Arijit on Delhi Protest: ‘আপনাকে ঘেন্না করি’, বিজেপি ও দিল্লি পুলিশের বিরোধিতা করতেই আক্রমণ অরিজিৎকে! গায়কের পালটা জবাব
মঙ্গলবার অরিজিৎ টুইট করে বিরোধিতা করেন যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের উপর লাঠিচার্জের। আর তারপরই টুইটারে নিজেকে গায়কের ভক্ত বলে দাবি করে এক ব্যক্তি লেখেন, ‘ঘেন্না করেন’ গায়ককে এই টুইটের কারণে। তবে সেই আক্রমণেও দমার পাত্র যে তিনি নন বুঝিয়ে দিলেন জিয়াগঞ্জের ভূমিপুত্র। এল পালটা জবাবও।
মঙ্গলবার দিল্লিতে পড়ুয়াদের উপর দিল্লি পুলিশের লাঠিপেটা করার ঘটনায় মুখ খোলেন অরিজিৎ সিং। শুধু তাই নয়, কড়া সমালোচনা করেন পুলিশ থেকে প্রশাসন সকলের। ককরোচ জনতা পার্টির তরফে ডাকা সাংসদ অভিযানে হওয়া এই নির্মম ঘটনা নিয়ে মুখ খোলার পর, অরিজিৎকে কটাক্ষ করেন এক নেটিজেন। নিজেকে গায়কের ভক্ত বলে দাবি করে তিনি লেখেন, ‘ঘেন্না করেন’ অরিজিতের করা এই পোস্টের কারণে। তবে সেই আক্রমণে দমার পাত্র যে তিনি নন বুঝিয়ে দিলেন গায়ক। এল পালটা জবাবও।

বুধবার অরিজিৎ একটি টুইট করেন তাঁর whoami টুইটার প্রোফাইলটি থেকে। সেখানে লেখেন, ‘আপনারা তো এবার ছাত্রদের মারধর করছেন। হ্যালো দিল্লি পুলিশ, আপনাদের লজ্জা করছে না? হ্যালো নেতা মন্ত্রী! কী চলছে ভাই? নিজেদেরকে ভগবান ভেবে নিয়েছেন নাকি? সব কিছু মনে থাকবে। হর হর মহাদেব। আর মনে রাখবেন, দ্য অনলি কনস্ট্যান্ট ইজ চেঞ্জ (পরিবর্তনই চিরন্তন সত্য)’।
আর অরিজিতের করা এই টুইট নিয়েই অসন্তোষ প্রকাশ করেন এক ভক্ত। যিনি জবাবে লেখেন, ‘আপনার প্রতি যা সম্মান ছিল সব আজকে নষ্ট করে দিলেন। আমি মন থেকে আপনাকে ঘেন্না করি’!
এর আগেও আরজি কর আন্দোলনের সময় পশ্চিমবাংলার তৎকালীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন তিনি। তাই ‘ঘেন্না করি’-র উত্তর-ও এল বেশ কড়া। অরিজিৎ লিখলেন, ‘আপনি আমার সমস্ত প্লেলিস্ট ডিলিট করে দিতে পারেন। আমাকেই ভুলে যেতে পারেন। কিন্তু সেটা কখনোই আমার মতামতকে বদলাতে পারে না।’ অরিজিৎ-এর এই জবাব বুঝিয়ে দিয়েছে, অন্য়ায়ের প্রতিবাদ করতে পিছু পা হবেন না তিনি কখনো। চলবে না আপোষ। আর এই কারণে যদি নিজের অনুরাগী বা শ্রোতা খোয়াতে হয়, তাই সই।
প্রসঙ্গত, নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র অবস্থান বিক্ষোভ দ্বিতীয় মাসে পদার্পণ করেছে। নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস ও তারপর ২০ জন পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যার পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে যা শুরু হয়, তা এখন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশের নানা প্রান্ত থেকে পড়ুয়ারা এই বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন। সোমবার সংসদ অভিযানের ডাক দেওয়ার পর পুলিশের ব্যাপক লাঠিচার্জ ও দমন-পীড়ন সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীরা পিছু হটেননি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জেপি নাড্ডার সিজেপি-র প্রতিনিধি দলের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিজেপি প্রতিনিধি সৌরভ দাস জানিয়েছেন যে সেদিন কার্যত তাঁদের চার ঘণ্টা হাউজ অ্য়ারেস্ট করে রাখা হয়েছিল জেপি নাড্ডার বাড়িতে। দু ঘণ্টা তাঁদের থেকে ফোনও নিয়ে নেওয়া হয়েছিল। আর তাঁদের তরফ থেকে মন্ত্রীর কাছে লিখিত দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পরেও জবাব আসেনি। তাই যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ চলবে। এবার সরকারকে যন্তর মন্তরে এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। এদিকে ২৩তম দিনে এসেও এখনো অনশন প্রত্যাহার করেননি সোনম ওয়াংচুক।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


