‘এতদিন যে খুব ভয়ে রাস্তায় বেরিয়েছি এমনও নয়…’! নারী নিরাপত্তা নিয়ে জিরো টলারেন্সের ঘোষণা অগ্নিমিত্রার, কী বলছেন ইমন
রাজ্যের নারী ও শিশুবিকাশ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল মেয়েদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় 'জিরো টলারেন্স' নীতি ঘোষণা করেছেন। যা নিয়ে এল ইমন চক্রবর্তীর প্রতিক্রিয়া।
মে মাসের শুরুতেই পশ্চিমবঙ্গে হয়েছে রাজনৈতিক পালাবদল। প্রথমবারের মতো রাজ্যের দায়িত্বে এসেছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব এখন শুভেন্দু অধিকারি-র হাতে। সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে নেওয়া হয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত। যার মধ্যে অন্যত হলেন রাজ্যের নারী ও শিশুবিকাশ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের মেয়েদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় 'জিরো টলারেন্স' নীতি ঘোষণা।

দিন হোক বা রাত, মহিলারা যাতে যে কোনো সময় নির্ভয়ে যাতায়াত করতে পারেন, তার নিশ্চিয়তা দিয়েছেন অগ্নিমিত্রা। সঙ্গে অভিযোগ পেলেই পুলিশকে অবিলম্বে এফআইআর নিতে হবে, এমনটাও জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা। আর সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে অগ্নিমিত্রার বক্তব্যের নিরিখে মতামত প্রকাশ করলেন গায়িকা ইমন চক্রবর্তী। যিনি তৃণমূল কংগ্রেসের বেশ ঘনিষ্ঠ বলে মনে করা হত।
অগ্নিমিত্রা পালের বক্তব্য নিয়ে ইমনের মতামত জানতে চাওয়া হলে গায়িকা বলেন, ‘এতদিন যে খুব ভয়ে ভয়ে রাস্তাঘাটে বেরিয়েছি এমন তো নয়। এতবছর হল, জন্ম থেকেই তো এখানে। তবুও এরকম কোনো মানুষ যিনি সরকারের একটা বড় দায়িত্বে রয়েছেন, তার কাছ থেকে এমন একটা কথা আসে, তা মনে একটা শান্তি দেয়। খুব তাৎপর্যপূর্ণ। এরকম বক্তব্য তাঁদের কাছ থেকে আসাটা খুব শান্তির।’
তবে ইমনের এই বক্তব্যের পরও ট্রোলের মুখে গায়িকা। সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন পেজে ইমনের এই ক্লিপিংসে নানা মানুষের নানা মত। একজন লিখেছেন, ‘এমন উন্নয়নের পাঁচালী গাইল, সরকার উল্টে গেল’! আরেকজন লেখেন, ‘দু নৌকোয় পা রেখে চলা প্রাণী’। তৃতীয় একটি কমেন্টে লেখা হয়, ‘দিদিকে এত ভালোবাসেv, তাও রবীন্দ্রজয়ন্তীতে গান গাইতে গেলেন না?’
প্রসঙ্গত, শপথ গ্রহণের অগ্নিমিত্রা জানিয়েছেন যে, খুব শীঘ্রই রাজ্যে চালু হতে চলেছে উইমেন হেল্পলাইন নম্বর ১৮১। এই হেল্পলাইনটি ‘জিও-ট্যাগিং’ প্রযুক্তিতে কাজ করবে। যার ফলে কোনো মহিলা বিপদে পড়ে ফোন করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিকটবর্তী থানায় সতর্কবার্তা পৌঁছে যাবে এবং পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারবে। অগ্নিমিত্রার কথায়, ‘রাত আটটার পর কেন বাইরে বেরোলেন এমন প্রশ্ন কেউ তুলবে না। তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


