Celina Jaitly: চিরকালই অন্যরকম চরিত্রে অভিনয় করতে ভালোবাসেন অভিনেত্রী সেলিনা জেটলি। তবে সচরাচর দর্শকরা তাঁকে যে সমস্ত চরিত্রে দেখে অভ্যস্থ, এবার তার থেকে একেবারে অন্যরকম চরিত্রে সকলের সামনে ধরা দিতে চলেছেন সেলিনা।

রাম কমল মুখোপাধ্যায় পরিচালিত একটি বায়োপিকে এবার সিস্টার নিবেদিতার চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে সেলিনাকে। ছবির নাম সিস্টার নিবেদিতা। ছবির প্রথম লুক নিজেই প্রকাশ্যে আনেন অভিনেত্রী। নিঃসন্দেহে এটি সেলিনার বিগত সমস্ত চরিত্রের থেকে একেবারে অন্যরকম একটি চরিত্র হতে চলেছে।
আরও পড়ুন: মমতার কালীঘাটের বাড়িতে এলেন জয়া বচ্চন, কী কথা হল দুজনের?
খুব সম্প্রতি হিন্দুস্তান টাইমস কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নতুন এই চরিত্র নিয়ে কথা বলতে গিয়ে সেলিনা বলেন, ‘রামের মতো একজন দূরদর্শী চলচ্চিত্র নির্মাতার সঙ্গে কাজ করা সৌভাগ্যের বিষয়। এই চরিত্রটি যে কোনএ চরিত্রের থেকে একেবারেই আলাদা। ওঁর মতো বড় মাপের পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করলে শুধুমাত্র একটি চরিত্রে অভিনয় করা হয় তা নয়, সেই চরিত্রের সঙ্গে একাত্ম হয়ে ওঠার একটা সুযোগ পাওয়া যায়।’
সেলিনা আরও জানান, পর্দায় স্বামী বিবেকানন্দের আধ্যাত্মিক শিষ্যার চরিত্রে অভিনয় করার অনেক আগে থেকে তিনি এই মানুষটির সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। অভিনেত্রীর বাবা যেহেতু পশ্চিমবঙ্গের বিনাগুড়িতে কর্মরত ছিলেন, তাই তিনি মাঝেমধ্যেই অভিভাবকদের সঙ্গে সামরিক কনভয়ের সঙ্গে দার্জিলিং যেতেন, যাত্রাপথে একটি জায়গায় তারা মাঝে মধ্যেই থামতেন যার নাম রায়ভিলা।
{{/usCountry}}সেলিনা আরও জানান, পর্দায় স্বামী বিবেকানন্দের আধ্যাত্মিক শিষ্যার চরিত্রে অভিনয় করার অনেক আগে থেকে তিনি এই মানুষটির সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। অভিনেত্রীর বাবা যেহেতু পশ্চিমবঙ্গের বিনাগুড়িতে কর্মরত ছিলেন, তাই তিনি মাঝেমধ্যেই অভিভাবকদের সঙ্গে সামরিক কনভয়ের সঙ্গে দার্জিলিং যেতেন, যাত্রাপথে একটি জায়গায় তারা মাঝে মধ্যেই থামতেন যার নাম রায়ভিলা।
{{/usCountry}}এই রায়ভিলায় সিস্টার নিবেদিতা তাঁর জীবনের শেষ দিন কাটিয়েছিলেন। বাবা মায়ের সঙ্গে যখন অভিনেত্রী সেই জায়গায় যেতেন, তখন শুধুমাত্র মনোরম পরিবেশ উপভোগ করতেন তা নয়। তিনি বুঝতে পারতেন সেই জায়গায় এমন কিছু ছিল যেটা তাঁকে নাড়া দিত। যোগ করেন অভিনেত্রী।
আরও পড়ুন: অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ টিআরপি, কতটা প্রভাবিত হবে টেলি ইন্ডাস্ট্রি?
সেলিনা বলেন, ‘আমার মা আমায় প্রথম সিস্টেম নিবেদিতার জীবন সম্পর্কে পরিচয় করান। আমার ধারনাই ছিল না যে একদিন আমি সেই চরিত্রের জন্যই নির্বাচিত হব। এখন আমার মনে হয় হয়তো কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে পড়ুয়া সেই ছোট্ট মেয়েটিকে খ্রিস্টান নিবেদিতা স্বয়ং ডেকেছিলেন। জীবনে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যার নেপথ্যে কি কারণ থাকে সেটা আপনি অনেক পরে বুঝতে পারেন।’
প্রসঙ্গত, ইউরোপে ১৫ বছর কাটানোর পরেও সেলিনা নিজের দেশ এবং নিজের ধর্মের সঙ্গে ভীষণভাবে যুক্ত থাকতে ভালোবাসেন। যেহেতু তিনিও একটা সময় দেশের বাইরে ছিলেন এবং সিস্টার নিবেদিতাও দেশের বাইরে থেকেও ভারতকে যেভাবে ভালবেসেছেন, তাতে ভগিনী নিবেদিতার সঙ্গে কোথাও না কোথাও নিজেকে একাত্ম করে দেখতেই ভালোবাসছেন অভিনেত্রী।