Happy Birthday Rishona: ‘তোমার মা হিসেবে…’! জন্মদিনে মেয়েকে ভরালেন ভালোবাসায়, ঋষণাকে কী বার্তা ঋতুপর্ণার
ফিল্মি কেরিয়ারে হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও, মাতৃত্ব থেকে স্ত্রীর ভূমিকা, সবটাই পালন করছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত একনিষ্ঠতার সঙ্গে। মেয়ে ঋষণার ১৫ বছরের জন্মদিনে কী লিখলেন অভিনেত্রী?
বাংলা সিনেমায় ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর অবদান অনস্বীকার্য। একটা সময়, তাঁর আর প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের সিনেমা বলতে গেলে টিকিয়ে রেখেছিল টলিউডকে। বাংলা সিনেমা থেকে মুখ ফেরানো বাঙালিকে হলমুখী করেছিলেন এই দুই তারকা। তবে এই দীর্ঘ ফিল্মি কেরিয়ারে হাজারো ব্যস্ততার মাঝেও, মাতৃত্ব থেকে স্ত্রীর ভূমিকা, সবটাই পালন করছেন একনিষ্ঠতার সঙ্গে। মঙ্গলবার মেয়ে ঋষণার জন্মদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় এল মিষ্টি এক শুভেচ্ছাবার্তা।

দুটি ছবি শেয়ার করেন ঋতুপর্ণা। একটি ঋষণার এখনকার, আরেকটি ছোটবেলার। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘প্রতি বছর এই দিনে, আমি নীরবে জীবনকে ধন্যবাদ জানাই, তোমার মা হিসেবে আমাকে বেছে নেওয়ার জন্য। বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তুমি সুন্দর একজন মানুষ হয়ে উঠেছ— শুধু বাহ্যিক দিক থেকে নয়, বরং হৃদয়, শক্তি এবং লাবণ্যেও। তোমার এই বেড়ে ওঠা দেখাটা আমার জীবনের অন্যতম আবেগঘন এবং তৃপ্তিদায়ক এক অভিজ্ঞতা। শুভ জন্মদিন, আমার চিরন্তন হৃদস্পন্দন। তোমার জন্য অফুরান ভালোবাসা।’
ঋতুপর্ণার মেয়েকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারকা থেকে অভিনেত্রীর অনুরাগীরা। সুদীপ্তা চট্টোপাধ্যায় লিখলেন, ‘শুভ জন্মদিন ঋষণা... অনেক অনেক ভালোবাসা আর আদর...’। প্রয়াত অভিনেতা তাপস পালের স্ত্রী নন্দিনী পাল লিখলেন, ‘শুভ জন্মদিন গাজু। সবসময় সুখ ও আশীর্বাদে ভরা থাক তোমার জীবন। তোমায় অনেক ভালোবাসি।’
১৯৯৯ সালে শৈশবের বন্ধু ও দীর্ঘদিনের প্রেমিক সঞ্জয় চক্রবর্তীকে বিয়ে করেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। সঞ্জয় চক্রবর্তী পেশায় একজন ব্যবসায়ী। তাঁদের দুই সন্তান-- ছেলে অঙ্কন এবং মেয়ে ঋষণা। বিয়ের পর থেকেই স্বামীর সঙ্গে সিঙ্গাপুরে সংসার বেঁধেছেন। যদিও কাজের জন্য কলকাতা আর সিঙ্গাপুরে লেগেই থাকত যাতায়াত। সেখানকার স্কুলেই লেখাপড়া করেছেন অভিনেত্রীর দুই সন্তানও।
২০১১ সালের ১২ মে জন্ম তাঁর। অর্থাৎ বয়স হল এখন ১৫ বছর। সুইট সিক্সটিনের থেকে সামান্যই দূরে! মাঝেসাঝেই মায়ের সঙ্গে কলকাতায় আসেন ঋষণা। বিভিন্ন ইভেন্টেও দেখা যায় মায়ের পাশে। যদিও ছেলে-মেয়ের সিনেমায় কাজ করা নিয়ে সেভাবে কখনো কথা বলেননি অভিনেত্রী। দুই সন্তানই এখন লেখাপড়া নিয়ে ব্যস্ত। ইতিমধ্যেই বোস্টন থেকে গ্রাজুয়েশন পাশ করেছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর ছেলে অঙ্কন।
অভিনয়ের কেরিয়ার আর সংসার একসঙ্গে চালিয়ে যাওয়া খুব একটা সহজ ছিল না ঋতুপর্ণার জন্য। তবে বউকে প্রতি পদে সাহায্য করেছেন সঞ্জয়। এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেছিলেন, ‘নায়িকার সঙ্গে ঘর করা খুব সহজ কথা নয়। সঞ্জয়ও একইভাবে প্রচণ্ড ব্যস্ত। তবু সে একা হাতে নিজের বাড়ি, আমার বাড়ি সামলে গেছে। তাই বলে কি মনোমালিন্য হয়নি? কথা কাটাকাটি হয়নি? রাগে-অভিমানে আমরা সাময়িক বিপরীত মেরুর বাসিন্দা হইনি?— সব হয়েছে। আবার সব মিটেও গেছে।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


