...
...
Next Story

'যদি কখনও কোনও রাজনীতিবিদকে ঘৃণা করে থাকি…', রাজ্যের গেরুয়া ঝড় উঠতেই নাম না করে মমতার বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন দেবলীনা!

অভিনেত্রী দেবলীনা ভট্টাচার্য প্রায় তাঁর নানা মন্তব্যের জন্য চর্চায় থাকেন। সম্প্রতি, তিনি ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন এবং কিছু রাজনীতিবিদদের বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, যা নেটদুনিয়ায় একটি নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

Published on: May 5, 2026, 23:04:37 IST
Advertisement

অভিনেত্রী দেবলীনা ভট্টাচার্য প্রায় তাঁর নানা মন্তব্যের জন্য চর্চায় থাকেন। সম্প্রতি, তিনি ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন এবং কিছু রাজনীতিবিদদের বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, যা নেটদুনিয়ায় একটি নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ না করেই দেবলীনা কটাক্ষ করেছেন।

রাজ্যের গেরুয়া ঝড় উঠতেই নাম না করে মমতার বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন দেবলীনা!
রাজ্যের গেরুয়া ঝড় উঠতেই নাম না করে মমতার বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন দেবলীনা!

আরও পড়ুন: 'ইমপা'-এর সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তর বিরুদ্ধে প্রযোজকরা থানায় এফআইআর করলেন!

দেবলীনা ভট্টাচার্য লিখেছেন, ‘আমি যদি কখনও কোনও রাজনীতিবিদকে ঘৃণা করে থাকি, তবে তিনি হলেন ইনি। এমনকি আরজি (রাহুল গান্ধীকে উদ্দেশ্য করে) এবং তাঁর দলের চেয়েও বেশি। সত্যি বলতে, আমার মনে হয় আরজি (রাহুল গান্ধী) একজন ভালো মানুষ এবং তাঁর রসবোধও দারুণ, যা সবসময় কেন্দ্রীয় সরকারের জন্য সুবিধাজনক।’

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ইঙ্গিত করে তিনি কী লেখেন?

দেবলীনা আরও লিখেছেন, 'এমবি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে) এবং তাঁর দলবল -বিদায়। পশ্চিমবঙ্গে আপনাদের আর কখনও দেখা যাবে না। পশ্চিমবঙ্গ এত বছর ধরে যে দুঃস্বপ্ন সহ্য করেছে, তা শেষ হয়েছে। পরিবর্তনের প্রয়োজন ছিল, তাই পরিবর্তন হয়েছে। এখন আর কেউ 'রুম্বা-টুম্বা-জুম্বা' করবে না। এখন শুধু ‘ধিঙ্কা-চিকা, ধিঙ্কা-চিকা।’

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল রাজ্য রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ২০৬টি আসন জিতেছে করেছে। অন্যদিকে, ১৫ বছর ধরে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) অধীনে মাত্র ৮১টি আসনে জয় লাভ করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে।

 
SHARE THIS ARTICLE ON
Hindustantimes wants to start sending you push notifications. Click allow to subscribe