Madhuri Dixit: চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা মাধুরী, গায়ে জ্বর! তা নিয়েও করেন ‘ডোলা রে ডোলা’-র শুটিং
সম্প্রতি জানা গিয়েছে যে, দেবদাস ছবির আইকনিক গান ‘ডোলা রে ডোলা’-র শুটিংয়ের সময় মাধুরী দীক্ষিত চার মাসের গর্ভবতী ছিলেন। গায়ে জ্বর, ঘুরছিল মাথা। তা নিয়েও শ্যুটিং চালিয়ে গিয়েছিলেন মাধুরী।
বলিউডের আইকনিক গানগুলোর মধ্যে অন্যতম হল দেবদাস ছবির ‘ডোলা রে ডোলা’। সঞ্জয় লীলা বনসালির পরিচালনায় নির্মিত এই গানে মাধুরী দীক্ষিত এবং ঐশ্বর্য রাই বচ্চনের যুগলবন্দি আজও দর্শককে মুগ্ধ করে। গানটি গেয়েছিলেন শ্রেয়া ঘোষাল, কবিতা কৃষ্ণমূর্তি এবং কে কে। সম্প্রতি জানা গিয়েছে যে, দেবদাস ছবির আইকনিক গান ‘ডোলা রে ডোলা’-র শুটিংয়ের সময় মাধুরী দীক্ষিত চার মাসের গর্ভবতী ছিলেন। সম্প্রতি এই তথ্যটি প্রকাশ করেছেন কিংবদন্তি কোরিওগ্রাফার সরোজ খানের প্রাক্তন ক্রু সদস্য রুবিনা খান, যিনি ছবির নাচের দৃশ্যগুলির জন্য সরোজ খানকে সাহায্য করেছিলেন।

'ডোলা রে ডোলা'র শুটিং করতে ১৭ দিন লেগেছিল
বলিউড ঠিকানাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনশালির পিরিয়ড ড্রামার সময়কার তীব্র মহড়া এবং শারীরিকভাবে কষ্টকর শুটিংয়ের কথা স্মরণ করেছেন। ‘ওই গানটির শুটিং করতে ১৭ দিন লেগেছিল। মহড়া চলেছিল অন্তত এক মাস। আমরা আলাদাভাবে মহড়া দিতাম, এবং প্রধান অভিনেতারাও আলাদাভাবে মহড়া দিতেন’, রুবিনা বলেন।
এরপর তিনি জানান যে, শুটিংয়ের সময় মাধুরী গর্ভবতী ছিলেন এবং একটি বিশেষ নাচের স্টেপ করতে গিয়ে বেশ সমস্যায় পড়েছিলেন। তিনি আরও বলেন, ‘একটি স্টেপ আছে যেখানে মাধুরী ম্যাডাম ঘুরে বসেন। ওই শটটি সকাল ৯টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলত, কারণ তিনি চার মাসের গর্ভবতী ছিলেন। ফলে, তিনি ঠিকমতো ঘুরতে পারতেন না এবং তাঁর মাথা ঘুরত।’
রুবিনা আরও জানান যে, শুটিংয়ের সময় অভিনেত্রী অসুস্থ থাকলেও কোনো পরিবর্তনের দাবি না এনেই অভিনয় চালিয়ে যান। রুবিনা স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘তখন তাঁর জ্বরও ছিল। তিনি খুব কষ্ট করেছিলেন।’
কঠিন নাচের স্টেপ পরিবর্তন করতে রাজি হননি মাধুরী
সরোজ খানের সহকারী কোরিওগ্রাফির মাধুরীর শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার প্রশংসা করেছেন। তার মতে, নাচের স্টেপগুলো শারীরিকভাবে ক্লান্তিকর হয়ে উঠলেও অভিনেত্রী কখনো অভিযোগ করেননি। ‘তিনি কখনো কোনো স্টেপ বদলাতে বলতেন না। মাস্টার জি যা বলতেন, তাই চূড়ান্ত।’
রুবিনা আরও বলেন, ‘নতুন শিল্পীরা মাস্টারজিকে বলতেন কোনো স্টেপ কঠিন এবং তা পরিবর্তন করা যায় কি না। কিন্তু মাস্টারজির বলা কোনো স্টেপ খুব কমই পরিবর্তন করতেন মাধুরী। তিনি চেষ্টা করতেন বরং নাচের স্টেপগুলোকে কীভাবে পারফেক্ট করা যায়।’ এই গানটি অবশেষে মাধুরীর কর্মজীবনের অন্যতম স্মরণীয় পারফরমেন্স হয়ে ওঠে।
দেবদাসের জন্য মাধুরী আমেরিকা থেকে ফিরে এসেছিলেন
কেরিয়ারের তুঙ্গে থাকার সময়ে বলিউড থেকে সরে এসে মাধুরী ১৯৯৯ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ডাক্তার শ্রীরাম নেনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এবং ডেনভারে চলে যান। শাহরুখ খান ও ঐশ্বর্য রাইয়ের পাশাপাশি দেবদাস’ ছবিতে চন্দ্রমুখীর ভূমিকায় মাধুরী
সার্জন শ্রীরাম নেনের সাথে ভানসালিই তাঁকে শাহরুখ খান ও ঐশ্বর্য রাইয়ের পাশাপাশি ‘দেবদাস’ ছবিতে চন্দ্রমুখীর ভূমিকায় ফিরে আসতে রাজি করিয়েছিলেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


