Arijit Tweet: ‘এখন নাকি বাংলায় কিছু বললে হাজত বাস হচ্ছে, তা হাজতে এত জায়গা আছে?’, ক্রমাগত কটাক্ষে মেজজ হারালেন অরিজিৎ

মঙ্গলবার দিল্লি পুলিশের লাঠি চালানোর বিরোধিতা করে একটি টুইট করেন অরিজিৎ সিং। আর তাতেই ক্ষেপে উঠেছে ‘ভক্তরা’ (অরিজিতের নয়)! একের পর এক কটাক্ষের শিকার হতেই পালটা জবাব আসছে গায়কের থেকে। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখা অরিজিৎ বুধবার সারাদিনই এক হাত নিলেন এই ‘ভক্ত’দের। 

Published on: Jul 22, 2026, 21:46:51 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

দিল্লিতে ছাত্রদের উপর হওয়া লাঠিচার্জের বিরোধিতা করতেই আক্রমণের শিকার অরিজিৎ সিং। একটি বিশেষ দল-এর ভক্তরা সোশ্যাল মিডিয়ায় যাকে বলে রে রে করে তেড়ে এসেছেন। কেউ বলছেন ‘আপনাকে এখন ঘেন্না করি’, তো কেউ বলছেন, ‘আর আপনার গান শুনব না’! তবে এসবে পাত্তা দিতে যে নারাজ অরিজিৎ বুঝিয়ে দিলেন বুধবার একের পর এক টুইটে। স্পষ্টটই তিনি বেশ বিরক্ত। বিকেলের দিকে একটি টুইটে গায়ক প্রশ্ন তুললেন-'ধান্দাবাজরা এমন ক্ষেপে যায় কেন?'

ক্রমাগত কটাক্ষে মেজজ হারালেন অরিজিৎ।
ক্রমাগত কটাক্ষে মেজজ হারালেন অরিজিৎ।

অরিজিৎ তাঁর whoami অ্যাকাউন্টটি থেকে এক্স প্ল্য়াটফর্মে লিখেছেন, ‘আমি তো সাধারণ কথা বলেছিলাম। ধান্দাবাজরা এমন ক্ষেপে যায় কেন? এই তো কদিন আগে আমরা জনসাধারণ একটা দলকে বাড়ি ঢুকতে দিয়েছিষ। আমরা ঢুকে দিয়েছি তাই ঢুকেছিস। এবার আর কোথায় কোথায় ঢুকবি বাপ। আগে থাকতে বলে দে। সেদিন আমার কবিতাটা নিয়ে যেখানে সেখানে চেচামেচি করলি। তা বেশ করলি। এখন তোদের নিয়ে লিখব ভাবি। কিন্তু এখন নাকি বাংলায় কিছু বললে হাজত বাস হচ্ছে? সত্যি কথা? তা হাজতে কত জন ধরে? জায়গা আছে?’

‘শোন বাচ্চা, উপরে যে বসে বসে হাওয়া খাচ্ছে, যেদিন দরকার লাগবে তোমার পিছনে হাওয়া দিয়ে দেবে। মাসি হোক বা মেসো, আসতে করে কেশো’।, আরও লেখেন অরিজিৎ এক টুইটে।

অরিজিতের টুইট।
অরিজিতের টুইট।

এর আগে এক নেটিজেন যখন তাঁকে বলেন যে, তিনি আগে অরিজিৎকে পছন্দ করতেন, গান ভালোবাসতেন, এখন তাঁকে ঘেন্না করেন, তখন গায়ক পালটা লেখেন, ‘আমার সব গান প্লে লিস্ট থেকে মুছে ফেলো। আমার অস্তিত্বকেই অস্বীকার করো। কিন্তু তাতে আমি আমার মতামত থেকে কেন সরে আসব?’

তবে নিজের টুইটের জবাবে একাধিকবার অরিজিৎকে স্পষ্ট করতে দেখা গিয়েছে যে, তিনি কোনোভাবেই ককরোচ জনতা পার্টির সাপোর্টার নন। এটাও বুঝতে পেরেছেন এই বিরোধে এখন অনেক মানুষ ঢুকে পড়েছে নিজেদের কার্যসিদ্ধির আশায়। সঙ্গে তিনি মনে করেন, সরকারের উচিত ছিল কথা বলে আগেই এতদূর জলঘোলা হতে না দেওয়া। সঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যেভাবে কিছু মিডিয়া ঘুরিয়ে তাঁর কথা জনসাধারণের সামনে তুলে ধরছে। রইল অরিজিতের সেরকমই কিছু জবাবের স্ক্রিনশট-

অরিজিতের জবাব।
অরিজিতের জবাব।
অরিজিতের জবাব।
অরিজিতের জবাব।
অরিজিতের জবাব।
অরিজিতের জবাব।
অরিজিতের টুইটের স্ক্রিনশট।
অরিজিতের টুইটের স্ক্রিনশট।

দিল্লি পুলিশের বিরোধিতায় মুখ খুলেছেন একাধিক তারকা। যার মধ্যে রয়েছেন স্বরা ভাস্কর, রীতেশ দেশমুখ, জেনেলিয়া ডিসুজা, সোনাক্ষী সিনহা, শাবানা আজমি, নাসিরুদ্দিন শাহ-এর মতো তারকারা।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More