Jeetu Kamal: একদিন নন্দনে স্থান পায়নি অনীক দত্তর অপরাজিত ছবিটি, সেই কষ্ট বুকে নিয়ে বেঁচে ছিলেন পরিচালক। কিন্তু জীবদ্দশায় যে সম্মান তিনি পেলেন না, পরিচালকের মৃত্যুর পর সেই নন্দনেই দেখানো হল অপরাজিত।
Jeetu Kamal: একদিন নন্দনে স্থান পায়নি অনীক দত্তর ‘অপরাজিত’ ছবিটি, সেই কষ্ট বুকে নিয়ে বেঁচে ছিলেন পরিচালক। কিন্তু জীবদ্দশায় যে সম্মান তিনি পেলেন না, পরিচালকের মৃত্যুর পর সেই নন্দনেই দেখানো হল ‘অপরাজিত’। আজ অর্থাৎ ৫ জুন নন্দনে রিলিজ করল ‘অপরাজিত’। জয় হল এক যুদ্ধের। নন্দনে দাঁড়িয়ে হাপুস নয়নে কাঁদলেন জীতু।
অবশেষে স্বপ্ন পূরণ, নন্দনে অনীক দত্তর ‘অপরাজিত’
নন্দনে নিজের পরিচালিত ছবি মুক্তি পাবে, এমন স্বপ্ন প্রায় প্রত্যেক পরিচালকের থাকে। এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম ছিলেন না অনীক দত্ত। কিন্তু ২০২২ সালে নন্দনে জায়গা করে নিতে পারেনি ‘অপরাজিত’। কিন্তু পরিচালকের মৃত্যুর পর এবার সেই সম্মান দেওয়া হল তাঁকে।
অনীক দত্তকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্যই ৫ জুন নন্দনে মুক্তি পায় ‘অপরাজিত’। এছাড়াও নন্দনে দেখানো হবে অনীক দত্ত পরিচালিত ছবি ‘ভবিষ্যতের ভূত’। এদিন নন্দনে দাঁড়িয়ে অপরাজিত ছবিটি দেখতে দেখতে কান্নায় ভেঙে পড়েন জীতু। এমন জয় হয়তো কেউই চায়নি, মৃত্যুর পর যে সম্মান দেওয়া হল পরিচালককে, সেই সম্মান অনেক আগেই দেওয়া যেত তাঁকে।
ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের পোস্টার আসফালনের প্রতিবাদের জেরে অনীক দত্তর অপরাজিত ব্রাত্য থেকে গিয়েছিল নন্দনে। কিন্তু সরকারের পালা বদলের পর সেই ছবির অনেকটাই পরিবর্তন হয়। দ্য অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস, প্রত্যাবর্তন এই সিনেমাগুলি দেখানো হয় নন্দনে।
কিন্তু ভালো দিনের জন্য আর অপেক্ষা করা হল না অনীক দত্তর। তার আগেই চিরদিনের জন্য বিদায় নেন তিনি। তবে পরিচালকের মৃত্যুতে রুদ্রনীল ঘোষ, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, পাপিয়া অধিকারীরা জানিয়ে দেন ৫ থেকে ৭ জুন নন্দনে দেখানো হবে অপরাজিত।
প্রসঙ্গত, এই ছবিতে সত্যজিৎ রায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন জীতু কমল। ছবিটি নন্দনে স্থান না পাওয়ায় সেই সময় কষ্ট পেয়েছিলেন তিনিও। সেই কষ্টের বহিঃপ্রকাশ হল আজ, নন্দনে নিজের ছবি প্রদর্শিত হতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।