Laboni Sarkar: বিগত কিছু বছরে টলিউড ইন্ডাস্ট্রির বহু অভিনেতা-অভিনেত্রীকে দেখতে পাওয়া গিয়েছে রাজনীতিতে যোগ দিতে। তৃণমূল হোক অথবা বিজেপি, বহু শিল্পীরাই অভিনয়ের পাশাপাশি সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করেছেন। কিন্তু এবার এই অভিনেতা-অভিনেত্রীদেরই এক হাত নিলেন লাবনী সরকার।

শিল্পীরা, রাজনীতির মুখ হতেই কি ইন্ডাস্ট্রির প্রতি সাধারণ মানুষের বিশ্বাস অথবা ভরসা কমে গিয়েছে? শিল্পীদের কি আগের থেকে অনেক কম সম্মানের চোখে দেখে সাধারণ মানুষ? রাজনীতিতে এইভাবে দলে দলে অভিনেতা-অভিনেত্রীরা যোগদান দেওয়ার জন্য কী সমস্যা হচ্ছে বাকিদের?
আরও পড়ুন: ভুলে গেলেন পুরনো অভিমান! নতুন মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা হতেই ‘দাদা’ শুভেন্দুকে শুভেচ্ছাবার্তা সোহেলের
প্রবীণ অভিনেত্রী লাবনী সরকার কোনওদিন কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না বা আজও নেই। বিগত কয়েক বছরে যে অভিনেতা অভিনেত্রীরা রাজনীতিতে যোগ দিয়েছেন তাদের উদ্দেশ্যে লাবনী বলেন, ‘অভিনয় জগতের একটা বিরাট গ্রুপ যারা পলিটিকালি নিজেদেরকে এমন একটা জায়গায় নিয়ে গিয়েছে যেন মনে হচ্ছে তারাই সবকিছু। আমি কি জানি না কার কি করার যোগ্যতা আছে? আমি তো জানি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের কি করার যোগ্যতা আছে আর উনি কি করেছেন।’
Incoda TV কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লাবনী আরও বলেন, ‘আমি এইসব অভিনেতা-অভিনেত্রীদের আমাদের ইন্ডাস্ট্রির বলে বিশ্বাসই করি না। আমি ওঁদের দিকে তাকাতেও ঘৃণা বোধ করি। এমনকি আমি ওঁদের নাম উচ্চারণ করতেও ঘৃণা বোধ করি। আজকে শুধুমাত্র এই অভিনেতা অভিনেত্রীদের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ার জন্যই যে ইন্ডাস্ট্রিকে একসময় মানুষ এতটা সম্মান দিত, সেই ইন্ডাস্ট্রিকে এখন মানুষ পায়ের তলায় নিয়ে চলে এসেছে।’
{{/usCountry}}Incoda TV কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লাবনী আরও বলেন, ‘আমি এইসব অভিনেতা-অভিনেত্রীদের আমাদের ইন্ডাস্ট্রির বলে বিশ্বাসই করি না। আমি ওঁদের দিকে তাকাতেও ঘৃণা বোধ করি। এমনকি আমি ওঁদের নাম উচ্চারণ করতেও ঘৃণা বোধ করি। আজকে শুধুমাত্র এই অভিনেতা অভিনেত্রীদের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ার জন্যই যে ইন্ডাস্ট্রিকে একসময় মানুষ এতটা সম্মান দিত, সেই ইন্ডাস্ট্রিকে এখন মানুষ পায়ের তলায় নিয়ে চলে এসেছে।’
{{/usCountry}}আরও পড়ুন: বিজেপির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত মিঠুন-মমতা, তালিকায় আছেন আর কারা?
লাবনী বলেন, ‘আমি তো কখনও কোনও রাজনৈতিক দলের পতাকা হাতে নিইনি। আমি তো কখনও কোন দলের হয়ে দাঁড়ায়নি। তাহলে আমি কেন অন্যের দায় নেব? আমাদের সুযোগ নিয়ে তো সমস্ত রাজনৈতিক দল আমাদের ফায়দা লুটেছে। এবার কি হবে ভাবো! যারা এতদিন গাছের খাবে তলার কুড়োবে এমন ভাব করে ছিল, যারা শুধুমাত্র মানুষের উপকার করবে বলে রাজনীতিতে গিয়েছিল। (যদিও মানুষের কি উপকার হয়েছে সেটা জানি না বরং তাদের কি উপকার হয়েছে সেটা দেখতে পাই)। এই সমস্ত মানুষদের সঙ্গে নিজের নাম উচ্চারণ করতেই আমার খারাপ লাগে।’