কলকাতার বিলাসবহুল এবং সুপরিচিত একটি আবাসন আরবানা। এই আরবানা কলকাতার একাধিক উচ্চবিত্তদের ঠিকানা। সম্প্রতি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথোপকথনে উঠে এসেছে আরবানা প্রসঙ্গ। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ্য করে কথা বলতে গিয়ে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আরবানাতে থাকতে গেলে যোগ্যতা লাগে। রচনার এই কথা ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে তৈরি হয় তো মূল বিতর্ক।

টলিউড ইন্ডাস্ট্রির একাধিক ব্যক্তিত্ব যেখানে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপরীতে কথা বলেছেন সেখানে একদম অন্যরকম সুর শুনতে পাওয়া গেল কাঞ্চনা মৈত্রর গলায়। তিনি রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপক্ষে না গিয়ে যে কথাটি বলেছেন, তা বর্তমান সময়ে খুবই যুক্তিযুক্ত একটি কথা।
আরও পড়ুন: শুরু জীতুর নতুন পথচলা, চিঠি দিয়ে শুভেচ্ছা জানালেন জিৎ
কাঞ্চনা বলেন, আমার মনে হয় রচনাদি এই কথাটা এভাবে বলতে চাননি। বিগত কিছু দিন ধরে তিনি এত কিছু নিয়ে বিরক্ত হয়ে আছেন যে কথা প্রসঙ্গে এই কথাটা বলে ফেলেছেন। আমাদের মনে হয় এই কথাটা নিয়ে আর কথা না বাড়ানোই ভালো। রচনাদি টলিউডের যথেষ্ট পুরনো একজন অভিনেত্রী। এবার আমাদের অন্য কিছু নিয়ে কথা বলা উচিত।
কাঞ্চনা বলেন, আমার মনে হয় ওঁকে ওঁর মতো ছেড়ে দেওয়া উচিত। এবার আমাদের উচিত পরবর্তী কিছু নিয়ে আলোচনা করা। আসলে বাঙালিরা এত কুটকাচালিতে নিজেদের আটকে রেখেছে যে বাঙালি যে সত্যি মননশীল সেটা মানুষ ভুলে যাচ্ছে। বাঙালির উচিত কবিতা, নাটক, গান নিয়ে কথা বলা।
আরও পড়ুন: 'পরিচালক মানেই শেষ কথা...', কাঞ্চনের জীবনে হরনাথ-স্বপনদের গুরুত্ব ছিল কতখানি?
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: 'পরিচালক মানেই শেষ কথা...', কাঞ্চনের জীবনে হরনাথ-স্বপনদের গুরুত্ব ছিল কতখানি?
{{/usCountry}}সবশেষে অভিনেত্রী বলেন, বাঙালির যোগ্যতা হল গান, কবিতা বলা। মিনিমাম পড়াশোনা মানেই গ্রাজুয়েশন। বাঙালি মানেই রবীন্দ্রনাথ। আসুন না এটাকেই আমরা যোগ্যতার মাপকাঠি করে তুলি।