প্রচন্ড গরমে আউটডোর শ্যুটিংয়ে নাজেহাল মানসী! কীভাবে রাখেন নিজের যত্ন?
Manasi Sengupta: গরমকালে আউটডোর শ্যুটিং হলে কীভাবে নিজেকে তরতাজা করে রাখা যায় সেই সিক্রেট পাশ করলেন অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্ত।
Manasi Sengupta Summer Tips: বৈশাখ মাস পড়তে না পড়তেই গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে গরমের তাপদাহ শুরু হয়ে গিয়েছে। বাড়ি থেকে বের হলেই কড়া রোদে মাথা ব্যথা শুরু হয়ে যায়। এই অতিরিক্ত গরমে বেশি কষ্ট হয় সেই মানুষদের যারা সারাদিন বাইরে কাজে থাকেন। গরমকালে আউটডোর শ্যুটিং হলে কীভাবে নিজেকে তরতাজা করে রাখা যায় সেই সিক্রেট পাশ করলেন অভিনেত্রী মানুসী সেনগুপ্ত।

মানসী দুই সন্তানকে সামলানোর পাশাপাশি নিজের কাজ নিয়েও ব্যস্ত থাকেন সবসময়। খুব স্বাভাবিকভাবেই অতিরিক্ত গরমে আউটডোর শুটিং থাকলে শরীর অসুস্থ হয়ে যাওয়ার একটা প্রবণতা থাকেই, তারমধ্যে অভিনেত্রীর রয়েছে মাইগ্রেনের সমস্যা। সবমিলিয়ে গরমকাল পেলেই যেন চোখে অন্ধকার দেখেন অভিনেত্রী।
দ্য ওয়ালকে দেওয়া সাক্ষাৎকার মানসী বলেন, ‘আমার গরম কাল একেবারেই ভালো লাগে না। কনকনে ঠান্ডা থাকবে, বরফ পড়বে সে কষ্ট সহ্য করে নেব কিন্তু গরমকালের কষ্ট সহ্য করা যায় না। যেহেতু মাইগ্রেনের সমস্যা আছে তাই রোদ একেবারেই পছন্দ করি না আমি।’
আরও পড়ুন: বড়পর্দায় আসছে অশ্নীর গ্রোভারের বায়োপিক! নাম ভূমিকায় অভিনয় করবেন কে?
এরপর গরমে তরতাজা থাকার সিক্রেট পাশ করলেন অভিনেত্রী। অভিনেত্রী জানান, একটা জিনিস তিনি কখনও ভোলেন না সেটি হল সানস্ক্রিন। গরমকাল হোক অথবা শীতকাল, সব সময় সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন তিনি। এমনকি ভুলে গেলেও বাড়ি থেকে আবার নিয়ে আসেন।
তবে শুধুমাত্র ত্বকের যত্ন নেন তা নয়, সারাদিনে অতিরিক্ত জল খাওয়া থেকে শুরু করে ডাবের জল নিয়মিত খেয়ে নিজেকে সুস্থ রাখার চেষ্টা করেন গরমকালে। এছাড়া বাইরের খাবার যথাসম্ভব না খাওয়ারই চেষ্টা করেন, অভিনেত্রীর কাছে গরমকাল মানেই বাড়িতে বানানো হালকা খাবার।
আরও পড়ুন: ইস্টবেঙ্গল ম্যাচে রাহুলকে শ্রদ্ধা যুবভারতীর, ছবি দেখে চোখে জল ভক্তদের
সবশেষে অভিনেত্রী বলেন, ‘শীতকালে রাতে আর গরমকালে সকালে আউটডোর থাকবেই আমাদের। এটা একটা নিয়ম। কিছু করার নেই। আমাদের এইভাবেই কাজ করতে হয়। সবকিছুর মধ্যেই তাই নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য যা যা করতে হয় সেটাই করি।’
প্রসঙ্গত, গত ১৯ মার্চ ছেলের এক বছরের জন্মদিনে মানসী সমাজ মাধ্যমে জানান, তিনি স্বামীর থেকে আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মিউচুয়াল ডিভের্সের পথে হাঁটছেন দুজনে। যদিও বিবাহবিচ্ছেদ হলেও বন্ধুত্ব চিরকাল থেকে যাবে এবং দুই সন্তানের অভিভাবকের দায়িত্ব দুজনে সমানভাবে পালন করবেন।
E-Paper

