স্কুলে কৌশিকী-লগ্নজিতাকে নিয়ে বাক্য রচনা লিখল পড়ুয়া! ছবি দিয়ে কী লিখলেন গায়িকা
গায়িকা শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি শেয়ার করে নেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে এক পড়ুয়া স্কুলে বাক্যরচনা লিখেছে। অপূর্ব দিয়ে সে লেখে- ‘লগ্নজিতা চক্রবর্তী আর কৌশিকি চক্রবর্তী অপূর্ব গান গায়’।
অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং সুপরিচিত বাঙালি নেপথ্য সঙ্গীতশিল্পী লগ্নজিতা চক্রবর্তী। ২০১৪ সালে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের 'চতুষ্কোণ' সিনেমায় ‘বসন্ত এসে গেছে’ গানটি গেয়ে তিনি রাতারাতি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেন। গায়িকা শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি শেয়ার করে নেন। যেখানে দেখা যাচ্ছে এক পড়ুয়া স্কুলে বাক্যরচনা লিখেছে। অপূর্ব দিয়ে সে লেখে- ‘লগ্নজিতা চক্রবর্তী আর কৌশিকি চক্রবর্তী অপূর্ব গান গায়’। আর খুদে ভক্তের এই লেখাই মন ছুঁয়ে যায় তাঁর। তবে এই পড়ুয়ার আরেক পরিচয়ও আছে, সে আরজে শ্রী, অর্থাৎ শ্রী বসুর ছেলে স্রোত।

লগ্নজিতা লেখেন, ‘এই বাক্যরচনাটা স্রোতের লেখা। বেশ অবাক করা বাক্যরচনা! অবশ্য পরে ভেবে দেখলাম, অবাক হওয়ার কোনও কারণ নেই। কারণ স্রোত যার ছেলে, সে আমাদের স্কুলের সিনিয়র দিদি হিসেবে কী ধরনের ভাবনাচিন্তা এবং কী ধরনের যাপন করত, সে তো আমরা জানিই। কাজেই তার ছেলে যে এমনই ভাববে, সেটা একেবারেই অবাক করার মতো বিষয় নয়।’
লগ্নজিতা জানিয়েছেন তিনি এবং শ্রী একই স্কুল অর্থাৎ পাঠভবনে পড়তেন। স্কুলের সিনিয়র ছিলেন শ্রী। বরাবর ‘শ্রীতমাদি’র ভক্ত ছিলেন তিনি। এমনকী, লগ্নজিতা তাঁর ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেছেন যে, স্কুলে পড়ার সময় তিনি শ্রী-র গান শুনে ভাবতেন, এরকমই গান করতে চান। গায়িকা লিখেছেন, ‘স্রোতের মা পৃথিবীর কাছে আর জে শ্রী, শ্রী বসু হিসেবে পরিচিত, কিন্তু আমরা যারা পাঠভবনে পড়াশোনা করেছি, আমাদের কাছে সে পরিচিত শ্রীতমাদি হিসেবেই। শ্রীতমাদির তখন কোঁকড়া কোঁকড়া চুল ছিল; আজ আমরা যে চুলটা দেখি, সেটা তখন ছিল না। আর ছোটবেলা থেকে স্কুলের অ্যাসেম্বলি থেকে শুরু করে বড় বড় বার্ষিক অনুষ্ঠান—সব রকমের পরিসরে, যেখানেই গানের প্রসঙ্গ এসেছে, সেখানে যে কয়েকজন দাদা-দিদিকে আমরা দেখে অভ্যস্ত ছিলাম, বা যাদের দেখে ভাবতাম 'এদের মতো গাইতে হবে', তাদের মধ্যে শ্রীতমা দি ছিল অন্যতম।’
একইসঙ্গে কৌশিকি-র সঙ্গে এক বাক্যে নিজের তুলনাতে লগ্নজিতা লিখলেন, ‘স্রোত বড় হলে বুঝতে পারবে, ওই বাক্যরচনায় কৌশিকী দির আর আমার সঙ্গে ওর মায়ের নামটাও জুড়ে দিলে খুব একটা মন্দ হত না… আর সব শেষে এটা না বলে পারছি না—স্রোত নেহাতই ছোট, একেবারে অপাপবিদ্ধ। তাই ও কৌশিকী দি ও আমায় একই পঙ্ক্তিতে রেখেছে। বড় হলে, আরও অনেক কিছুর মতো, স্রোত এটাও বুঝবে—কৌশিকী চক্রবর্তী সবসময়ই এক নম্বরের পঙ্ক্তিতে। আমি তার পঞ্চাশ-ষাটতম পঙ্ক্তির পরেও যদি একটু বসার জায়গা পাই, তাতেই নিজেকে ধন্য মনে করব।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


