অবশেষে ঘোষণা হল মুক্তির তারিখ। বড় পর্দায় আসতে চলেছে ‘ঘুণ গাঁও চ্যাপ্টার ১’। একটা আপাতদৃষ্টিতে শান্ত গ্রামের আড়ালে লুকিয়ে থাকা রহস্যের উদঘাটন করবে ঋষি আর সৌন্যা। একটি দুর্দান্ত রহস্যময় গল্প নিয়ে আসতে চলেছে এই ছবিটি।

ছবির পরিচালক সৌম্য রায় চৌধুরী। এই ছবিতে প্রথমবার জুটিতে ধরা দিতে চলেছেন রণজয় আর অনিন্দিতা। ছবিতে আরো অভিনয় করবেন শঙ্কর দেবনাথ, রোহিনী চট্টোপাধ্যায়, সৌম্য মজুমদার, শুভ বিশ্বাস সহ আরও অনেকে। আগামী ১১ সেপ্টেম্বর বড় পর্দায় মুক্তি পাবে এই ছবিটি।
ছবির গল্প প্রসঙ্গে
একটি নিস্তব্ধ গ্রাম যার আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে এমন একটি জগত যার চোখে দেখা যায় না। প্রতিটি সত্যের আড়ালে যেন অপেক্ষা করছে নতুন একটা প্রশ্ন। সেই সত্যের খোঁজে মায়ার সমস্ত সীমারেখা অতিক্রম করে ফেলবে ছবির চরিত্ররা। ছবির গল্প নিয়ে আশাবাদী পরিচালক।
পরিচালকের কথায়, বাংলা ছবি দর্শকরা এই প্রথমবার এমন একটি ডার্ক থ্রিলারের অভিজ্ঞতা পেতে চলেছেন। এই সিনেমায় এমন একটি জগত তৈরি করা হয়েছে, যেখানে রহস্য, ভয় আর মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি প্রতিনিয়ত একে অপরের সঙ্গে সংঘাত করবে। এই ছবিতে দর্শকরা এমন একটি অন্ধকার দিক অনুভব করবে, যা দেখার পর বারবার নিজেকে প্রশ্ন করতে থাকবে। সত্যের খোঁজে নিজেরাই পাড়ি দেবে দর্শকরা।
ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন ছবির পরিচালক। সিনে ক্রেজি এন্টারটেইনমেন্টস প্রযোজিত ছবিটির প্রযোজক হীরা লাল রাওয়ানি, আমন চৌরাশিয়া এবং পার্থ সরকার। ছবির অন্ধকার ও রহস্যময় আবহকে আরও গভীরতা দিয়েছে তার সঙ্গীত। টুনাই দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গীত পরিচালনা এবং প্রমিত ঘোষের কথায় ছবির গানগুলিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সুনিধি চৌহান, তিমির বিশ্বাস, সায়ন্তনী ঘোষ এবং সৃষ্টি রাওয়ানি। ছবির আবেগ ও মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনকে আরও তীব্র করে তুলতে সঙ্গীত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে।
{{/usCountry}}ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন ছবির পরিচালক। সিনে ক্রেজি এন্টারটেইনমেন্টস প্রযোজিত ছবিটির প্রযোজক হীরা লাল রাওয়ানি, আমন চৌরাশিয়া এবং পার্থ সরকার। ছবির অন্ধকার ও রহস্যময় আবহকে আরও গভীরতা দিয়েছে তার সঙ্গীত। টুনাই দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গীত পরিচালনা এবং প্রমিত ঘোষের কথায় ছবির গানগুলিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সুনিধি চৌহান, তিমির বিশ্বাস, সায়ন্তনী ঘোষ এবং সৃষ্টি রাওয়ানি। ছবির আবেগ ও মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনকে আরও তীব্র করে তুলতে সঙ্গীত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে।
{{/usCountry}}ক্যামেরার পিছনেও রয়েছে শক্তিশালী সৃজনশীল দল। তুহিনের সিনেমাটোগ্রাফি ছবির রহস্যঘেরা জগৎকে দৃশ্যত নির্মাণ করেছে, অন্যদিকে অনীশ বসুর সাউন্ড ডিজাইন এবং প্রদ্যুৎ চ্যাটার্জিয়ার ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর সেই অস্বস্তি, আতঙ্ক ও অজানা আশঙ্কাকে আরও তীব্র করে তুলেছে। সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে ঘুণ গাঁও – চ্যাপ্টার ১-এর নিজস্ব সিনেম্যাটিক আবহ।