আগেরবার ট্রফি জেতেন মানসী, এবার বাংলা থেকে নেই কেউ! তবে ইন্ডিয়ান আইডল ১৬-এর ছয় ফাইনালিস্টে রয়েছেন এই বাঙালি মেয়ে
কয়েক মাসের সুরের লড়াই, আবেগঘন মুহূর্ত এবং অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর শেষ হতে চলেছে 'ইন্ডিয়ান আইডল সিজন ১৬'। আগামী ২৬ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে এই মরশুমের গ্র্যান্ড ফিনালে। 'ইয়াদোঁ কি প্লেলিস্ট' থিমে সাজানো বিশেষ এই অনুষ্ঠানে শেষ ছয় প্রতিযোগীর মধ্যে একজন জিতে নেবেন মর্যাদাপূর্ণ ইন্ডিয়ান আইডলের ট্রফি।
দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে জমে ওঠা প্রতিযোগিতার পর 'ইন্ডিয়ান আইডল সিজন ১৬' এবার পৌঁছে গিয়েছে শেষ পর্বে। আগামী রবিবার, ২৬ জুলাই, অনুষ্ঠিত হবে এই মরশুমের গ্র্যান্ড ফিনালে। 'ইয়াদোঁ কি প্লেলিস্ট' থিমে সাজানো এই বিশেষ সন্ধ্যায় থাকবে গান, স্মৃতি, আবেগ এবং উদযাপনের মেলবন্ধন। শেষ পর্যন্ত ছয়জন ফাইনালিস্টের মধ্যে একজনের হাতেই উঠবে ইন্ডিয়ান আইডল সিজন ১৬-এর ট্রফি।
ইন্ডিয়ান আইডল ১৬-এর ফাইনালিস্ট কারা
এবারের সিজনের শেষ ছয়ে জায়গা করে নিয়েছেন অংশিকা চোনকার, জ্যোতির্ময়ী নায়ক, মানরাজ বীর সিং, মিশমি বসু, সুহেল সুফি এবং তানিশ্ক শুক্লা। গোটা মরশুমে ধারাবাহিকভাবে ভালো পারফরম্যান্স করে বিচারক এবং দর্শকদের মন জয় করেই ৬ জন ফাইনালে পৌঁছেছেন।
ইন্ডিয়ান আইডল ১৬' শো-তে ওয়াইল্ড কার্ড প্রতিযোগী হিসেবে প্রবেশ করেছিলেন সিজন ১৫-এর জনপ্রিয় বাঙালি গায়িকা মিশমি বসু-র। বাঙালি এই কন্যে আসামের গুয়াহাটির বাসিন্দা। ওড়িশার একজন জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়িকা জ্যোতির্ময়ী নায়ক, ২০১৮ সালে ওড়িয়া সিনেমা 'ইশক পুনি থারে'-এর মাধ্যমে প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে তাঁর ওলিউডে অভিষেক ঘটে। কাজ করেছেন বলিউডের গায়ক শানের সঙ্গেও। আর তনিষ্ক শুক্লা মধ্যপ্রদেশের বাসিন্দা। অন্য দিকে, সুহেল সুফি দিল্লির ছেলে। আগেরবার একগুচ্ছ বাংলার ছেলে-মেয়ে ছিলেন ফাইনালে, ট্রফিও জেতেন মানসী ঘোষ।
তবে এবার আর বাংলা থেকে কেউ নেই জাতীয় স্তরের এই গানের রিয়েলিটি শো-এর ফাইনালের দৌড়ে। সেরা ১৬-তে জায়গা করে নিয়েছিলেন তিন প্রতিযোগী বনশ্রী মন্ডল, আরফিন রানা এবং অঙ্কিতা প্রধান। তবে তাদের কেউই ফাইনাল অবধি টিকে থাকতে পারেননি। এই মরশুমে বিচারকের আসনে ছিলেন বিশাল দাদলানি, শ্রেয়া ঘোষাল এবং বাদশা। সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন আদিত্য নারায়ণ।
গ্র্যান্ড ফিনালের বিশেষ অতিথি কারা?
গ্র্যান্ড ফিনালের মঞ্চে থাকবেন একাধিক বিশেষ অতিথিও। শ্রেয়া ঘোষাল ও বাদশার সঙ্গে এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন উষা উত্থুপ, উদিত নারায়ণ, পাপন, কুমার শানু, শেহনাজ গিল এবং উর্মিলা মাতোন্ডকর। তাঁদের উপস্থিতিতে ফিনালের আকর্ষণ আরও বাড়বে।
থাকছেন না বিশাল দাদলানি
তবে গ্র্যান্ড ফিনালে উপস্থিত থাকতে পারবেন না বিচারক বিশাল দাদলানি। আগে থেকেই অন্য একটি প্রতিশ্রুতি থাকায় তিনি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারছেন না।ফিনালের আগে বিশাল দাদলানি বলেন, ‘এই মরশুমে অসাধারণ প্রতিভা এবং অনেক স্মরণীয় পারফরম্যান্স দেখেছি। সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে প্রতিযোগীদের শেখার আগ্রহ, নিজেদের সীমা অতিক্রম করার চেষ্টা এবং প্রতিটি পারফরম্যান্সের সঙ্গে আরও উন্নতি করার মানসিকতা। গ্র্যান্ড ফিনালে পৌঁছানোই একটি বড় সাফল্য। শেষ ছয়ের প্রত্যেকেই কঠোর পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার মাধ্যমে এই জায়গা অর্জন করেছে। ফিনালে থাকতে না পারায় আমি সত্যিই দুঃখিত। তবে প্রত্যেকের জন্যই আমার শুভেচ্ছা রইল। আশা করি, ইন্ডিয়ান আইডলের পরও তারা সঙ্গীতের এই পথচলা চালিয়ে যাবে।’
'ইন্ডিয়ান আইডল সিজন ১৬'-এর গ্র্যান্ড ফিনাল সম্প্রচারিত হবে আগামী রবিবার, ২৬ জুলাই, Sony Entertainment Television-এ। পাশাপাশি অনুষ্ঠানটি SonyLIV-এও স্ট্রিম করা যাবে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


