‘বউ গান গাইতে দেয় না, বাথরুমেও…’! সারেগামাপা-য় এসে দাম্পত্য ফাঁস বিজেপি-র সজলের

রবিবার সারেগামাপা-র ফাইনালে টলিউড ও রাজনীতি জগতের বহু বিখ্যাত মুখের দেখা মিলেছে। এসেছিলেন বিজেপি বিধায়ক রুদ্রনীল ও সজল ঘোষ-ও। 

Published on: Jun 29, 2026, 10:48:46 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

রবিবার ছিল বাংলা সারেগামাপা ২০২৬-এর ফাইনাল। শেষ হল দীর্ঘ দিনের সফর। টানটান লড়াইয়ের পর তৃতীয় হয়েছেন হাওড়ার আন্দুলের বাসিন্দা সৃজন পোড়েল। আর দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন সুভাষগ্রামের মেয়ে গীতশ্রী চৌধুরী। আর চলতি সিজনের বিজেতা চকোলেট বয় আয়ুষ গুপ্ত। উত্তরবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের ছেলে তিনি। দীর্ঘ প্রায় ৮-৯ মাস ধরে চলা এই প্রতিযোগিতায় প্রথম থেকেই নিজের সুরের জাদুতে বিচারক ও দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছিলেন আয়ুষ। সঙ্গে ভিউয়ার্স চয়েস অ্যাওয়ার্ডও পেয়েছেন আয়ূষ গুপ্ত। মোস্ট স্টাইলিশ পারফর্মার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে সায়ন্তনী ঘোষকে। আর সারেগামাপা-র বিজেতা হিসেবে আয়ূষ পেয়েছেন ছয় লাখ টাকা, একটি গাড়ি, সোনার গয়না, এছাড়া সারেগামাপা-র ট্রফি তো আছেই।

সারেগামাপা-র ফাইনালে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ।
সারেগামাপা-র ফাইনালে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ।

সারেগামাপা-র ফাইনাল চাঁদের আসর বসেছিল। টিভি ও রাজনীতি জগতের বহু চেনা-নামি মুখ এসেছিলেন এদিন। ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের মতো চেনা মুখ। জি বাংলার নায়ক-নায়িকারাও বসেছিলেন দর্শক আসনে। বিজেপি-র সদ্য নির্বাচিত বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ ও সজল ঘোষকেও দেখা যায় এদিনকে।

গানের প্রতি সজল ঘোষের অনুরাগ দেখে সেখানে উপস্থিত সংবাদিকরা স্বাভাবিকভাবেই জানতে চান, বরানগরের বিধায়ক কি গান করতে পছন্দ করেন? যাতে জবাব আসে, ‘না না আমি দেখতেই পছন্দ করি, আমাকে দেখতেই দাও।’ সঙ্গে আরও জানান, ‘আমার বউ আমার বাড়িতেও গান গাওয়া বন্ধ করে রেখেছে। বাথরুমেও গান গাইতে দেয় না। দেখতে ভালোবাসি, তাই এসেছি।’

বাবার হাত ধরে জাতীয় কংগ্রেসের মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন সজল ঘোষ। পরবর্তীতে যোগ দেন তৃণমূল কংগ্রেসে। আর বিজেপিতে যোগ দেন ২০২১ সালে। সেই বছরই কলকাতা পৌরসংস্থার নির্বাচনে তিনি ৫০ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। তবে ২০২৪ সালের বরানগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে হেরে যান সায়ন্তিকা ব্যানার্জির কাছে। তবে ঘুরে দাঁড়ান ২০২৬ সালে, বিপুল ভোটে পরাজিত করেন সায়ন্তিকাকে।

সারেগামাপা-র সফর শেষে আপাতত দাদাগিরি-র অপেক্ষা। আশা রাখা যাচ্ছে, অগস্ট থেকেই অনএয়ার হবে এই কুইজ রিয়েলিটি শো। এবারে দাদাগিরি-র আসল চমক হতে চলেছেন দেব। যাকে প্রথমবার দেখা যাবে সঞ্চালকের ভূমিকায়। প্রসঙ্গত, সারেগামাপা-র ফাইনালে এসে প্রচার সারলেন দিদি নম্বর ১-এর নতুন মুখ স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ও। রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় আচমকাই সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জি বাংলা। আর সেই জায়গায় নতুন দিদি হিসেবে এসেছেন স্বস্তিকা।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More