Shruti Das: 'ব্রিটিশ হলে না হয় বিশ্বাস...', বাঙালি হয়েও বাংলা না জানায় কটাক্ষের মুখে শ্রুতি

Shruti Das: খুব সম্প্রতি আড্ডা টাইমসে মুক্তি পেয়েছে গৌরব চট্টোপাধ্যায় অভিনীত ‘ব্যোমকেশ বক্সী’। অরিত্র সেন পরিচালিত এই সিরিজের হাত ধরে প্রায় ১২ বছর পর ব্যোমকেশ চরিত্রে ফিরেছেন গৌরব। অজিতের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অর্ণ। সত্যবতীর চরিত্র দেখা গিয়েছে শ্রুতি দাসকে।

Published on: Apr 17, 2026, 15:40:24 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Shruti Das: খুব সম্প্রতি আড্ডা টাইমসে মুক্তি পেয়েছে গৌরব চট্টোপাধ্যায় অভিনীত ‘ব্যোমকেশ বক্সী’। অরিত্র সেন পরিচালিত এই সিরিজের হাত ধরে প্রায় ১২ বছর পর ব্যোমকেশ চরিত্রে ফিরেছেন গৌরব। অজিতের চরিত্রে অভিনয় করেছেন অর্ণ। সত্যবতীর চরিত্র দেখা গিয়েছে শ্রুতি দাসকে।

,বাঙালি হয়েও বাংলা না জানায় কটাক্ষের মুখে শ্রুতি
,বাঙালি হয়েও বাংলা না জানায় কটাক্ষের মুখে শ্রুতি

শ্রুতি দাস, যিনি কিছুদিন আগেই ‘কালিপটকা’ ওয়েব সিরিজে ধরা দিয়েছেন। এরপর সত্যবতী লুকে শ্রুতিকে দেখে মুগ্ধ হয়েছেন সকলে। কিন্তু সত্যবতী চরিত্রটি কতটা চ্যালেঞ্জিং ছিল অভিনেত্রীর পক্ষে? সম্প্রতি এই বিষয় নিয়েই কথা বলতে গিয়ে নেটিজেনদের কটাক্ষের সম্মুখীন হন তিনি।

খুব সম্পতি আনন্দবাজার সোশালের তরফ থেকে একটি ভিডিয়ো প্রকাশ করা হয় যেখানে দেখা যায় শ্রুতি বলছেন, ‘আমি জানি না অনেকেই ভাবে হয়তো আমি খুব মডার্ন, আমি বেশি ইংরেজিতে কথা বলি। কিন্তু ব্যাপারটা হলো আমার পড়াশুনা ইংরেজিতে, আমার বাংলায় প্রথাগত শিক্ষা নেই তাই আমি কথা বলার আগে আমি ইংরেজিতে ভাবি, তারপর ট্রান্সলেট করে সেটা বাংলায় বলি। সেটা একটা অসুবিধা হয় আমার।’

আরও পড়ুন: ইস্টবেঙ্গল ম্যাচে রাহুলকে শ্রদ্ধা যুবভারতীর, ছবি দেখে চোখে জল ভক্তদের

তবে শ্রুতি জানিয়েছেন ‘কালিপটকা’ সিরিজের পর ব্যোমকেশ- এ সত্যবতীর চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পেয়ে তিনি ভীষন খুশী। পরপর এত ভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করতে পেরে আমি সত্যিই ধন্য। কিন্তু শ্রুতির অভিনয় নিয়ে কেউ কিছু না বললেও তিনি যে বাংলাটা একেবারেই পারেন না, সেটা খুবই অদ্ভুত লেগেছে নেট পাড়ার বাসিন্দাদের কাছে।

শ্রুতির বক্তব্যের ভিত্তিতে ভিডিয়োর কমেন্ট বক্সে একজন লেখেন, ‘আপনার মাতৃভাষা বাংলা আর আপনি সবকিছু ইংরেজিতে ভেবে তারপর বাংলায় ট্রান্সলেট করেন? এটা কি ধরনের কথা? আপনি ব্রিটিশ হলে না হয় বিশ্বাস করতাম, কিন্তু বাঙালি হয়ে ইংরেজিতে ভেবে বাংলায় ট্রান্সলেট? দিদি এটা একটু বাড়াবাড়ি হয়ে গেল।’

আরও পড়ুন: বড়পর্দায় আসছে অশ্নীর গ্রোভারের বায়োপিক! নাম ভূমিকায় অভিনয় করবেন কে?

অন্য একজন লিখেছেন, পড়াশোনাটা যখন ইংরেজিতে তাহলে সিনেমাও ইংরেজিতে করুন, বাংলা সিনেমা করার কি দরকার। কেউ কেউ আবার লিখেছেন, ইংরেজি বা বাংলা মাধ্যম এটা বড় কথা নয়, মাতৃভাষায় কথা বলাটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার।