Dev-CPJ Protest: ‘বিভাজন নয়,দরকার গঠনমূলক সংলাপ’, যন্তর-মন্তরে ‘আরশোলা’দের প্রতিবাদ থামার নাম নেই, মুখ খুললেন দেব
দিল্লির যন্তর মন্তরের ছাত্র আন্দোলন নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন দেব! কেন্দ্রকে বিশেষ আর্জি NCPI সাংসদের।
নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে পরীক্ষা দুর্নীতি ও নিট (NEET) কাণ্ড নিয়ে তরুণ ছাত্রসমাজের লাগাতার অনশন ও আন্দোলন যখন উত্তপ্ত রূপ নিয়েছে, ঠিক তখনই এই বিষয়ে নিজের নীরবতা ভাঙলেন টলিউড সুপারস্টার তথা তৃণমূল ত্যাগ করে বিজেপি-র বন্ধু হয়ে ওঠা সাংসদ দেব (Dev)।

তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই (NCPI)-তে যোগ দেওয়া এই তারকা সাংসদ সামাজিক মাধ্যমে এক বার্তা প্রকাশ করে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিয়েছেন। পাশাপাশি কেন্দ্র সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে পরম সহানুভূতি ও সম্মানের সাথে তাঁদের দাবি শোনার আর্জি জানিয়েছেন তিনি।
‘শিক্ষার্থীরাই দেশের ভবিষ্যৎ, তাঁদের কণ্ঠস্বর গুরুত্ব পাওয়ার যোগ্য’
প্রতিবাদের অধিকার ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের গুরুত্ব তুলে ধরে দেব তাঁর বার্তায় স্পষ্ট জানান, ‘বিগত কিছুদিন ধরে আমি আমাদের দেশের হাজার হাজার তরুণ শিক্ষার্থীর সেই আওয়াজকে খুব কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করছি, যাঁরা নিজেদের দাবি জানানোর আশায় রাজপথে নেমে এসেছেন। শিক্ষার্থীরাই আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ। তরুণ প্রজন্ম যখন একসাথে তাঁদের উদ্বেগ প্রকাশ করতে বাধ্য হয়, তখন তাঁদের সেই কণ্ঠস্বর আন্তরিকতা, সহানুভূতি এবং মর্যাদার সাথে শোনার যোগ্য।’
কেন্দ্র সরকারকে আলোচনার বার্তা ও শান্তির আহ্বান
ছাত্রদের আন্দোলনের জটিলতা কাটাতে কেন্দ্র সরকার এবং প্রশাসনকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে NCPI সাংসদ লেখেন-তিনি ভারত সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সমস্ত কর্তৃপক্ষকে বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন যাতে তাঁরা অবিলম্বে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনায় বসেন, তাঁদের অভাব-অভিযোগ ও ক্ষোভ শুনুন এবং সময়মতো একটি গঠনমূলক সমাধানের দিকে হাঁটেন।
শান্তির বার্তা: আন্দোলনরত সকল পক্ষকেই সংযম, পারস্পরিক সম্মান ও শান্তি বজায় রাখার ব্যাকুল আবেদন জানিয়েছেন দেব, যাতে আন্দোলনের পরিবেশ কলুষিত না হয়।
‘বিভাজন নয়, দরকার গঠনমূলক সংলাপ’
নিজের বার্তার শেষে ঐক্যের মন্ত্র উচ্চারণ করে দেব লেখেন, ‘ভারতের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তার তরুণ মনের শক্তি। বিভাজনকে আর গভীর না করে, বরং ইতিবাচক পরিবর্তন আনে এমন অর্থবহ কথোপকথন ও সংলাপকে উৎসাহিত করার মাধ্যমে আসুন আমরা আমাদের তরুণ প্রজন্মের পাশে গিয়ে দাঁড়াই। জয় হিন্দ।’
দেবের এই বার্তার রাজনৈতিক গুরুত্ব
তৃণমূলত্যাগী সাংসদ হিসেবে এনসিপিআই (NCPI)-র ঝাণ্ডা ধরার পর জাতীয় স্তরের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইস্যুতে দেবের এই দায়িত্বশীল ও ভারসাম্যপূর্ণ মন্তব্য নজর কেড়েছে সংশ্লিষ্ট মহলের। কোনো রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি না করে একজন দায়িত্বশীল জনপ্রতিনিধি হিসেবে কেবল তরুণদের ন্যায়বিচার ও শান্তির বার্তা দেওয়ায় নেটিজেনদের প্রশংসাও কুড়াচ্ছেন এই তারকা।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


