নারী সংরক্ষণ বিল পাস না হওয়ায় নিয়ে দুঃখপ্রকাশ হেমা-কঙ্গনার! ‘এটা চরম লজ্জাজনক…’, যা বললেন তাঁরা

নারী সংরক্ষণ বিল পাস না হওয়ায় অভিনেত্রী তথা সাংসদ হেমা মালিনী এবং কঙ্গনা রানাওয়াত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দু'জনেই গভীর ভাবে হতাশ এবং এই দিনটিকে নারীদের জন্য সবচেয়ে খারাপ দিন বলে অভিহিত করেছেন।

Published on: Apr 19, 2026, 09:01:15 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

নারী সংরক্ষণ বিল পাস না হওয়ায় অভিনেত্রী তথা সাংসদ হেমা মালিনী এবং কঙ্গনা রানাওয়াত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দু'জনেই গভীর ভাবে হতাশ এবং এই দিনটিকে নারীদের জন্য সবচেয়ে খারাপ দিন বলে অভিহিত করেছেন। হেমা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘গতকালকের সংসদীয় অধিবেশনে নারী সংরক্ষণ বিলটি সংসদে আটকে দেওয়া হয়েছিল।’

‘এটা চরম লজ্জাজনক…’, নারী সংরক্ষণ বিল পাস না হওয়ায় নিয়ে দুঃখপ্রকাশ হেমা-কঙ্গনার!
‘এটা চরম লজ্জাজনক…’, নারী সংরক্ষণ বিল পাস না হওয়ায় নিয়ে দুঃখপ্রকাশ হেমা-কঙ্গনার!

হেমা আরও লিখেছেন, ‘যেসব নারী জাতীয় বিষয়ে বৃহত্তর অংশগ্রহণের আশা করছিলেন, তাঁদের জন্য এটি একটি দুঃখের দিন। ব্যক্তিগত ভাবে আমি বেশ হতাশ, কারণ ভোটের ঠিক আগে আমি সংসদে বিলটির গুরুত্ব নিয়ে কথা বলেছিলাম’

আরও পড়ুন: ‘সেই মুহূর্তগুলোর কথা ভাবলেই…’, মায়ের স্মৃতিচারণ করে আবেগে ভাসলেন অমিতাভ!

এই প্রসঙ্গে কঙ্গনা রানাওয়াত বলেন, ‘আজ যা ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও বেদনাদায়ক। এটা চরম লজ্জাজনক।’ কঙ্গনা আরও অভিযোগ করেন যে কংগ্রেস দল সমস্ত সীমা অতিক্রম করেছে এবং ভারতের মেয়েদের মনোবল ভেঙে দিয়েছে।

নারী সংরক্ষণ বিল কী?

নারী সংরক্ষণ বিলের লক্ষ্য হল লোকসভা ও রাজ্য বিধানসভাগুলিতে মহিলাদের জন্য ৩৩% আসন সংরক্ষণ করা। মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষিত হয়ে গেলে, মহিলা এমপি বা এমএলএ-রাই বিধানসভায় নির্বাচিত হবেন।

এই বিলটি লোকসভায় কেন পাস হতে পারল না?

এই বিলটি লোকসভায় পাস হতে ব্যর্থ হয়, কারণ বিরোধীরা দাবি করেছিল যে, সীমানা পুনর্নির্ধারণের মাধ্যমে সরকার দক্ষিণ ভারত ও উত্তর-পশ্চিমসহ কিছু নির্দিষ্ট অঞ্চলের প্রতি অবিচার করছে। বিরোধীরা স্পষ্ট করে জানিয়েছিল যে তারা নারী সংরক্ষণ বিলকে সমর্থন করলেও, এই সাংবিধানিক সংশোধনীর ফলে বেশ কয়েকটি রাজ্যের প্রতি অবিচার হবে -এই যুক্তিতে তারা এর বিরোধিতা করে। যেহেতু এই বিলটি একটি সাংবিধানিক সংশোধনী ছিল, তাই এটি পাসের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রয়োজন ছিল। বিধানসভায় সরকারের এই সংখ্যক ভোট ছিল না।

কাজের সূত্রে, হেমাকে সর্বশেষ ২০২০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত 'শিমলা মির্চি' ছবিতে দেখা গিয়েছিল। এরপর থেকে হেমা আর কোনও ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হননি।

আরও পড়ুন: প্রেমচর্চা তুঙ্গে, তার মাঝেই সাহেবের মায়ের সঙ্গে ছবি সুস্মিতার! ছিলেন সোনম-সুনীলও

অন্যদিকে কঙ্গনা রানাওয়াতকে শেষবার গত বছর মুক্তিপ্রাপ্ত 'ইমার্জেন্সি' ছবিতে দেখা গিয়েছিল। এই ছবিতে কঙ্গনা ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। তিনি শুধু এতে অভিনয়ই করেননি, ছবিটি পরিচালনাও করেছিলেন। এরপর তাকে আর. মাধবনের বিপরীতে 'সার্কেল' ছবিতে দেখা যাবে। এর মাধ্যমে তিনি হলিউডেও পা রাখতে চলেছেন।