Archana Puran Singh: ১৩ ঘণ্টা শিফট, লাঞ্চ ব্রেকেও কাটছাঁট, ইন্ডাস্ট্রির অদ্ভুদ নিয়ম নিয়ে সরব অর্চনা
Archana Puran Singh: সম্প্রতি এই সমস্ত অসুবিধার কথা রাজকুমার রাও থেকে শুরু করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অনেকেই তুলে ধরেছেন সকলের সামনে। এবার তেমনই একটি সমস্যার কথা তুলে ধরলেন অর্চনা পূরন সিং।
Archana Puran Singh: চলচ্চিত্র জগতে এমন অনেকেই আছেন যারা ইন্ডাস্ট্রির বেশ কিছু অসুবিধা সকলের সামনে তুলে ধরেছেন। অতিরিক্ত সময়ে কাজ থেকে শুরু করে মৌলিক সুযোগ-সুবিধার অভাব চিরকালই রয়েছে ইন্ডাস্ট্রিতে। সম্প্রতি এই সমস্ত অসুবিধার কথা রাজকুমার রাও থেকে শুরু করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অনেকেই তুলে ধরেছেন সকলের সামনে। এবার তেমনই একটি সমস্যার কথা তুলে ধরলেন অর্চনা পূরন সিং।

সম্প্রতি নিউজ ১৮- এর সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অর্চনা ইন্ডাস্ট্রিতে অতিরিক্ত সময়ে কাজ এবং অতিরিক্ত চাপের বিষয়ে বিশদভাবে কথা বলেন। তিনি জানান কীভাবে নির্ধারিত সময়ের থেকে অনেক বেশি কাজ করানো হয় শিফটে। কখনও ১২ ঘন্টা ছাড়িয়ে যায় অথবা তারও বেশি।
আরও পড়ুন: 'ব্রিটিশ হলে না হয় বিশ্বাস...', বাঙালি হয়েও বাংলা না জানায় কটাক্ষের মুখে শ্রুতি
তিনি আরও জানান, এই অতিরিক্ত কাজ কর্মীদের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে, যার পরবর্তী কালে তাদের শারীরিক এবং মানসিক দিকে সমস্যা তৈরি হয়।। এরপরেও কর্মীদের থেকে আশা করা হয় যে ১৩ থেকে ১৪ ঘন্টা তারা কাজ করবে এবং দুপুরের খাবারের সময়ও কমিয়ে দেবে তারা।
শুধুমাত্র শিল্পী নয়, এই অসামান্য চাপের মুখে পড়তে হয় কলাকুশলীদের। একজন লাইট ম্যান ঘন্টার পর ঘন্টা রোদে দাঁড়িয়ে থাকে, তাদেরকেও সময় মত খাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয় না। তাদের তো কোন সহকারি থাকে না যে তাদের মুখে খাবার ধরবে, তাই ঘণ্টার পর ঘণ্টা না খেয়েই থাকতে হয়।
সানিয়া মালহোত্রা এই বিষয়ে জানান, অতিরিক্ত সময় কাজ করার পরেও প্রোডাকশন হাউস দুপুরে খাবারের বিরতি বাড়াতে চান না। শুটিং শেষ করা তাড়াহুড়োতে অনেক সময় মৌলিক চাহিদাগুলোকে উপেক্ষা করা হয়। রাজকুমার রাও কাজের ফাঁকে বিরতির অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, সময় মতো খাবারের ব্যবস্থা করার জন্য আগে থেকে সঠিকভাবে কর্মসূচি তৈরি করা যায় কিন্তু সেটা হয় না।
আরও পড়ুন: প্রচন্ড গরমে আউটডোর শ্যুটিংয়ে নাজেহাল মানসী! কীভাবে রাখেন নিজের যত্ন?
অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সামান্য সামান্য খরচ বাঁচানোর জন্য যে পদক্ষেপ নেওয়া হয় সেটা সার্বিকভাবে সেটের কর্মীদের ওপর প্রভাব ফেলে। এই ধরনের সিদ্ধান্ত এটাই ইঙ্গিত করে যে কত সহজে মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোকে উপেক্ষা করা যায়।
গতবছর ঠিক একই বিষয় নিয়ে কথা বলেছিলেন দীপিকা পাড়ুকোন। তিনি জানিয়েছিলেন তিনি ১২ ঘণ্টা কাজ করতে পারবেন না। তিনি ৮ ঘণ্টার বেশি কাজ করতে পারবেন না বলে তাঁকে দুটি প্রজেক্ট থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়।
E-Paper

