Bobby Deol: ‘মদের নেশায় ডুবে থাকতাম,নিজের উপর ঘৃণা হত’, ববির জীবনের অন্ধকার সময়ে হাত ছাড়েনি বউ তানিয়া

সুপারস্টার বাবা, সুপারস্টার দাদা- তাঁদের ছত্রছায়ায় কেরিয়ার শুরু করেছিলেন ববি। তবে আশানুরূপ সাফল্য আসেনি। এখন তিনি জেন জি-র প্রিয় লর্ড ববি। কেরিয়ারের অন্ধকার-কালো অধ্যায় ফিরে দেখলেন ধরম-পুত্র।

Published on: Jun 2, 2026, 19:37:33 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

‘অ্যানিম্যাল’ ছবির আকাশছোঁয়া সাফল্যের পর বলিউডের ‘লর্ড ববি’ অর্থাৎ ববি দেওলের কেরিয়ারের গ্রাফ এখন মধ্যগগনে। কিন্তু এই সাফল্যের পেছনের রাস্তাটা যে কতটা অন্ধকার আর কন্টকাকীর্ণ ছিল, তা আরও একবার প্রকাশ পেল বলিপাড়ায়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার দিনগুলোর কথা শেয়ার করলেন অভিনেতা। কেরিয়ারের খরা কাটানোর জন্য একসময় তিনি কীভাবে অ্যালকোহল বা মদের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকতেন এবং সেই কারণে ওঁর বৈবাহিক জীবনে ফাটল ধরার যে গুঞ্জন রটেছিল— তা নিয়ে এবার সোজাসাপ্টা ও বিস্ফোরক জবাব দিলেন ধর্মেন্দ্র-পুত্র।

‘মদের নেশায় ডুবে থাকতাম,নিজের উপর ঘৃণা হত’, ববির জীবনের অন্ধকার সময়ে পাশে ছিল বউ
‘মদের নেশায় ডুবে থাকতাম,নিজের উপর ঘৃণা হত’, ববির জীবনের অন্ধকার সময়ে পাশে ছিল বউ

নিজেকে হারিয়ে ফেলেছিলাম মদের নেশায়, নিজের ওপরই ঘৃণা হতো!

টিনসেল টাউনের চেনা ছক-ভাঙা ছবির মতো সোজা কথায় ববি দেওল জানান, কেরিয়ারে যখন একের পর এক ছবি ফ্লপ হচ্ছিল এবং কাজ আসছিল না, তখন তিনি চরম ডিপ্রেশন বা মানসিক অবসাদের শিকার হয়েছিলেন। আর সেই হতাশা থেকে মুক্তি পেতে তিনি বেছে নিয়েছিলেন মদের গ্লাস। ববির কথায়, একটা সময় এমন এসেছিল যখন আমি প্রায় ২৪ ঘণ্টাই মদের নেশায় চুর হয়ে থাকতাম। নিজের চারপাশের দুনিয়া, পরিবার সব কিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলাম।

তিনি আরও জানান, আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে যখন নিজেকে দেখতেন, তখন নিজের ওপরই ওঁর চরম ঘৃণা হতো। কিন্তু আজ পিছন ফিরে তাকালে ওঁর মনে হয়, স্রেফ কেরিয়ারের ব্যর্থতার জন্য নিজের শরীর এবং মানসিক স্বাস্থ্যকে এভাবে নষ্ট করাটা মস্ত বড় ভুল ছিল। ওঁর স্ত্রী তানিয়া এবং সন্তানরাই ওঁর এই কঠিন সময়ে ওঁর হাত ছাড়েনি এবং ওঁর এই অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসার মূল শক্তি ছিলেন ওরাই।

‘সংসার ভাঙার খবর স্রেফ রটনা!’ বৈবাহিক অশান্তির গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন ববি

ববি দেওলের এই মদের নেশায় বুঁদ হয়ে থাকার জেরে বলিপাড়ায় জোর গুঞ্জন রটেছিল যে, ওঁর এবং ওঁর স্ত্রী তানিয়া দেওলের বৈবাহিক সম্পর্কে এক বড়সড় ফাটল ধরেছে এবং ওনাদের সংসার নাকি ভাঙনের মুখে! এই প্রথমবার এই ধরনের সমস্ত মুখরোচক চর্চাকে এক ফুঁৎকারে উড়িয়ে দিলেন অভিনেতা।

ববির স্পষ্ট বক্তব্য, বৈবাহিক অশান্তি বা ডিভোর্সের যে সমস্ত খবর রটেছিল, তার সবটাই ছিল ভিত্তিহীন ও সস্তা রটনা। ওঁর কথায়, কঠিন সময়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সামান্য দূরত্ব তৈরি হওয়া স্বাভাবিক, কিন্তু তানিয়া সবসময় ওঁর পাশে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তানিয়ার কড়া পদক্ষেপের কারণেই তিনি মদের এই মরণনেশা থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পেরেছেন। নিন্দুকদের মুখে ছাই দিয়ে ববি জানান, ওনাদের দাম্পত্য জীবন এখন আগের চেয়েও অনেক বেশি মজবুত। রুপোলি পর্দার এই খলনায়কের বাস্তব জীবনের এই লড়াকু রূপ দেখে এখন নেটপাড়ার প্রশংসায় পঞ্চমুখ অনুরাগীরা।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More