Kanchan Mullick: ২০২৬-এর বিধানসভা ভোটে জয়ী হতেই বিজেপিকে শুভেচ্ছাবার্তায় ভরিয়েছেন বিদায়ী তৃণমূল বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক। যদিও তিনি এই বছর ভোটে দাঁড়াননি। শুধু তাই নয়, একপ্রকার রাজনীতি থেকেই নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু আচমকা বিধানসভা ভোটের আগে কেন এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কাঞ্চন? নেপথ্যে ছিল কোন বিশেষ কারণ?

সম্প্রতি আনন্দবাজার ডট কমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তৃণমূলে যোগ দেওয়া থেকে শুরু করে তৃণমূল ছেড়ে দেওয়া, এই সবকিছুর পেছনে ঠিক কী কারণ ছিল ব্যাখ্যা করেন কাঞ্চন নিজেই। এমনকি তিনি এও জানান, আগামী দিনে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কোনও পরিকল্পনা নেই তাঁর। আপাতত নিজের অভিনয় এবং পরিবারকে নিয়েই সময় কাটাতে চান তৃণমূলের বিদায়ী বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিক।
আরও পড়ুন: ভোটে জিতেই আবার হাওয়া বদল রুদ্রনীলের! পাশে পেলেন পরমব্রতকে
এদিন কাঞ্চন বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহবানে রাজনীতিতে যোগ দিয়েছিলাম আমি। কিন্তু ভোটে জেতার পরেও আমাকে কোনও অফিস দেওয়া হয়নি। উত্তরপাড়ার মাখলায় একটি ক্লাবে আমি বসতাম। সেখান থেকেই কাজ করতাম। দীর্ঘ পাঁচ বছরে যা কাজ করেছি তার হিসাব আমি দিয়েছি দলকে। যদিও তারপর ভালো ব্যবহার থেকে অসহযোগিতা সব কিছুই দেখেছি আমি।’
কাঞ্চন আরও বলেন, ‘শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা মুখে আনিনি কোনওদিন। কিন্তু একটা সময় পর আমার মনে হয়েছে রাজনীতির মঞ্চ আমার জন্য নয়। বিধায়ক পদের যোগ্য নই আমি। তাই রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তই সঠিক বলে মনে হয়েছে আমার। তৃণমূলের মধ্যে যদি গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব না থাকতো তাহলে হয়ত এই পরাজয় হতো না।’
{{/usCountry}}কাঞ্চন আরও বলেন, ‘শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে এই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা মুখে আনিনি কোনওদিন। কিন্তু একটা সময় পর আমার মনে হয়েছে রাজনীতির মঞ্চ আমার জন্য নয়। বিধায়ক পদের যোগ্য নই আমি। তাই রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তই সঠিক বলে মনে হয়েছে আমার। তৃণমূলের মধ্যে যদি গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব না থাকতো তাহলে হয়ত এই পরাজয় হতো না।’
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: এক সময় সহ্য করেছিলেন অপমান, বাংলায় ‘বেঙ্গল ফাইলস’ রিলিজের আবেদন করলেন সৌরভ
তবে তৃণমূল হেরে যাওয়ায় যেমন তিনি দুঃখ পেয়েছেন ঠিক তেমনি বন্ধু রুদ্রনীল ঘোষ বিজয়ী হওয়ায় আনন্দও পেয়েছেন তিনি। এতদিন ধরে রুদ্রনীল যে রাজনীতির শিকার হয়েছিলেন, তাঁকে যে ব্যান করে দেওয়া হয়েছিল সেকথাও স্পষ্ট করেন কাঞ্চন। তবে রাজের সঙ্গে যা ঘটেছে সেটাও যে অন্যায়, বলতে পিছু পা হননি অভিনেতা।
তবে সবকিছুর পর নিজে ৩০ বছরের অভিনয় অভিজ্ঞতাকে সঙ্গে নিয়েই আপাতত ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে চান কাঞ্চন। বাকি সময়টা অবশ্যই ধার্য করা থাকবে স্ত্রী এবং সন্তানের জন্য। এই ভোট পর্বের মধ্যেই কাঞ্চনের জন্মদিন। কিছুদিন ধরে মেয়ে অসুস্থ ছিল তাই এই বছর বড় করে জন্মদিন পালন করবেন না কাঞ্চন, বাড়িতেই ছোট করে সেলিব্রেশন করা হবে বলে জানিয়েছেন অভিনেতা।