খুব সম্প্রতি কোর্টের বাইরে সুনীতাকে দেখে অনেকেই মনে করেছিলেন হয়তো গোবিন্দার সঙ্গে ডিভোর্স নেওয়ার জন্যই তিনি কোর্টে এসেছেন। যদিও পরবর্তীকালে গোবিন্দার ম্যানেজার জানিয়েছিলেন, স্বামীর প্রতি করা সমস্ত অভিযোগ তুলে নিয়েছেন সুনীতা। খুব স্বাভাবিকভাবেই এটি ভীষণ খুশির খবর, তাই অনেকেই মনে করেছিলেন এবার হয়তো তারকা জুটির সমস্যার সমাধান হতে চলেছে।

কিন্তু কোর্ট থেকে বেরোতেই সুনীতা জানান, গোবিন্দা দ্বিতীয়বার বিয়ের পরিকল্পনা করছে তাই তিনি স্বামীকেই ডিভোর্স দেবেন না কিছুতেই। এই কথা শুনে আবার দুজনের সম্পর্ক নিয়ে জোর জল্পনা কল্পনা শুরু হয়ে যায়। কিন্তু সুনীতার এই দাবী সম্পূর্ণ নস্যাৎ করে দিলেন গোবিন্দার ম্যানেজার শশী সিনহা।
আরও পড়ুন: 'ইন্ডাস্ট্রির মানে শুধুই উত্তম কুমার', প্রসেনজিৎকে কি খোঁচা দিলেন দেবশ্রী?
ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে গোবিন্দার ম্যানেজার বলেন, আমি আপনার কাছ থেকে এটা শুনেছি। এমন কিছুই হয়নি আর হবেও না। কোন দ্বিতীয় বিয়ে হচ্ছে না। সুনীতাজি গোবিন্দার স্ত্রী, হয়তো ওঁর মনে কিছু চলছে তাই উনি এমন দাবি করেছেন। যদি সত্যি গোবিন্দা দ্বিতীয় বিয়ের পরিকল্পনা করতেন তাহলে সুনীতা নন, বরং গোবিন্দা বিবাহ বিচ্ছেদের আর্জি জানাতেন।।
গোবিন্দার ম্যানেজার আরও বলেন, ওঁরা দুজনেই পরিণত মানুষ। যদিও গোবিন্দা স্ত্রীর বিরুদ্ধে কখনো সর্বসমক্ষে একটা কথাও বলেননি। আমি নিশ্চিত ওঁরা ওদের সংসার এবং সন্তানদের জন্য সেরাটাই চান। আমি জানি না কি হয়েছে যার জন্য সুনীতাজি তাঁর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন তবে আমি মনে করি সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। এই সমস্ত নেতিবাচকতায় শিশুরা প্রচন্ডভাবে প্রভাবিত হয় তাই আমি আশা করব আগামী দিনে ওঁরা নিজেরাই এই গোটা ব্যাপারটি মিটিয়ে নেবেন।
{{/usCountry}}গোবিন্দার ম্যানেজার আরও বলেন, ওঁরা দুজনেই পরিণত মানুষ। যদিও গোবিন্দা স্ত্রীর বিরুদ্ধে কখনো সর্বসমক্ষে একটা কথাও বলেননি। আমি নিশ্চিত ওঁরা ওদের সংসার এবং সন্তানদের জন্য সেরাটাই চান। আমি জানি না কি হয়েছে যার জন্য সুনীতাজি তাঁর সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন তবে আমি মনে করি সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। এই সমস্ত নেতিবাচকতায় শিশুরা প্রচন্ডভাবে প্রভাবিত হয় তাই আমি আশা করব আগামী দিনে ওঁরা নিজেরাই এই গোটা ব্যাপারটি মিটিয়ে নেবেন।
{{/usCountry}}রও পড়ুন: 'মেরুদন্ড হোক শক্ত, লড়াইটা কঠিন...', অনিন্দিতার কোন লড়াইয়ের কথা বললেন সুদীপ?
গোবিন্দা ও সুনীতার বিয়ে হয়েছিল ১৯৮৭ সালে। ২০২৪ সালে সুনীতা বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেন এবং জানা যায়, সেই আবেদনে হিন্দু বিবাহ আইনের ১৩ ধারা অনুযায়ী ব্যভিচার, নিষ্ঠুরতা এবং পরিত্যাগের অভিযোগ আনা হয়েছিল। গোবিন্দের সাম্প্রতিক মন্তব্যের পর, ১৯ আগস্ট সুনিতাকে তার ছেলে যশবর্ধনের সঙ্গে মুম্বাইয়ের বান্দ্রা পারিবারিক আদালত থেকে বের হতে দেখা যায়।