Jeetu Kamal: ‘যারা শুধু দোষ খুঁজে বেড়ায়, তাদের অন্তরে…’! দিতিপ্রিয়া এড়িয়েছেন কথা, চিরদিনই-র সেটে ফিরেই লিখলেন জিতু
‘অন্ধকার অভিযোগে জন্মায়, আলো কর্তব্যে।’-- সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখলেন জিতু কমল। কার উদ্দেশে বার্তা চিরদিনই তুমি যে আমার-এর আর্যর?
‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এর কারণে বিগত কয়েকদিন ধরে বিতর্কে জর্জরিত ছিলেন অভিনেতা জিতু কমল। অভিনেতাকে ধারাবাহিক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এমন জল্পনা-কল্পনার মাঝে বৃহস্পতিবার ‘সুখবর’ দেন জিতু। জনান তিনি থাকছেন আর্য সিংহ রায়ের চরিত্রে। দর্শকদের দাবি ও ভালোবাসাতে একপ্রকার বাধ্য হয়েছে চ্যানেল জিতুকে ফিরিয়ে আনতে।

শুক্রবার বেলার দিকে স্বামী বিবেকানন্দের একটি ছবি শেয়ার করে নেন জিতু কমল। সেই ছবির উপরে লেখা, ‘অন্ধকার অভিযোগে জন্মায়, আলো কর্তব্যে।’ আর এই ছবির সঙ্গে জিতু লিখেছেন, ‘জীবনের পথে অভিযোগে ভরা মন যেন এক ঘন কালো মেঘ— যা নিজের আলোও ঢেকে রাখে, ঈশ্বরের কৃপাও অনুভব করতে দেয় না। যারা শুধু দোষ খুঁজে বেড়ায়, তাদের অন্তরে শান্তি জন্মায় না; আশীর্বাদের আলোও তাদের চোখে এসে পৌঁছায় না। কিন্তু যখন মানুষ নিজের কর্তব্যকে পূর্ণ আন্তরিকতার সঙ্গে গ্রহণ করে—যা-ই আসুক, যেমনই পরিস্থিতি হোক—তখনই ভিতরের জড়তা ভেঙে যায়, মন ঈশ্বরের ইশারা উপলব্ধি করতে শেখে।’
আরও পড়ুন: হল গৌরব-শোলাঙ্কির 'মিলন হবে কতদিনে'-র স্লট ঘোষণা, কোন মেগার জায়গা নিল এলা-গোরা?
‘কর্ম তখন ধ্যান হয়ে ওঠে, কর্তব্য হয়ে ওঠে ঈশ্বর-আরাধনা। অভিযোগে পথ থেমে যায়, কিন্তু কর্তব্যের পথে এগোলে নতুন আলো উন্মোচিত হয়। স্বামীজির এই বাণী তাই আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়—যে জীবন নিজের দায়িত্বকে ঈশ্বরার্পণ করে, যে হৃদয় ভক্তিভরে কাজ করে, তার জীবন কখনো অন্ধকারে থাকে না। আলো ধীরে ধীরে প্রবেশ করে সেই মনেই—যে মন কর্মের মধ্যেই প্রার্থনা খুঁজে পায়, আর দায়িত্বের মধ্য দিয়েই ঈশ্বরকে উপলব্ধি করে।’
আরও পড়ুন: ‘আমি তো ছেলে খুঁজছি…’! পাশে প্রতীক, বিয়ের প্রসঙ্গ উঠতেই লাজুক মুখে জবাব সোনামণির
বুঝতে অসুবিধা হয় না আকার-ইঙ্গিতে তিনি ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এ তাঁর ফেরার কথাই বলেছেন। ধারাবাহিকের নায়িকা দিতিপ্রিয়া রায় একগুচ্ছ অভিযোগ তুলেছেন জিতুর নামে। এমনকী, একসঙ্গে শট দিতেও রাজি ছিলেন না তিনি, ঝামেলা এতটাই তীব্র ছিল। এমনকী, শেষ কয়েকদিন বডি ডবল দিয়ে কাজ চালানো হয়। কারণ ‘নো টাচ’ পলিসি রেখেছিলেন দিতিপ্রিয়া।
তবে জিতু চলমান বিতর্কে মুখ খুললেও, দিতিপ্রিয়া নীরাবতাই বজায় রেখেছেন। এমনকী, টেলি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডের মঞ্চেও পুরস্কার নেওয়ার পরে, চলমান বিতর্ক নিয়ে প্রশ্ন শুরু হতে ‘নো কমেন্টস’ বলে হাঁটা লাগান।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


