Shaheb-Sushmita: সাহেব-সুস্মিতার শরীরী উষ্ণতায় ক্লিনবোল্ড ফ্য়ানেরা! বিয়ের প্ল্যান কতদূর? জবাব কথা নায়িকার

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সুস্মিতা দে এবং তাঁর সঙ্গী সাহেব ভট্টাচার্যর অন-স্ক্রিন কেমিস্ট্রি নিয়ে নেটপাড়ায় প্রায়শই চর্চা থাকে। তবে এবার এই লাভবার্ডসের চরম ঘনিষ্ঠ ও বোল্ড ফটোশুটের একটি পোস্টার সামাজিক মাধ্যমে আসতেই তা রীতিমতো ভাইরাল। ব্যাপারটা কী? মুখ খুললেন সুস্মিতা। 

Published on: May 22, 2026, 17:53:48 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

টলিপাড়ার অন্যতম মিষ্টি জুটি হিসেবে অভিনেত্রী সুস্মিতা দে এবং সাহেব ভট্টাচার্য। কথা সিরিয়ালের সুবাদে তাঁদের বন্ধুত্ব। কিন্তু সেই বন্ধুত্বে যে প্রেমের রঙ লেগেছে, তা এতদিনে বুঝতে বাকি নেই কারুর। দুজনের সম্পর্কে সম্মতি রয়েছে দুই পরিবারেরও। সুস্মিতাকে তো প্রায়ই সময় কাটাতে দেখা যায় সাহেবের বোন কিংবা মায়ের সঙ্গে।

সাহেব-সুস্মিতার শরীরী উষ্ণতায় ক্লিনবোল্ড ফ্য়ানেরা! বিয়ের প্ল্যান কতদূর? জবাব কথা নায়িকার
সাহেব-সুস্মিতার শরীরী উষ্ণতায় ক্লিনবোল্ড ফ্য়ানেরা! বিয়ের প্ল্যান কতদূর? জবাব কথা নায়িকার

নিজেদের সম্পর্কের রসায়ন নিয়ে কোনোদিনই লুকোছাপা করেননি তাঁরা। তবে এবার সবলীলতার সমস্ত গণ্ডি পেরিয়ে এক্কেবারে বলিউডি কায়দায় ‘হট অ্যান্ড হ্যাপেনিং’ অবতারে ধরা দিলেন এই যুগল। বৃহস্পতিবার প্রায় মধ্যরাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় সুস্মিতার সঙ্গে একটি রোম্যান্টিক ছবি শেয়ার করেন সাহেব।

রামলীলা ছবির বিখ্যাত গান ‘অঙ্গ লাগা দে’ লেখা ছবির ক্যাপশনে। সুস্মিতা ও সাহেবের এক ঘনিষ্ঠ ফটোশুটের ঝলক সমাজমাধ্যমে আসতেই ফ্যানেরা একেবারে ক্লিনবোল্ড! লালে-সাদায় মাখামাখি এই জুটির শরীরী উষ্ণতা এখন টলিপাড়ার টক অব দ্য টাউন।

গানের ভাইবসের সাথে মিলে গেছে ছবি:

এই সেনসেশনাল ফটোশুট নিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলাকে সুস্মিতা মুচকি হেসে জানান, ‘এই ফটোশুটটা আমরা আসলে বেশ কিছুদিন আগেই করেছিলাম। এবার সেটার ঝলক সামনে আসছে। সত্যি বলতে, এই নির্দিষ্ট গানটা (‘অঙ্গ লাগা দে’) মাথায় ভেবে আমরা শ্যুটটা করিনি। তবে এডিটিংয়ের পর গানটার সঙ্গে ছবিগুলোর ভাইবসটা খুব সুন্দর যাচ্ছে। এই মিউজিকের সাথে ছবিগুলো দেখতে বেশ ভালোই লাগছে।’

পোস্টারে দেখা যাচ্ছে, লাল টকটকে শাড়িতে সুস্মিতা এবং সাদা পাঞ্জাবিতে সাহেব একে অপরের শরীরের একেবারে কাছাকাছি। সাহেবের চুলে সুস্মিতার হাত এবং দু’জনের ঠোঁটের দূরত্ব মাত্র কয়েক মিলিমিটার! এই রোম্যান্টিক পোস্টার দেখে অনুরাগীদের একাংশ তো ভেবেই বসেছেন, তবে কি ফের নতুন কোনও প্রোজেক্ট দু’জনে কাজ করছেন? সুস্মিতা জানান, এটা ফটোশ্য়ুটেরই ছবি। আর কোনও চমক নেই।

ছোটপর্দায় কবে ফিরছেন সুস্মিতা?

টেলিভিশনের পর্দায় কথা রূপে দর্শকদের মন জয় করেছিলেন সুস্মিতা। তারপর থেকে বেশ কিছুদিন মেগা সিরিয়াল থেকে দূরেই আছেন তিনি। ড্রয়িংরুমে ফেরা প্রসঙ্গে অনুরাগীদের আশ্বস্ত করে অভিনেত্রী বলেন, ‘ছোটপর্দায় এখনই নতুন কিছু করছি না ঠিকই, তবে আশা করছি খুব তাড়াতাড়িই টেলিভিশনে ফিরব। ভক্তদের বেশিদিন অপেক্ষা করতে হবে না।’

তবে সিরিয়াল না করলেও কাজের মধ্যেই ডুবে আছেন সুস্মিতা। তিনি আরও যোগ করেন, ‘টিভি না করলেও আমার থিয়েটারের কাজ পুরোদমে চলছে। আর এই তো সদ্য আমার নতুন ওয়েব সিরিজ ‘কুহেলি’ রিলিজ করল। সেখান থেকেও বেশ ভালো এবং ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাচ্ছি।’

পেশাদার জীবন হোক বা ব্যক্তিগত জীবনের রোম্যান্স— সুস্মিতা যে প্রতিটা ক্ষেত্রেই ছক্কা হাঁকাচ্ছেন, তা এই ছবিই স্পষ্ট করে দিল। সদ্য নিজেদের সম্পর্কে অফিসিয়্যাল সিলমোহর দিয়েছেন সৌরভ-শুভস্মিতা। তাঁদের শুভেচ্ছা জানাতেই বিয়ে নিয়ে প্রশ্নবাণে জর্জরিত সাহেব। কবে বিয়েটা করছেন সাহেব-সুস্মিতা? প্রশ্ন শুনে মুচকি হেসে নায়িকার জবাব, ‘সেটা এখন বলা যাবে না, ক্রমশ প্রকাশ্য।’ এখন দেখার, সাহেব-সুস্মিতার এই ‘ক্রমশ প্রকাশ্য’ সারপ্রাইজটি কবে সামনে আসে।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More