Anjan Dutt: ‘চালচিত্র এখন’ ছবির হাত ধরে প্রথম প্রযোজনার জগতে পা রেখেছিলেন পরিচালক অঞ্জন দত্ত। একজন অসাধারণ সংগীত শিল্পী হওয়ার পাশাপাশি তিনি যে একজন দুর্দান্ত পরিচালক সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে ‘চালচিত্র এখন’ ছবিটি যখন কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হল তখন প্রযোজক হিসেবেও তিনি অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠলেন।

এবার প্রথম একক প্রযোজক হিসাবে নিজেকে পরিচয় করাতে চলেছেন তিনি। পরিচালক অঞ্জন দত্তের ছেলে নীল দত্ত। খুব সম্প্রতি নীলের প্রথম ছবি ‘বিয়ে ফিয়ে নিয়ে’, ছবি ট্রেলার মুক্তি পায়, যা দেখে ছেলের ওপর আত্মবিশ্বাস বেড়েছে অঞ্জন দত্তের। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের ছেলের প্রথম ছবি নিয়ে একটি পোস্টও শেয়ার করেন তিনি।
আরও পড়ুন: ভালোবাসায় মাখামাখি সাহেব-সুস্মিতা, 'গরম বেড়ে গেল...' ভিডিয়ো দেখে লিখলেন রোহন
পোস্টে অঞ্জন দত্ত লেখেন, ‘চালচিত্র এখন ছবির প্রযোজক হতে পেরে ভীষণ ভালো লেগেছিল। কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হওয়ার পর হইচই-এর পর্দায় এই সিনেমাটি দেখে সকলে মুগ্ধ হয়েছিল, তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। ৪৫ বছরের দীর্ঘ সময়ই প্রায় ২৫ টি ছবিতে অভিনয় এবং কুড়িটি ছবি পরিচালনা করার পর মনে হল প্রযোজক হওয়াটা জরুরী। আমি অন্য প্রযোজকদের সঙ্গে কাজ করব না কারণ জানি পরীক্ষামূলক কাজের জন্য অন্যকে ঝুঁকিতে ফেলা উচিত নয়। এই সব কিছুর মধ্যেই হঠাৎ নীল আর তার বন্ধুরা চিত্রনাট্য লিখতে শুরু করে।’
অঞ্জন দত্ত লেখেন,' আমি গল্প শুনেই ভীষণ খুশি হই। নীল শুধুমাত্র পরিচালক নয়, ছবির ক্রিয়েটিভ এবং এক্সিকিউটিভ প্রযোজক এবং সংগীত পরিচালক। আমি ওদের বলেছিলাম, এমন কোন প্রযোজক দরকার যিনি ওদের স্বতন্ত্র ভাবনার সঙ্গে আপোষ করতে পারেন। তবে নীল চেয়েছিল ওর প্রথম ছবিটা স্বাধীনভাবেই বানাবে। প্রায় সব নতুন মুখ নিয়েই ও কাজটা শুরু করেছিল।'
{{/usCountry}}অঞ্জন দত্ত লেখেন,' আমি গল্প শুনেই ভীষণ খুশি হই। নীল শুধুমাত্র পরিচালক নয়, ছবির ক্রিয়েটিভ এবং এক্সিকিউটিভ প্রযোজক এবং সংগীত পরিচালক। আমি ওদের বলেছিলাম, এমন কোন প্রযোজক দরকার যিনি ওদের স্বতন্ত্র ভাবনার সঙ্গে আপোষ করতে পারেন। তবে নীল চেয়েছিল ওর প্রথম ছবিটা স্বাধীনভাবেই বানাবে। প্রায় সব নতুন মুখ নিয়েই ও কাজটা শুরু করেছিল।'
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: রঙিন সুতোয় বোনা মেয়েবেলা, মাকে স্মরণ করে কোন স্মৃতি হাতড়ালেন চূর্ণী
নীলের কাজের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়ে অঞ্জন লেখেন, ‘নীল একটা মজাদার এবং মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো ছবি তৈরি করতে চেয়েছিল। একটা ভীষণ সুন্দর সিনেমা যা একটা সামাজিক শিক্ষা দিয়ে যাবে দর্শকদের। ‘ডেস্টিনেশন ওয়েডিং’ ছবির গল্পের পাশাপাশি গানগুলিও ভীষণ সুন্দর। আশা করি সকলের ভালো লাগবে।’