Dev: খুব সম্প্রতি ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যান কালচার তুলে দেওয়া প্রসঙ্গে সরব হয়েছিলেন দেব, যার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইন্ডাস্ট্রিতে অনির্বাণসহ বাকি নিষিদ্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পী এবং পরিচালকদের ফিরে আসার ঘোষণা করেন তিনি নিজেই। তবে এই সবকিছুর মধ্যেই আবার টলিউডের অভ্যন্তরীণ সমস্যা প্রকট হয়ে উঠল।
খুব সম্প্রতি ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যান কালচার তুলে দেওয়া প্রসঙ্গে সরব হয়েছিলেন দেব, যার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইন্ডাস্ট্রিতে অনির্বাণসহ বাকি নিষিদ্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পী এবং পরিচালকদের ফিরে আসার ঘোষণা করেন তিনি নিজেই। এরপরই দেব এবং শুভশ্রী যুগলে ঘোষণা করেন, ‘দেশু ৭’ ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করবেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য।
মেকআপ আর্টিস্টকে ‘দেশু ৭’-এ জায়গা দিল দেব
তবে এই সবকিছুর মধ্যেই আবার টলিউডের অভ্যন্তরীণ সমস্যা প্রকট হয়ে উঠল। গত ৭ এপ্রিল টলিউডের জনৈক মেকআপ আর্টিস্ট সিমরন পাল একটি ভিডিও পোস্ট করেন যেখানে তিনি জানান, বিগত দু'বছর ধরে তিনি বাড়িতে বেকার হয়ে বসে আছেন। এই ব্যাপারে গিল্ডের সম্পাদক বাপি মালাকারকে বারবার সমস্যা জানালেও সমাধান হয়নি। এমনকি ফেডারেশনের সভাপতি স্বরূপ বিশ্বাসকেও চিঠি লিখেছিলেন তিনি কিন্তু তাতেও কোনও লাভ হয়নি।
ভিডিয়োর মাধ্যমে সিমরন আরও জানান, ফেডারেশন সভাপতিকে লিখিত অভিযোগ জানানোর পর থেকেই তিনি একের পর এক খুনের হুমকি পাচ্ছেন। বাধ্য হয়ে ১০ এপ্রিল গলফ গ্রিন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। নিজের নিরাপত্তার জন্য এর থেকে বেশি আর কিছু করতে পারেননি রূপটান শিল্পী।
সিমরনের এই পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরে আসে শনিবার। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটি শেয়ার করেন স্বয়ং দেব। নিজের ফেসবুক ওয়ালে শেয়ার করে তিনি লেখেন, ‘আমি তোমার পাশে আছি। আমার দেশু ৭ এর প্রোডাকশন ম্যানেজার তোমার সঙ্গে যোগাযোগ করে নেবে।’
এই প্রসঙ্গে আনন্দবাজার ডট কমকে সিমরন জানান, গত দু'বছর ধরে আমি বেকার। আমি নাকি কাজের সময় ফোনে ব্যস্ত থাকি, তাই আমায় কাজ দেওয়া হয় না। এছাড়াও আমাকে আকার ইঙ্গিতে বহুবার বলা হয়েছে যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষদের কাছে ‘প্রিয়’ হতে পারলে তবেই কাজ পাব আমি। কিন্তু ‘প্রিয়’ হওয়ার জন্য কি করতে হবে সেটা আমার জানা নেই।
সিমরন জানান, গত দুই বছর কাজ না থাকার কারণে তিনি আর সংসার চালাতে পারছেন না। কোনওরকমে ধার দেনা করে চলছে সবকিছু। স্বামী প্রয়াত, তিনি বৈদ্যুতিক কাজকর্মের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করতেন। দুই কন্যা সন্তান, দুজনেরই বিয়ে হয়ে গিয়েছে। বাবা মারা গিয়েছেন গত ডিসেম্বর মাসে। ফলে বোঝাই যাচ্ছে সিমরন এখন চরম অর্থকষ্টে ভুগছেন।
তবে সিমরনকে কাজের আশ্বাস দিলেও দেবের বক্তব্য, এইভাবে জনে জনে কাজ দেওয়া সম্ভব নয়। ফেডারেশন থাকতে অন্য কেউ সেই দায়িত্ব নেবেই বা কেন। ব্যান সংস্কৃতি অথবা কাজ বন্ধ করে দেওয়া এই সমস্ত নিয়ম অবিলম্বে ইন্ডাস্ট্রি থেকে সরিয়ে দেওয়া উচিত বলেই মনে করেন অভিনেতা।