D Bapi Biriani: ‘পুরো কলতলার ঝামেলা…’! ডি বাপি বিরিয়ানির বাবা-মা-ছেলের কোন্দল, ফুট কাটল অনিন্দ্য
ডি বাপি বিরিয়ানির পারিবারিক কলহ এখন সোশ্যাল মিডিয়ার খোরাকে পরিণত হয়েছে। যা নিয়ে বেশ মজা নিচ্ছে নেটপাড়া। এবার তাতে সামিল হলেন অভিনেতা অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়ও।
কতদিন ধরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা ব্যাপার ট্রেন্ড করছে। আর তা হল ব্যারাকপুরের সেই বিখ্যাত ডি বাপি বিরিয়ানির পারিবারিক কলহ। বাবা-মা-র সঙ্গে জব্বর লড়াই চলছে বড় ছেলের। আর দু পক্ষই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের মতো করে মুখ খুলছেন। কেউ নিয়ে আসছেন আইনি কাগজ প্রমাণ হিসেবে। কারও নিজের প্রমাণ দু চোখ ভরা জল।

এবার অভিনেতা অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায় এমনই একটি পোস্ট শেয়ার করে নিলেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। তিনি লিখলেন, ‘ডি বাপি আর অনির্বাণের ফেসবুকে বাওয়াল দেখতে দেখতে আমি ক্লান্ত। এরা বলছে আমার ও বলছে আমি তৈরি করেছি। কী জ্বালা, মানুষ একটু ভালোবেসে বিরিয়ানি খেতে যেত অত দূর। পুরো কলতলার জলের লাইনের ঝামেলা বানিয়ে দিল মাইরি। মাথার ওপর একটা ফেডারেশন না থাকলে এই হয়।’
আরও পড়ুন: ‘আমাকে তো ফেলে রেখে চলে যায়, এইবার মেয়ে…’! কাঞ্চন-কৃষভির ভিডিয়ো দিলেন শ্রীময়ী
অনির্বাণের এই পোস্টে মন্তব্য করেছেন ইউটিউবার ঝিলম গুপ্ত। তিনি লেখেন, ‘তুমি এই বিষয়টা বুঝবেনা, কারণ বিষয়টা ঝড়ে ঝড়ে পড়ছে…’! আর তাতে জবাব দিয়ে অনিন্দ্য লেখেন, ‘আমাকে একটু তোর সাথে বসতে হবে এটা নিয়ে বুঝলি।’ দ্বিতীয় একজন মন্তব্য করলেন, ‘লাস্ট লাইনটাই এখানে আসল’! আরেকটি কমেন্টে লেখা, ‘এই কারণেই বলে বাঙালির ব্যবসা হয় না। দাদা-বউদিকে দেখুন, কোনো ঝামেলাই নেই। কী সুন্দর বাবা-মায়ের খোলা ব্যবসা ছেলেরা একসঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।’
আরও পড়ুন: গোপনে কি বাগদান সারলেন হার্দিক ও মাহিকা? বাড়িতে পুজোর আসল কারণ জানাবেন পণ্ডিতজি
ডি বাপির বিরিয়ানি দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে আসছেন বাপি দাস ও ডলি দাস। ফুটপাথের ধারে দোকান বানিয়ে প্রথমে শুরু হয়েছিল ব্যবসা। এরপর রেস্তোরাঁ খোলেন। তবে বাপি ও ডলির বড় ছেলে অনির্বাণ যখন সোদপুর ও মধ্যমগ্রামে শাখা খোলেন, তখনই বিপত্তি। নাম ব্যবহার নিয়ে লড়াই পৌঁছয় আদালত অবধি।
এরপর আদালত মধ্যমগ্রামে অনির্বাণের খোলা দোকানটির ক্ষেত্রে ডি বাপি বিরিয়ানি ব্র্যান্ড ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। তাই অনির্বাণ নিজের নামেই দোকান খোলেন। নাম রাখেন ‘অনির্বাণ বিরিয়ানি অ্যান্ড ক্যাটারার’। সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন নিত্য কাদা ছোড়াছুড়ি চলছে বাপি-ডলি-র সঙ্গে অনির্বাণের। আর পারিবারিক কলহ নিয়ে নেটপাড়াও বেশ ফায়দা তুলছে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


