Jeet: গতকাল অর্থাৎ ৯ মে শপথ গ্রহণ করেন পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীসহ উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। উপস্থিত ছিলেন বিনোদন জগতের একাধিক ব্যক্তিত্ব, যাদের মধ্যে ছিলেন জিৎ অন্যতম। যদিও তিনি ব্যক্তিগতভাবে কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন কিন্তু বিজেপি সরকারের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিলেন তিনি।

নতুন মুখ্যমন্ত্রী শপথ গ্রহণ করার পরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন অভিনেতা, যেখানে তিনি নতুন সরকারের থেকে ঠিক কি কি আশা করেন সেটাই লেখেন। জিৎ নিজের পোস্টে লেখেন, ‘ভারতীয় জনতা পার্টির জন্য এই বিজয় একটি অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে এসেছে। এটা শুধুমাত্র রাজনৈতিক জয় নয়, মানুষের প্রতি একটি বড় অঙ্গীকার।’
আরও পড়ুন: 'যাকে বলা উচিত তাকেই বলতে পারিনি...', মাতৃদিবসে মাকে মনের কথা জানালেন অঙ্কুশ
পশ্চিমবঙ্গের মানুষ নিজের পরিশ্রম ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশকে অনেক কিছু দিয়েছেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে বাংলার গৌরব এবং ঐতিহ্য গোটা দেশের তথা গোটা বিশ্বের কাছে নিচু হয়েছিল যা সত্যি বেদনাদায়ক বলেই মনে করেছেন অভিনেতা। তাই নতুন সরকারের কাছে তিনি আশা রাখেন, আগামী দিনে যাতে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ একটা নতুন আলোর দিশা দেখতে পারে।
‘মোদি গ্যারান্টি’তে বিশ্বাস রেখে জিৎ চান যাতে আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ আবার সোনার বাংলা হয়ে ওঠে। পশ্চিমবঙ্গ যাতে নিজের হারিয়ে যাওয়া গৌরব আবার ফিরে পায়, একটা নতুন সকালের একটা নতুন দিশা যাতে খুঁজে পায় সেই আশা অথবা বলা ভালো নতুন সরকার তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে সেই দাবী জানান জিৎ।
{{/usCountry}}‘মোদি গ্যারান্টি’তে বিশ্বাস রেখে জিৎ চান যাতে আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ আবার সোনার বাংলা হয়ে ওঠে। পশ্চিমবঙ্গ যাতে নিজের হারিয়ে যাওয়া গৌরব আবার ফিরে পায়, একটা নতুন সকালের একটা নতুন দিশা যাতে খুঁজে পায় সেই আশা অথবা বলা ভালো নতুন সরকার তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে সেই দাবী জানান জিৎ।
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: মাকে ছাড়া প্রথম মাতৃদিবস! মাদার্স ডে- তে মন খারাপ সুদীপ্তার
প্রসঙ্গত, বিজেপি সরকারের অনুষ্ঠানে যোগদান দেওয়ার পর অনেকেই ভেবেছিলেন জিৎ হয়তো বিজেপি সমর্থক অথবা তিনি বিজেপিতে আগামী দিনের যোগদান করতে পারেন। কিন্তু এই জল্পনায় জল ঢেলে আনন্দবাজার ডট কমকে দেওয়া একটি নোটে তিনি জানান, ২০১১ সালে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন। তাই এটা স্পষ্ট তিনি কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন।