ভালোবাসার মরশুমে নিজের মনের কথা জানানোর জন্য লাজুকে লুকিয়ে একটা উপহার দেয় অনুভব। কিন্তু প্রেম দিবসের সকালে যখন সেই হার বনলতার গলায় দেখতে পায় অনুভব তখন রীতিমতো চমকে যায় সে। খুব স্বাভাবিকভাবেই সে বুঝতে পারে বনলতা আগে থেকেই সব জানতে তাই সেই হার সে আগেভাগেই সরিয়ে রেখে দিয়েছিল।

কিন্তু এর পরের দৃশ্যেই দেখতে পাওয়া যায় লাজু বিছানা ঝাড়তে ঝাড়তে বালিশের তলায় দেখতে পায় একটি গিফট। লাল প্যাকেটে মোড়া এই উপহার দেখে সে মনে করে সুদেব হয়তো বাড়িতে এসেছিল তাকে উপহার দেওয়ার জন্য। ছুটে ঘর থেকে বেরিয়ে যখন সকলকে এসে উপহার দেখাতে শুরু করে তখন দিদা বলে, সুদেব তো বাড়িতে আসেনি।
আরও পড়ুন: শিবরাত্রির দিনেই শুরু ৫০ তম ছবি BAD-এর শ্যুটিং, ছবি শেয়ার করলেন দেব
লাজু বুঝতে পারে না উপহার কে দিয়েছে কিন্তু ততক্ষণে বনলতা যা বোঝার বুঝে যায়। সে আড় চোখে স্বামীর দিকে তাকায়। কিন্তু লাজুর জন্য আনা উপহার যদি বনলতা নিজে নিয়ে নেয় তাহলে লাজুর ঘরে উপহার রাখে কে?
অন্যদিকে সুদেবের জন্য লাজুর আনন্দ দেখে ভীষণ রেগে যায় অনুভব, সে লাজুকে টেনে এনে জিজ্ঞাসা করে সুদেবের জন্য কেন সে এত আনন্দ পাচ্ছে? তাহলে কি সে তার স্বামীকে ভালোবাসে? এই কথার উত্তর দিতে পারে না লাজু।
{{/usCountry}}অন্যদিকে সুদেবের জন্য লাজুর আনন্দ দেখে ভীষণ রেগে যায় অনুভব, সে লাজুকে টেনে এনে জিজ্ঞাসা করে সুদেবের জন্য কেন সে এত আনন্দ পাচ্ছে? তাহলে কি সে তার স্বামীকে ভালোবাসে? এই কথার উত্তর দিতে পারে না লাজু।
{{/usCountry}}গল্পে ইতিমধ্যেই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে,, চন্ডালিকা নৃত্যনাট্য পারফর্ম করার পর লাজুর সঙ্গে আলাদা করে দেখা করতে আসে অনুভব। লাজু যখন বলে বাড়ির আর কেউ কেন আসেনি তখন অনুভব বলে, অন্যরা আসলে সে দেখা করতে আসতে পারত না।
অনুভব নিজের কথা বারবার প্রকাশ করলেও লাজুক কিছুতেই বলতে পারে না যে সে চোখ বন্ধ করলেই তার স্বামীকে নয় বরং অনুভবকেই দেখতে পায়। কিন্তু যেহেতু সে নিজেও বিবাহিত এবং অনুভবও বিবাহিত তাই সে মনের কথা।