‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ ছবির সেটে হাতে গুরুতর চোট পেলেন জিৎ, বন্ধ শ্যুট
‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ ছবির কাজ চালাচ্ছিলেন সুপারস্টার জিৎ। এই সপ্তাহ জুড়ে শুটিং হওয়ার কথা ছিল। তবে গত পরশু তিনি পা চোট।
নিজের নতুন ছবির কাজ নিয়ে বর্তমানে ব্যস্ত রয়েছেন সুপারস্টার জিৎ। এরপর তাঁকে দেখা যাবে ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ ছবিতে। আর সেই সিনেমার সেটেই গুরুতর চোট পেলেন অভিনেতা। বন্ধ শ্যুটিং।

জানা গিয়েছে যে গত পরশু ঘটনাটি ঘটে এবং এই সপ্তাহ জুড়ে শুটিং হওয়ার কথা ছিল। তবে খবর, ডেট পিছিয়ে দেওয়া হতে পারে। তবে কীভাবে লাগল চোট, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কবে থেকে আবার শুটিং শুরু হবে, সে বিষয়ে কোনো জবাব দিতে পারেননি পরিচালক পথিকৃৎ বসু। তবে জানা গিয়েছে যে, জিতের হাতে লাগা চোট সেরকম গুরুতর নয়।
আরও পড়ুন: কুমার শানুর সঙ্গে সহবাস, বিগ বস ১৯-এর কুণিকা সদানন্দের বাড়ির অন্দরসজ্জা দেখে যে কারও চোখ উঠবে কপালে
‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ ছবিতে অনন্ত সিংহ-র চরিত্রে অভিনয় করছেন জিত্। অ্যাকশন দৃশ্যে ঠাসা এই সিনেমা। চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠনের অন্যতম নায়ক এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির রাজনীতিবিদ ছিলেন অনন্ত। ১৯০৩ সালের, ১ ডিসেম্বর তিনি চট্টগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বিদ্যালয়ে পড়ার সময় তিনি মাস্টারদা সূর্য সেনের সংস্পর্শে আসেন। অচিরেই তিনি সূর্য সেনের একজন ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বাসভাজন হয়ে ওঠেন। চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার আক্রমণ মামলায় অনন্ত সেনের যাবজ্জীবন দ্বীপান্তর হয়। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর তিনি চলচ্চিত্র ও মোটর গাড়ির ব্যবসা করেছিলেন। তার প্রযোজিত অন্যতম চলচ্চিত্র , ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় অভিনীত যমালয়ে জীবন্ত মানুষ। শোনা যায় তিনি নকশালপন্থী দল গঠন করেছিলেন। ১৯৬০ সালের কলকাতায় ধারাবাহিক ব্যাংক ডাকাতির অভিযোগে তাকে ঝাড়খণ্ডের জদুগড় থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ও তাঁকে ফের আট বছর কারাগারে থাকতে হয়। শোনা যায়, এই ডাকতির টাকা তিনি বাংলার অসহায় মানুষদের সাহায্যের কাজে লাগিয়েছিলেন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে ১৯৭৯ সালের ২৫শে জানুয়ারি অনন্ত সিং মৃত্যুবরণ করেন।
আরও পড়ুন: ‘মনে হচ্ছে এক দৌড়ে…’! জীতুর অ্যাওয়ার্ড গেল শিরিনের ঘরে, আহ্লাদে আটখানা ‘চিরদিনই’-র নতুন অপর্ণা
তবে ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’ ছবিটি কবে সিনেমাহলে আসবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ ২০২৬ সাল থেকে নির্দিষ্ট ক্যালেন্ডার অনুসরণ করে ছবি মুক্তি নির্ধারিত হয়েছে। এমনিতেও, বিধানসভা নির্বাচনের কারণে বছরের প্রথমভাগে ছবি মুক্তির ভিড় একটু কম থাকতে পারে। আপাতত জিৎকে সোনালি পর্দায় দেখার জন্য মুখিয়ে আছে সকলে।












