পুজো দেন তিনি। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে আগামী দিনের জন্য ঈশ্বরের কাছে সফলতা কামনা করেন অভিনেত্রী।
আরও পড়ুন: 'এগুলো ও না করলেও পারত', স্বস্তিকার সঞ্চালনা নিয়ে মত প্রকাশ করলেন জোজো
ঘুণ গাঁও প্রসঙ্গে
ছবির পরিচালক সৌম্য রায় চৌধুরী। এই ছবিতে প্রথমবার জুটিতে ধরা দিতে চলেছেন রণজয় আর অনিন্দিতা। ছবিতে আরো অভিনয় করবেন শঙ্কর দেবনাথ, রোহিনী চট্টোপাধ্যায়, সৌম্য মজুমদার, শুভ বিশ্বাস সহ আরও অনেকে।
ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন ছবির পরিচালক। সিনে ক্রেজি এন্টারটেইনমেন্টস প্রযোজিত ছবিটির প্রযোজক হীরা লাল রাওয়ানি, আমন চৌরাশিয়া এবং পার্থ সরকার। ছবির অন্ধকার ও রহস্যময় আবহকে আরও গভীরতা দিয়েছে তার সঙ্গীত। টুনাই দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গীত পরিচালনা এবং প্রমিত ঘোষের কথায় ছবির গানগুলিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সুনিধি চৌহান, তিমির বিশ্বাস, সায়ন্তনী ঘোষ এবং সৃষ্টি রাওয়ানি। ছবির আবেগ ও মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনকে আরও তীব্র করে তুলতে সঙ্গীত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে।
{{/usCountry}}ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন ছবির পরিচালক। সিনে ক্রেজি এন্টারটেইনমেন্টস প্রযোজিত ছবিটির প্রযোজক হীরা লাল রাওয়ানি, আমন চৌরাশিয়া এবং পার্থ সরকার। ছবির অন্ধকার ও রহস্যময় আবহকে আরও গভীরতা দিয়েছে তার সঙ্গীত। টুনাই দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গীত পরিচালনা এবং প্রমিত ঘোষের কথায় ছবির গানগুলিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সুনিধি চৌহান, তিমির বিশ্বাস, সায়ন্তনী ঘোষ এবং সৃষ্টি রাওয়ানি। ছবির আবেগ ও মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনকে আরও তীব্র করে তুলতে সঙ্গীত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে।
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: একই ঠোঙা থেকে ঝালমুড়ি খেলেন দেব-জিৎ, তবে কি খুব তাড়াতাড়ি জুটি বাঁধবেন তাঁরা?
ক্যামেরার পিছনেও রয়েছে শক্তিশালী সৃজনশীল দল। তুহিনের সিনেমাটোগ্রাফি ছবির রহস্যঘেরা জগৎকে দৃশ্যত নির্মাণ করেছে, অন্যদিকে অনীশ বসুর সাউন্ড ডিজাইন এবং প্রদ্যুৎ চ্যাটার্জিয়ার ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর সেই অস্বস্তি, আতঙ্ক ও অজানা আশঙ্কাকে আরও তীব্র করে তুলেছে। সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে ‘ঘুণ গাঁও – চ্যাপ্টার ১’-এর নিজস্ব সিনেম্যাটিক আবহ।