Phool Pishi O Edward BO Day 3: IPL মেগা ফাইনালের ধাক্কা! মন্দা ‘ফুলপিসি’-র কালেকশনে, তিন দিনেও কোটির গণ্ডি পার হল না

Phool Pishi O Edward BO Day 3: তিন দিনেও এক কোটির ফিগার ছুঁতে পারেনি ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড। আইপিএল ফাইনাল কতটা প্রভাব ফেলল ছবির কালেকশনে?

Published on: Jun 1, 2026, 08:00:53 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Phool Pishi O Edward BO Day 3: উইন্ডোজ প্রোডাকশনস মানেই যেখানে বক্স অফিসে লক্ষ্মীলাভের চেনা গ্যারান্টি, সেখানে এবার শুরুতে খানিক ধাক্কা খেল শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায়ের প্রযোজনা সংস্থা। গত শুক্রবারই বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে ‘ফুলপিসি ও এডওয়ার্ড’। মুখ্য চরিত্রে শ্যামৌপ্তি মুদলি,অর্জুন চক্রবর্তী, সোহিনী সেনগুপ্ত ও রাইমা সেনের মতো চেনা মুখ এবং উইন্ডোজের চেনা পারিবারিক আবেগের মিশেল থাকা সত্ত্বেও, উইকএন্ডের বক্স অফিস রিপোর্ট কপালে চিন্তার ভাঁজ ধরাচ্ছে। যার সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে রবিবার রাতের আইপিএল ২০২৬-এর সেই মেগা ফাইনাল ম্যাচকে! আরসিবি বনাম গুজরাটের সেই হাই-ভোল্টেজ মহাযুদ্ধের গ্রাসে রবিবাসরীয় বক্স অফিসে তেমন লক্ষ্মীলাভ হল না ‘ফুলপিসি’-র।

IPL ফাইনালের ধাক্কা! মন্দা ‘ফুলপিসি’-র কালেকশনে,তিন দিনেও কোটির গণ্ডি পার হল না
IPL ফাইনালের ধাক্কা! মন্দা ‘ফুলপিসি’-র কালেকশনে,তিন দিনেও কোটির গণ্ডি পার হল না

তিনদিনেও এল না কোটি টাকা! শ্যামৌপ্তি-রাইমাদের ঝুলিতে মাত্র...

ট্রেড অ্যানালিস্ট ওয়েবসাইট স্যাকনিল্ক (Sacnilk)-এর দেওয়া প্রাথমিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মুক্তির প্রথম তিনদিনে ‘ফুলপিসি’-র মোট কালেকশন দাঁড়িয়েছে মাত্র ৭৯ লাখ টাকা!

বিশেষ করে রবিবারের বাজার যেখানে লক্ষ্মীলাভের দিন হয়, সেখানে আইপিএল ফাইনালের চোটে রবিবার এই ছবি মাত্র ৩০ লাখ টাকার ব্যবসায় সন্তুষ্ট থাকতে বাধ্য হয়েছে। থিয়েটার ফাঁকা রেখে দর্শকরা যে কাল টিভির পর্দায় বিরাট কোহলি আর অনুষ্কা শর্মার জয়ের মুহূর্ত দেখতেই বেশি ব্যস্ত ছিলেন, তা এই ঝিমিয়ে পড়া কালেকশন দেখেই স্পষ্ট।

মুখে কুলুপ প্রযোজকদের, ঘুরে দাঁড়ানোর আশায় টিম ‘ফুলপিসি’

‘ফুলপিসি’-র ব্যবসা নিয়ে প্রযোজকরা অবশ্য এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য শেয়ার করেননি। শুধু জানানো হয়েছে, ছবির ৭০ টি শো নাকি রবিবার প্রায় হাউসফুল ছিল।

শহরের মাল্টিপ্লেক্স থেকে সিঙ্গল স্ক্রিন— সব জায়গাতেই এখন মেগা ফাইনালের হ্যাংওভার কেটে যাওয়ার অপেক্ষা। তবে উইন্ডোজের ছবির একটা নিজস্ব ‘মাউথ পাবলিসিটি’র জোর থাকে। এখন দেখার, আইপিএলের ভরা কোটাল কাটিয়ে সোম-মঙ্গলবারের দিকে শ্যামৌপ্তি আর রাইমার এই ছবি বক্স অফিসে আবার নতুন করে অক্সিজেন ফিরে পায় কি না!

কী এই ছবির গল্প?

জমিদার বাড়ির জমজমাট রহস্য , ছবির ব্যবসার এই জোয়ার আসার পেছনে রয়েছে এর টানটান চিত্রনাট্য। গল্প আবর্তিত হয়েছে এক রাজকীয় জমিদার পরিবারকে কেন্দ্র করে। ছবির গল্প অনুযায়ী, জমিদার মণীন্দ্র চন্দ্র নন্দী (অর্জুন চক্রবর্তী) বেঁচে থাকার জন্য একটি কিডনির খোঁজে চতুর্থবারের জন্য বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর বর্তমান স্ত্রী অদিতি (রাইমা সেন) নিজের কিডনি দিতে অস্বীকার করলে, অদিতির বোন বিনীতার (শ্যামৌপ্তি মুদলি) সঙ্গে জমিদারের বিয়ের তোড়জোড় শুরু হয়। কিন্তু বিয়ের দিনই আচমকা রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হয় জমিদারের! এরপরই গল্পে এন্ট্রি নেন এক পুলিশ অফিসার (রজতাভ দত্ত) এবং শুরু হয় খুনের রহস্য উদঘাটন।

এই জমিদার বাড়ির অন্দরেই জড়িয়ে রয়েছেন রাজলক্ষ্মী (কোনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়), পরিবারের বড় সদস্য হাসি দেবী (অনামিকা সাহা) এবং বাঈজি পুতুল বাই (অনন্যা চট্টোপাধ্যায়)। আর এই পুরো জট পাকা রহস্যের সমীকরণ ভেদ করতে পর্দায় অবতীর্ণ হন ফুল পিসি (সোহিনী সেনগুপ্ত)। মিস মার্পল ঘরানার এই পিসির তীক্ষ্ণ বুদ্ধি আর তাঁর কাণ্ডকারখানা দর্শকদের সবথেকে বেশি বিনোদন জোগাচ্ছে।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More