'বুম্বাদা বয়সকে বেঁধে রেখেছেন…', প্রসেনজিতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভোজপুরি অভিনেতা রবি কৃষ্ণ

টলিপাড়া তাঁকে সকলে ইন্ডাস্ট্রি বলে। চলতি বছরে তিনি পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন। আর এবার এই প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভোজপুরি তথা বলিউড অভিনেতা রবি কৃষ্ণ।

Published on: Mar 28, 2026, 11:51:01 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

টলিপাড়া তাঁকে সকলে ইন্ডাস্ট্রি বলে। চলতি বছরে তিনি পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত হন। আর এবার এই প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভোজপুরি তথা বলিউড অভিনেতা রবি কৃষ্ণ।

'বুম্বাদা বয়সকে বেঁধে রেখেছেন…', প্রসেনজিতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভোজপুরি অভিনেতা রবি কৃষ্ণ
'বুম্বাদা বয়সকে বেঁধে রেখেছেন…', প্রসেনজিতের প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভোজপুরি অভিনেতা রবি কৃষ্ণ

আরও পড়ুন: 'ছোটপর্দায় শিল্পীরা কাজ করেন মূলত পেট চালানোর জন্য…', মেগা প্রসঙ্গে কেন এমন বললেন ঋষি কৌশিক?

টলিউড অনলাইনের শেয়ার করা একটি ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে দিল্লি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে হাজির হয়েছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সেখানেই রবি কৃষ্ণ সঙ্গে একফ্রেমে দেখা মেলে তাঁর। সেখানেই টলিপাড়ার 'বুম্বাদা'কে প্রশংসায় ভরে দেন রবি কৃষ্ণ।

তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘বুম্বাদা একজন বিলিয়ান্ট অভিনেতা। আর মানুষ হিসেবে তার থেকেও বেশি সুন্দর। বুম্বাদা বয়সকে বেঁধে রেখেছেন। ফিটনেসের উদাহরণ উনি। ভীষণ নিয়ম মেনে চলেন।’

এই ভিডিয়োটি প্রকাশ্যে আসতেই প্রসেনজিৎকে নতুন করে অনুরাগীরা ভালোবাসায় ভরে দিয়েছেন। একজন লেখেন, ‘এটাই হল আমাদের বাংলার গৌরব প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, যাকে দেখে শুধু বাংলা নয়, জাতীয় স্তরের শিল্পীরাও অনুপ্রাণিত হন।’ আর একজন লেখেন, ‘৬৫ বছর বয়সে ওল্ড ইয়ংম্যান।’

আরও পড়ুন: মুম্বই পাড়ি দিলেন দিব্যাণী! তবে কি এবার বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখছেন নায়িকা?

প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দিল্লির কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল যে ‘পদ্মশ্রী’ পেতে চলেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এই বছর পশ্চিমবঙ্গ থেকে যে ক’জন কৃতী এই সম্মানে ভূষিত হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে প্রসেনজিতের নাম শীর্ষে। আশির দশক থেকে এখনও পর্যন্ত একের পর এক নানা স্বাদের ছবি উপহার দিয়েছেন তিনি।

শিশুশিল্পী হিসেবে প্রসেনজিৎ প্রথম অভিনয় শুরু করেন তাঁর বাবা বিশ্বজিতের পরিচালিত ছুবি 'ছোট্ট জিজ্ঞাসা'তে। এই ছবিটি ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে মুক্তি পায়। এরপর বড়ে হয়ে ‘শত্রু’তে খলনায়ক হিসেবে ধরা দেন। তারপর একসময় রোম্যান্টিক হিরো হয়ে ওঠেন তিনি। ধীরে ধীরে তিনি হয়ে ওঠেন টলিপাড়ার প্রিয় বুম্বাদা। বাণিজ্যিক ছবির মাধ্যমে বাংলা বিনোদনের ব্যবসাকে যেমন নতুন মোড় দিয়েছেন। তেমনি ভিন্ন ধারা বাংলা ছবিতেও তাক লাগিয়েছেন।

একটা সময় নিজের দায়িত্বে বাংলা চলচ্চিত্র জগৎকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। তাই অনেকেই তাঁকে 'ইন্ড্রাস্ট্রি' বলে সম্বোধন করেন। ‘অমর সঙ্গী’র রোম্যান্টিক হিরো থেকে ‘অটোগ্রাফ’-এর অরুণ চট্টোপাধ্যায় কিংবা ‘জাতিস্মর’-এর কুশল হাজরা— তাঁর অভিনয়ের বৈচিত্র্য বারবার মুগ্ধ করেছে দর্শকদের। তাছাড়াও সম্প্রতি টলিপাড়ার গন্ডি ছাড়িয়ে তিনি বি-টাউনে পাড়ি জমিয়েছেন।