সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি লস্যির দোকানে ভিডিও করতে গিয়ে কটাক্ষের শিকার হন অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী। অভিনেত্রীকে নিয়ে সমালোচনা হতেই এবার কটাক্ষের বিরুদ্ধে কড়া জবাব দিলেন ভাগ্যশ্রী। কী লিখলেন অভিনেত্রী?

কী ঘটেছিল?
সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে যেখানে দেখা যাচ্ছে, তপ্ত গরমে রাস্তায় একটি লস্যির দোকানে আসেন ভাগ্যশ্রী। ক্যামেরার সামনে তিনি লস্যি খাচ্ছেন, এমনটাই দেখানোর কথা ছিল কিন্তু এর ফাঁকেই নেপথ্য দৃশ্য ক্যামেরা বন্দী হয়ে যায়। দেখা যায়, ক্যামেরার সামনেই লস্যির প্রশংসা করার পরেই তিনি গ্লাসটি নামিয়ে রেখে সেখান থেকে চলে যাচ্ছেন। এই অংশটুকু দেখার পরেই ভাগ্যশ্রী নামে সমালোচনায় মুখর হন সকলে। অনেকেই বলেন, অভিনেত্রী ভুয়ো প্রচার করছেন।
আরও পড়ুন: মারাত্মক অসুস্থ রাজেশ শর্মা, ভর্তি হয়েছেন হাসপাতালে, কী হয়েছে অভিনেতার?
এবার এই বিতর্কে জবাবে সমাজ মাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্ট করেন অভিনেত্রী যেখানে তিনি লেখেন, ‘ভোর তিনটের সময় মঙ্গল আরতি দেখার পর কাশির ঘাটে দীর্ঘক্ষণ হাঁটছিলেন তিনি। অতিরিক্ত গরমের মধ্যে লস্যি খাওয়াই যেন তখন হয়ে উঠেছিল একমাত্র শক্তির উৎস। তাছাড়া লস্যির ওপরে ছড়িয়ে দেওয়া শুকনো ফলের স্বাদ যেন আরও বেশি সুন্দর হয়ে উঠেছিল।’
অভিনেত্রী আরও লেখেন, ‘সুগার রোগীরা হয়তো মিষ্টি লস্যি পছন্দ নাও করতে পারেন। তবে দই ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং প্রোবায়োটিকসে ভরপুর। অন্যদিকে গুড় শরীরে শক্তি যোগায় এবং জল শরীরকে সতেজ রাখে। আমার জন্য এটা ছিল এক্কেবারে আইডিয়াল। এরপর তিনি জানান ঘটনাস্থলে কি হয়েছিল।’
{{/usCountry}}অভিনেত্রী আরও লেখেন, ‘সুগার রোগীরা হয়তো মিষ্টি লস্যি পছন্দ নাও করতে পারেন। তবে দই ক্যালসিয়াম, প্রোটিন এবং প্রোবায়োটিকসে ভরপুর। অন্যদিকে গুড় শরীরে শক্তি যোগায় এবং জল শরীরকে সতেজ রাখে। আমার জন্য এটা ছিল এক্কেবারে আইডিয়াল। এরপর তিনি জানান ঘটনাস্থলে কি হয়েছিল।’
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: 'রচনাদি তো কিছু মিথ্যে বলেননি...', আরবানা প্রসঙ্গে যা বললেন কনীনিকা
পোষ্টের মাধ্যমেই ভাগ্যশ্রী লেখেন, ‘অনেকেই বলছেন আমি সেটি সেখানে রেখে চলে গিয়েছিলাম। আপনারা কি সেখানে উপস্থিত ছিলেন? লস্যিটি অতিরিক্ত মিষ্টি বলে যে আমি খাইনি এর কোনও প্রমাণ আছে কি কারোর কাছে? অর্ধেক ভিডিও দেখে কেন মানুষকে বিচার করেন?’
ভুয়ো বিজ্ঞাপন প্রসঙ্গে অভিনেত্রী লেখেন, ‘রাস্তার ধারে যারা খাবার বিক্রি করেন তাদের জন্য কিছু পোস্ট করলে যাতে আর্থিক লাভের বিষয়টি দেখা হয় না। এতে সেই ব্যবসায়ীর কিছু উপকার হয়। পবিত্র কাশিকে ঘিরেও এইরকম নেতিবাচকতা ছড়িয়ে পড়া একেবারেই উচিত নয়।’