Bhumi Pednekar on CJP protest: ‘হিংসা কোনও সমস্যার সমাধান নয়’! CJP-র আন্দোলন নিয়ে মুখ খুললেন ভূমি পেডনেকর
বিনোদন ডেস্ক : ছাত্র ও প্রধান বিচারপতির বিক্ষোভ নিয়ে ইনস্টাগ্রামে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী ভূমি পেডনেকর। অভিনেত্রী বলেছেন যে এই জাতীয় সমস্যাগুলি সংলাপের মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।
দেশজুড়ে চলা ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন, পড়ুয়াদের ক্ষোভ এবং প্রশ্নফাঁস বিতর্ক নিয়ে মুখ খুললেন বলিউড অভিনেত্রী ভূমি পেডনেকর। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি দীর্ঘ পোস্ট করে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রতিবাদের সময় যে হিংসার ছবি সামনে এসেছে, তা কোনও সমস্যার সমাধান হতে পারে না। একই সঙ্গে তিনি মনে করেন, যুবসমাজ ও পড়ুয়াদের এই আন্দোলন যাতে হিংসার পথে না যায় বা মূল উদ্দেশ্য থেকে বিচ্যুত না হয়, তা নিশ্চিত করা সকলের দায়িত্ব।

প্রসঙ্গত, এই ইস্যুতে যেখানে বলিউডের একাংশ সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছেন, সেখানে অন্য একাংশ সিজেপি এবং আন্দোলনরত পড়ুয়াদের সমর্থন জানিয়েছেন।
নিজের ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ভূমি লেখেন, ‘হিংসা কোনও সমস্যার সমাধান নয়। আজ আমরা হিংসার ছবি দেখেছি। আমাদের দায়িত্ব দেশের তরুণদের জন্য নিশ্চিত করা যে এই আন্দোলন যেন হিংসার পথে না যায় বা নিজের লক্ষ্য থেকে সরে না যায়। গণতন্ত্র সংলাপের মাধ্যমেই শক্তিশালী হয়। সমাজের দুর্বল ও পিছিয়ে পড়া পরিবারের পড়ুয়াদের কাছে শিক্ষা কঠিন পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার একমাত্র পথ। সেই বিশ্বাস আমরা ভেঙে যেতে দিতে পারি না। আমি আশা করি, শেষ পর্যন্ত জয় হবে সেই পড়ুয়াদের, যারা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটির শিকার হয়েছে।’
এরপর তিনি এই আন্দোলনের নেপথ্যের কারণগুলিও তুলে ধরেন। ভূমির মতে, দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় এখনও একাধিক ক্ষেত্রে সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি লেখেন, ‘আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি জরুরি। প্রশ্নফাঁস, পরীক্ষা পরিচালনায় ব্যর্থতা, সমান সুযোগের অভাব, শিক্ষকের সংকট এবং পড়ুয়াদের ওপর অতিরিক্ত চাপ— এগুলি এমন সমস্যা, যেগুলির দিকে গুরুত্ব দেওয়া দরকার। গত কয়েক বছরে ভারত উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে, তা অস্বীকার করার উপায় নেই।’
অভিনেত্রীর মতে, দেশের সক্ষমতা আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। এখন দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনই পড়ুয়াদের জন্য আসন সংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ভারতের ভবিষ্যৎ একটি শক্তিশালী, স্বচ্ছ এবং নির্ভরযোগ্য শিক্ষাব্যবস্থার উপরই নির্ভর করবে।
পোস্টের শেষে ভূমি জানান, তাঁর বিশ্বাস দেশের শিক্ষাব্যবস্থার প্রতিটি ত্রুটি ধীরে ধীরে দূর হবে এবং এমন একটি পরিবেশ তৈরি হবে, যেখানে প্রত্যেক পড়ুয়া সমানভাবে শেখার, স্বপ্ন দেখার এবং এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে।
তিনি আরও লেখেন, ‘যে পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়েছে, তাদের উত্তর পাওয়ার অধিকার রয়েছে। আন্দোলনে বলা প্রতিটি বিষয়ে আমি হয়তো একমত নই, কিন্তু আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, পরিবর্তনের সূচনা হয় আলোচনার মাধ্যমেই। এই গোটা বিষয়টির কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা উচিত আমাদের পড়ুয়ারাই।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


