kiran Rao on Sonam Wangchuk: ‘র্যাঞ্চো’ নন সোনম ওয়াংচুক, দাবি আমিরের! তারপরই বড় মন্তব্য প্রাক্তন বউ কিরণের
শিক্ষার্থীদের অধিকারের দাবিতে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের অনির্দিষ্টকালের অনশন ২০তম দিনে পৌঁছেছে। এবার তাঁর পাশে দাঁড়ালেন চলচ্চিত্র নির্মাতা কিরণ রাও। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে তিনি সরকারের কাছে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দ্রুত আলোচনায় বসার আবেদন করেছেন।
শিক্ষার্থীদের অধিকারের দাবিতে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকের অনির্দিষ্টকালের অনশন ২০তম দিনে পড়েছে। এই আবহে তাঁর সমর্থনে সরব হলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা কিরণ রাও। সোশ্যাল মিডিয়ায় সমর্থন জানিয়ে তিনি সরকারের কাছে দ্রুত আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসার আবেদন করেছেন।

ডিপি বদলে জানালেন সমর্থন
সোনম ওয়াংচুকের প্রতি সংহতি জানাতে কিরণ রাও তাঁর ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল ছবি বদলে দেন। নতুন ডিপিতে সোনম ওয়াংচুকের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে লেখা রয়েছে, ‘I Support Sonam’।
‘দেশ আপনার কাছে ঋণী’—আবেগঘন পোস্ট কিরণের
শুধু প্রোফাইল ছবি বদলেই থেমে থাকেননি কিরণ। একটি দীর্ঘ পোস্টে তিনি লেখেন, তিনি সোনম ওয়াংচুক, অভিজিৎ দিপকে, সিটিজেনস ফর জাস্টিস (CJP) এবং শিক্ষার্থীদের অধিকারের দাবিতে আন্দোলনরত সকল নাগরিকের পাশে রয়েছেন।
তিনি লেখেন, ‘সোনমজি, নেহা, মনীশ, আমিন এবং এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত প্রত্যেককে আমার স্যালুট। ন্যায়বিচারের দাবিতে আপনারা অনশন করছেন। আমাদের উদাসীনতা কাটিয়ে তুলে প্রতিটি কণ্ঠস্বর যে গুরুত্বপূর্ণ, তা আমাদের মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য দেশ আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ।’
সরকারের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন
নিজের পোস্টে কিরণ রাও সরকারের ভূমিকাও প্রশ্নের মুখে তোলেন। তাঁর বক্তব্য, **১৯ দিন পেরিয়েও এই অনশন নিয়ে সরকারের নীরবতা অত্যন্ত হতাশাজনক।**
তিনি লেখেন, ‘ক্ষমতায় থাকা মানুষদের নাগরিকদের কথা শোনাতে আর কত দূর যেতে হবে? এই পরিস্থিতি বিস্ময়কর এবং অমানবিক। আমি সরকারের কাছে আবেদন করছি, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসুন, শিক্ষার্থীদের দাবি ও কষ্ট বোঝার চেষ্টা করুন এবং এই অচলাবস্থা দূর করুন। নাগরিক হিসেবে এটাই আমাদের অধিকার।’
আমির খানের মন্তব্যও আলোচনায়
অন্যদিকে, সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে আমির খান স্পষ্ট করেন যে তাঁর জনপ্রিয় ছবি ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর ‘র্যাঞ্চো’ চরিত্রটি সোনম ওয়াংচুককে ভিত্তি করে তৈরি করা হয়নি।
আমির বলেন, ‘ছবির কাজ চলাকালীন তিনি সোনম ওয়াংচুক সম্পর্কে জানতেনই না।’ তবে একইসঙ্গে তিনি সোনমের কাজের প্রশংসা করে জানান, সমাজের জন্য তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


