শিলংয়ে গিয়ে ভূতুড়ে অভিজ্ঞতা ইমনের! কটেজে কাঠ দিয়ে ক্রস করা, তারপর…?

গান ইমন চক্রবর্তীর প্রাণ। রবীন্দ্রসঙ্গীত বা মাটির গান সব কিছুতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। গান তাঁকে সব সময় ঘিরে রাখে। তবে জানেন কি একবার ইমনের এক অলৌকিক অভিজ্ঞতা হয়েছিল। আসলে তাঁর নয় বলা ভালো তাঁর শিক্ষকের সেই অলৌকিক অভিজ্ঞতা হয়েছিল। আর এবার সেটাই অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন গায়িকা।

Published on: Dec 9, 2025, 15:49:21 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

গান ইমন চক্রবর্তীর প্রাণ। রবীন্দ্রসঙ্গীত বা মাটির গান সব কিছুতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। গান তাঁকে সব সময় ঘিরে রাখে। তবে জানেন কি একবার ইমনের এক অলৌকিক অভিজ্ঞতা হয়েছিল। আসলে তাঁর নয় বলা ভালো তাঁর শিক্ষকের সেই অলৌকিক অভিজ্ঞতা হয়েছিল। আর এবার সেটাই অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন গায়িকা।

শিলংয়ে গিয়ে ভূতুড়ে অভিজ্ঞতা ইমনের! কটেজে কাঠ দিয়ে ক্রস করা, তারপর…?
শিলংয়ে গিয়ে ভূতুড়ে অভিজ্ঞতা ইমনের! কটেজে কাঠ দিয়ে ক্রস করা, তারপর…?

আরও পড়ুন: ২০২৫-র শেষে এসেও ভাঙন! নীল-তৃণা, সৌরসেনী-নিখিল, অনুষা-আদিত্য, ঘর ভাঙল আর কাদের?

ইউন্ডোজ প্রডাকশন হাউজের পেজে ইমন এই অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেন। ইমন বলেন, ‘রবীন্দ্র ভারতী ইউনিভার্সিটিতে যখন পড়তাম, তখন ইউনিফেস্টে সিলেক্টেড হয়েছিলাম। সেটা হয়েছিল শিলংয়ে। আমাদের যেখানে রাখা হয়েছিল সেখান থেকে কম্পিটিশনের জায়গায় গাড়ি করে যেতে আসতে হত। দুপুর দুটোর সময়ই চারিদিকটা অন্ধকার হয়ে থাকত। কেমন একটা থমথমে ভাব। আমরা যখন গাড়ি করে যেতাম প্রতিদিন একটা কটেজ চোখে পড়ত। দেখতাম সেটায় কাঠ দিয়ে ক্রস করা।’

ইমন আরও বলেন, ‘যিনি আমাদের যাতায়াতের দায়িত্বে ছিলেন তিনি একজন প্রফেসর ছিলেন। ওই বাড়িটা দেখে প্রতিদিনই মনে হত ওই বাড়িটা ওভাবে কাটা কেন? তারপর যে প্রফেসর আমাদের নিয়ে যেতেন তাঁকে রোজ জিজ্ঞাসা করতাম। তিনি ‘ও কিছু না’ বলে ব্যাপারটা এড়িয়ে যেতেন। তারপর একদিন আমাদের জোড়াজুড়িতে তিনি বাধ্য হয়ে ওই কটেজটার সামনে গাড়ি দাঁড় করান। তখন চারিদিকে আধো অন্ধকার। তারপর তিনি জানান তিনি ওই কটেজের নীচের তলায় থাকতেন। আর উপর তলায় থাকতেন অন্য এক প্রফেসর তাঁর পরিবার নিয়ে।'

আরও পড়ুন: স্মৃতির সঙ্গে বিয়ে ভাঙার পর দিদি পলককে নিয়ে কলকাতায় পলাশ, কী কাজে তিলোত্তমায়?

ইমন সেই প্রফেসরের বলা গল্প অনুসারে বলেন, ‘উপরে যে প্রফেসর থাকতে তিনি কাজে বেরিয়ে যাওয়ার পর তাঁর স্ত্রী একই সময় রান্না ঘরে বাচ্চার জন্য দুধ গরম করতে যেতেন। আর তখন বাচ্চাটি খুব কাঁদত। তখন বাচ্চাটিকে চুপ করানোর জন্য তিনি রান্না ঘর থেকে বলতেন, ‘বাবু কাঁদে না জুজু আসবে’। এরপরও বেশ কয়েকদিন তেমনটাই হয়। একদিন ওই মহিলা ‘জুজু আসবে’ বলার পর, সেই কথাটা ইকো হতে থাকে। ফলে সেই মহিলা বেশ ভয় পেয়ে যান। এরপরের দিনও এমনটা হওয়ায় ওই প্রফেসর তাঁর পরিবার নিয়ে নীচের তলায় আসতে চান। আর নীচের তলায় যে প্রফেসর থাকেন তাঁকে উপরে থাকার জন্য অনুরোধ করেন। তারপরের দিন আবার মহিলা রান্নাঘরে দুধ গরম করতে যান আর সেই বাচ্চাটি আবার কেঁদে ওঠে। তখন ওই মহিলা ফের বলে বসেন, ‘জুজু আসবে’। তারপর নাকি তিনি শুনতে পান, ’জুজু এসে গিয়েছে।' তখন মহিলা সব কিছু ফেলে সন্তানের কাছে গিয়ে দেখেন বাচ্চাটি মারা গিয়েছে।'

গায়িকার কথায়, 'এই ঘটনার পর পুরো ইউনিভার্সিটি অবাক হয়, পাশাপাশি ভয়ো পেয়ে যায়। আর শেষ পর্যন্ত ওই কটেজটা পরিতক্ত্য করে দেয়। এটাই গল্প। আমি আমার অনেক বন্ধু বান্ধবকেই এই গল্পটা বলি। আর যাঁরা ভূতের গল্প শুনতে ভালোবাসেন তাঁদের জন্য, আমার সেই সব বন্ধুদের জন্য ভাবলাম ইউন্ডোজের মাধ্যমে এই গল্পটা বলি।

আসলে ২০২৬-এর জানুয়ারিতেই আসছে ইউন্ডোজ প্রডাকশন হাউজের নতুন 'ভানুপ্রিয়া ভূতের হোটেল'। আর সেই ছবির প্রোমোশনের সূত্রেই ইমন তাঁর অনুরাগীদের সঙ্গে এই গল্প ভাগ করে নিয়েছেন।