কোনও মহিলা বাড়িতে না থাকায় ইমরানের মেয়ের বন্ধুরা তাঁর বাড়িতে আসে না! সিঙ্গল প্যারেন্টিং নিয়ে মুখ খুললেন নায়ক

অভিনেতা ইমরান খান সম্প্রতি তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী অবন্তিকা মালিকের সঙ্গে মেয়ে ইমারার যৌথ অভিভাবকত্ব পালনের বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে খোলামেলা ভাবে কথা বলেছেন । অভিনেতা জানিয়েছেন যে, ইমারার বন্ধুদের কিছু মা তাঁদের সন্তানদের খেলার জন্য পাঠাতে দ্বিধা বোধ করেন, কারণ তাঁর পরিবারে কোনও মহিলা নেই।

Published on: May 17, 2026, 17:43:38 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

অভিনেতা ইমরান খান সম্প্রতি তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী অবন্তিকা মালিকের সঙ্গে মেয়ে ইমারার যৌথ অভিভাবকত্ব পালনের বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে খোলামেলা ভাবে কথা বলেছেন । অভিনেতা জানিয়েছেন যে, ইমারার বন্ধুদের কিছু মা তাঁদের সন্তানদের খেলার জন্য পাঠাতে দ্বিধা বোধ করেন, কারণ তাঁর পরিবারে কোনও মহিলা নেই।

ইমরানের মেয়ের বন্ধুরা তাঁর বাড়িতে আসে না! সিঙ্গল প্যারেন্টিং প্রসঙ্গে নায়ক
ইমরানের মেয়ের বন্ধুরা তাঁর বাড়িতে আসে না! সিঙ্গল প্যারেন্টিং প্রসঙ্গে নায়ক

সম্প্রতি ইমরান পরিণীতি চোপড়ার শো ‘মম টকস’-এ উপস্থিত হয়েছিলেন, যেখানে তিনি সিঙ্গল পেরেন্ট হওয়ার লড়াই ও দায়িত্ব নিয়ে কথা বলেছেন। ইমরান বর্তমানে তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী অবন্তিকার সঙ্গে মেয়ের যৌথ অভিভাবকত্ব পালন করছেন এবং এর আগে জানিয়েছিলেন যে, তাঁর মেয়ে সপ্তাহে তিন থেকে চার দিন তাঁর সঙ্গে সময় কাটায়।

চ্যাট শো চলাকালীন ইমরান জানান যে, যখনই তাঁর মেয়ে তাঁর সঙ্গে থাকে, তখন তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে খেলার আয়োজন করা আর তাঁদের অভিভাবকদের রাজি করানোটা বেশ কঠিন হয়ে পড়ে।

ইমরান বলেন, ‘আমি প্ল্যান করার চেষ্টা করতাম। আর ইমারা আমাকে জিজ্ঞেস করত, ‘তুমি কি অমুক বন্ধুকে জিজ্ঞেস করতে পারবে যে ও খেলতে আসতে পারবে কিনা?’ তাই আমি নম্বরটা খুঁজে বের করে একজন মাকে মেসেজ করতাম: ‘সে কি খেলতে আসতে পারবে?’ আর তাঁরা বলতেন, ‘দুঃখিত, আজ পারবে না।’ পরের সপ্তাহে আবার: ‘হাই, আমরা কি আসতে পারি?’, তারা বলত, ‘না, আজ পারবে না’। তাই আমি খেয়াল করতে শুরু করলাম যে কিছু মা হয়তো তাঁদের সন্তানকে, বিশেষ করে মেয়েকে, এমন একটা বাড়িতে পাঠাতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন না যেখানে একজন পুরুষ একা থাকেন। আমি একজন পুরুষ এবং আমিই বাবা, কিন্তু যেহেতু আমার এখন ডিভোর্স হয়ে গিয়েছে, তাই বাড়িতে কোনও মহিলা নেই।’

অভিনেতা আরও বলেন, ‘আমরাও এমন এক জগতে বাস করি যেখানে যথেষ্ট সমস্যা নিয়ে পুরুষরা রয়েছেন। এই ধরনের চিন্তাভাবনা কোথা থেকে আসে তা সকলেই কিছুটা বুঝতে পারেন। এটা খুবই মন ভেঙে যযাওয়ার মতো ছিল, কারণ সপ্তাহের পর সপ্তাহ আমাকে আমার মেয়েকে বলতে হতো, ‘সরি, তোমার বন্ধু আসতে পারবে না’।’

ইমরান মনে করেন যে, ‘মায়েরা অন্য একা থাকা মায়ের পাশে থাকেন, কিন্তু ‘একজন একা থাকা বাবার পাশে থাকে না, যা পুরুষদের সম্পর্কের দুর্ভাগ্যজনক প্রকৃতিরই একটি অংশ’। পুরুষত্বের একটি সীমাবদ্ধ ধারণা সমস্ত পুরুষকে শেখানো হয়, আর তা হল ‘পুরুষরা শক্তিশালী, পুরুষরা ওরকম হয় না।’ তাই এর মধ্যে, আপনার নিজের কিছু দুর্বল দিক হয়তো উপেক্ষিত থেকে যায়, যেখানে একজন নারীর দুই বা তিনজন বান্ধবী থাকে যারা পাশে থাকে।’

প্রসঙ্গত, ইমরান ও অবন্তিকা অল্প বয়সে প্রেমে পড়েন। ২০১০ সালের ১৬ জানুয়ারি কারজাতে তাঁদের বাগদান সম্পন্ন হয়। এর এক বছর পর পালি হিলে আমির খানের বাড়িতে একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ২০১৩ সালে তাঁদের মেয়ে ইমারার জন্ম হয়। ২০১৯ সালে দম্পতি আলাদা থাকা শুরু করেন। সেই বছরই তাদের বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়।