শুধুমাত্র কাপুর পরিবারের মেয়ে হিসেবে নয়, পাতৌদি পরিবারের বউমা হিসেবেও পরিচিত করিনা কাপুর খান। দীর্ঘ চলচ্চিত্র কেরিয়ারে তাঁর সফলতা মনে রাখার মতো। কিন্তু এতকিছুর পরেও কী নিয়ে আফসোস হয় অভিনেত্রীর?

সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী অকপটে স্বীকার করেন, খুব কম বয়সে ইন্ডাস্ট্রিতে প্রবেশ করার জন্য ভালো করে পড়াশোনা করা হয়নি তাঁর। আর ঠিক এই কারণেই নিজের দুই সন্তানকে পড়াশুনোর জন্য বারবার উৎসাহিত করেন তিনি। পড়াশোনা মাঝপথে ছেড়ে দেওয়ার কারণে তিনি যে অনুতপ্ত, এ কথাও বারবার স্বীকার করেন অভিনেত্রী।
আরও পড়ুন: পন্ডিচেরিতে শুটিং শেষে নাচ সৃজিত-যিশুর, ‘কিশোরী’ গানে ইধিকাকে ১০ গোল শঙ্করের
অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি আমার পড়াশোনা শেষ করতে পারিনি। এই ব্যাপারটা আমার মনের বহুদিন থেকে গিয়েছে। সুযোগ থাকা সত্ত্বেও আমি সিনেমাকে প্রাধান্য দিয়েছিলাম এবং একাদশ শ্রেণির পর আর পড়াশোনা এগিয়ে নিয়ে যাইনি। আমি জানি এটা শুনে অনেকেই মজা করতে পারে কিন্তু আমি নিজেকে অভিনেত্রী হিসেবে প্রমাণ করতে চেয়েছিলাম।’
অভিনেত্রী বলেন, ‘পড়াশোনা শেষ করতে না পারার জন্য আমার ভীষণ আফসোস হয় আর তাই আমি চাই আমার ছেলেরা পড়াশোনা নিয়ে এগিয়ে যাক। যখন ইউনিসেফ ভারতের তরুণীদের শিক্ষায় সহযোগিতা করার জন্য আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে তখন আমি বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভেবেছিলাম কারণ আমি নিজে পড়াশোনা শেষ না করার আফসোস সারাজীবন বয়ে চলেছি।’
{{/usCountry}}অভিনেত্রী বলেন, ‘পড়াশোনা শেষ করতে না পারার জন্য আমার ভীষণ আফসোস হয় আর তাই আমি চাই আমার ছেলেরা পড়াশোনা নিয়ে এগিয়ে যাক। যখন ইউনিসেফ ভারতের তরুণীদের শিক্ষায় সহযোগিতা করার জন্য আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে তখন আমি বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভেবেছিলাম কারণ আমি নিজে পড়াশোনা শেষ না করার আফসোস সারাজীবন বয়ে চলেছি।’
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: নেপালকে ‘মাতৃভূমি’ বলে দাবি সুনীতার, সকলকে আহ্বান জানালেন পাশে থাকার জন্য
জেপি দত্তের 'রিফিউজি' ছবির মাধ্যমে করিনা বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন, যা ২০০০ সালের ৩০ জুন অভিষেক বচ্চনের বিপরীতে মুক্তি পায়। ছবিটির শুটিংয়ের সময় তাঁর বয়স ছিল ১৯ এবং মুক্তির কিছুদিন পরেই তিনি ২০ বছর পূর্ণ করেন। কাপুর ও বচ্চন পরিবারের ঐতিহ্যের কারণে এই ছবিটি করিনা ও অভিষেক উভয়েরই প্রথম সিনেমা ছিল।