...
...
Next Story

'ও আমাকে…', ‘পদ্মশ্রী’ প্রাপ্তির খবর পেয়ে যা বললেন বিশ্বজিতের দ্বিতীয় স্ত্রী প্রসেনজিতের সৎ মা ইরা

প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে প্রকাশ্যে আসে যে, ভারতীয় চলচ্চিত্রে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘পদ্মশ্রী’ পেতে চলেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এবার প্রসেনজিতের এই প্রাপ্তি প্রসঙ্গে কথা বললেন বিশ্বজিৎ-পত্নী ইরা চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁদের মেয়ে সাম্ভবী চট্টোপাধ্যায়।

Published on: Jan 27, 2026, 11:51:26 IST
Advertisement

চলতি বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে প্রকাশ্যে আসে যে, ভারতীয় চলচ্চিত্রে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য দেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘পদ্মশ্রী’ পেতে চলেছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ছেলের এই বিরাট প্রাপ্তি খবর পেয়েই তাঁর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন বাবা অভিনেতা বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়। সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে তিনি তাঁর অনুভূতিও ভাগ করে নিয়েছিলেন। আর এবার প্রসেনজিতের এই প্রাপ্তি প্রসঙ্গে কথা বললেন বিশ্বজিৎ-পত্নী ইরা চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁদের মেয়ে সাম্ভবী চট্টোপাধ্যায়।

'ও আমাকে…' প্রসেনজিতের ‘পদ্মশ্রী’ প্রাপ্তির খবর পেয়ে যা বললেন সৎ মা ইরা
'ও আমাকে…' প্রসেনজিতের ‘পদ্মশ্রী’ প্রাপ্তির খবর পেয়ে যা বললেন সৎ মা ইরা

আরও পড়ুন: সামাজিক বিয়ের চার মাসের মাথায় মা হন রূপসা! এবার ছেলের ১ বছরের জন্মদিন পালন করলেন অভিনেত্রী

আনন্দবাজার ডট কমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইরা বলেন, ‘বাবাকে (বিশ্বজিৎ) না পেয়ে ও আমাকে ফোন করেছিল। আসলে অন্য ফোনে তখন অর্পিতা ছিল। আমি ওকে শুভেচ্ছাও জানিয়েছি। মুম্বইয়ে এলে তো বুম্বা আমাদের নানা জায়গায় খাওয়াতে নিয়ে যায়। তবে ইচ্ছা আছে ওকে খাওয়ানোর। কিছুই তো খেতে চায় না। তবে ও ‘গ্রিন টি’ খেতে ভালবাসে। ওটা করে দেব।’

অন্যদিকে, ছোট বোন সাম্ভবী বলেন, ‘আমার বন্ধুরাও খুব উত্তেজিত। বহু বছর আগে আমার কিছু কিছু বন্ধুর সঙ্গে দেখা হয়েছিল দাদার।’

অন্যদিকে, বিশ্বজিৎও আনন্দবাজার ডট কমের সঙ্গে এই বিষয়ে তাঁর নানা কথা ভাগ করে নেন। তিনি বলেন, ‘আজ থেকে ১৮ বছর আগে বলেছিলাম, বুম্বা তুমি বলিউড ফিল্মে কাজ করো, তোমার মধ্যে ট্যালেন্ট আছে। হিন্দি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করলে বম্বের প্রথম সারির নায়কদের মধ্যে পড়বে। কিন্তু ও বাংলায় কাজ করতে চেয়েছিল। ওর ইচ্ছাই শেষ ইচ্ছা। সে ভাবেই ও করেছে। এটুকু ছাড়া আমার কোনও আক্ষেপ নেই। তবে এই নিয়েই তো জীবন, আজ তো আনন্দের দিন। যে ফিল্মের জন্য আমি বাড়ি ছেড়েছিলাম, সেই ফিল্মদুনিয়ায় আমার পরিবার রয়েছে। এই সিনেমার জন্যই জাতীয় স্তরের সম্মান পাচ্ছে। এখন গোটা পরিবার ফিল্মি পরিবার হয়ে গিয়েছে। ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করব বুম্বা যেন দীর্ঘায়ু হয়।’

প্রসঙ্গত, এর আগে বিশ্বজিৎকে বলতে শোনা গিয়েছিল, 'বাবা হিসেবে আজ আমি খুবই গর্বিত। গর্বিত বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়। এমন একটা খবর, এই খবর পেলে কে না খুশি হবে? আমিও খুব খুশি। সকালে বুম্বার (প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়) সঙ্গে কথা হল। ও ভীষণ খুশি। এতো খুশিরই খবর, আনন্দের খবর। খুব ভালো লাগছে।’

প্রসঙ্গত, দিল্লির কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এই খবর ঘোষণা করা হয়েছিল রবিবার। শিশুশিল্পী হিসেবে প্রসেনজিৎ প্রথম অভিনয় শুরু করেন তাঁর বাবা বিশ্বজিতের পরিচালিত ছুবি 'ছোট্ট জিজ্ঞাসা'তে। এই ছবিটি ১৯৬৮ খ্রিষ্টাব্দে মুক্তি পায়। এরপর বড় হয়ে ‘শত্রু’তে খলনায়ক হিসেবে ধরা দেন। তারপর একসময় রোম্যান্টিক হিরো হয়ে ওঠেন তিনি। ধীরে ধীরে তিনি হয়ে ওঠেন টলিপাড়ার প্রিয় বুম্বাদা। বাণিজ্যিক ছবির মাধ্যমে বাংলা বিনোদনের ব্যবসাকে যেমন নতুন মোড় দিয়েছেন। তেমনি ভিন্ন ধারা বাংলা ছবিতেও তাক লাগিয়েছেন। তাছাড়াও সম্প্রতি টলিপাড়ার গন্ডি ছাড়িয়ে তিনি বি-টাউনেও পাড়ি জমিয়েছেন।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe