‘চরিত্রটাকে ভ্যানিশ করে দেওয়া হলে…’, নাম না করেই কুসুম নির্মাতাদের তোপ ‘দীপালি’ জুঁই সরকারের!
দর্শকদের মনে প্রশ্ন, কেন কুসুমের অন্যতম সাপোর্ট সিস্টেম দীপালির আর দেখা মিলছে না গল্পে? সেই নিয়ে বিস্ফোরক দাবি সেই চরিত্রে অভিনয় করা শিল্পী জুঁই সরকারের।
ছোট পর্দার পরিচিত মুখ জুঁই সরকার (Juiee Sarkar)। স্টার জলসার 'শুভ বিবাহ' ধারাবাহিকে খলচরিত্রে অভিনয়ের পর জি বাংলার জনপ্রিয় মেগা ‘কুসুম’ (Kusum)-এ ইতিবাচক ও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে নাম লিখিয়েছিলেন তিনি। তবে পর্দায় আচমকাই নিখোঁজ তাঁর চরিত্রটি।

কুসুমের জীবনে একের পর এক ঝড়, গাঙ্গুলি ম্যানসন যখন উথাল-পাতাল তখন সেই বাড়িকে আগলে রাখার দায়িত্বে থাকা দীপালি গায়েব। সেই দীপালির চরিত্রেই অভিনয় করতেন জুঁই। কোনো প্রকার পূর্বতথ্য বা স্পষ্ট কারণ ছাড়াই ধারাবাহিক থেকে বাদ পড়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অভিনেত্রী।
কী নিয়ে অভিনেত্রীর ক্ষোভ?
ধারাবাহিক শুরু হওয়ার সময় অঞ্জনা বসু অভিনীত 'ইন্দ্রাণী' চরিত্রের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও পারিবারিক একজন বিশ্বস্ত কর্মচারীর ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল জুঁইকে। কিন্তু হঠাৎ করেই গল্পে তাঁর দেখা মেলা বন্ধ হয়ে যায়। অভিনেত্রীর দাবি, তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ থেকে বাদ পড়ার কোনো কারণ জানানো হয়নি। কোনো যোগাযোগ বা খবরের তোয়াক্কা না করেই সোজা ট্র্যাক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে তাঁর চরিত্রটিকে। ইন্ডাস্ট্রিতে দীর্ঘদিন কাজ করার পরও এই ধরনের অপেশাদার আচরণের মুখোমুখি হওয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
এর আগে 'শুভ বিবাহ' ধারাবাহিকেও ইতিবাচক ও নেতিবাচক নানা চরিত্রে নিজেকে ভেঙেছিলেন তিনি। তবে এভাবে হঠাৎ করে কোনো সুনির্দিষ্ট উত্তর ছাড়া চরিত্র বাতিল করে দেওয়া তাঁকে মানসিকভাবে আঘাত করেছে বলে মত জুঁইয়ের। তিনি ফেসবুকের দেওয়ালে সিরিয়ালের বা নির্মাতাদের নাম না নিয়েই লেখেন, ‘কোনও চরিত্র ছাড়ার আগে একটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এনওসি দিয়ে জানাতে হয়। কিন্তু একটা চরিত্র চলাকালীন হঠাৎ সেই চরিত্রকে আর শ্যুটে না ডাকলে বা সেই চরিত্রটাকে ভ্যানিশ করে দিলে আগাম জানানো বা এনওসি নেওয়াটা বাধ্যতামূলক নয় কেন?’
নেটিজেন ও অনুরাগী মহলজুঁইয়ের এমন প্রতিবাদের পর তাঁর অনুরাগীরাও চ্যানেল ও প্রযোজনা সংস্থার দায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। ছোট পর্দার ক্ষেত্রে তারকাদের এভাবে হঠাৎ না জানিয়ে উধাও করে দেওয়া বা বদলে ফেলা নতুন কিছু নয়, তবে একজন অভিজ্ঞ শিল্পীর সাথে এমন আচরণে আবার চর্চায় এল টেলিপাড়ার পেশাদারিত্বের অভাব। তবে ইন্ডাস্ট্রির সহকর্মীরা জুঁইকে মনে করিয়েছেন, এটা টলিপাড়ায় অতি সাধারণ ঘটনা। বর্ষীয়ান অভিনেত্রী-পরিচালক মানসী সিনহা লেখেন- 'কিইই যে বলছিস! এ'সব আবার হয় নাকি?? দূর'। অভিনেতা জ্যাক ভট্টাচার্য লেখেন, ‘কোথাকার কথা বলছেন আপনি!’ বুঝিয়ে দিলেন এটাই এখানকার স্বাভাবিক ঘটনা।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


