শাহিনের সঙ্গে পরকীয়ার কথা বউ নয়, মেয়ে পূজাকে বলেন মহেশ ভাট! আলিয়ার সৎ মা কে?
সম্প্রতি এক পডকাস্টে এসে বাবার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, সোনি রাজদান ও মহেশকে নিয়ে কথা বললেন পূজা ভাট। কী জানালেন আলিয়ার সৎ দিদি?
মহেশ ভাটের বড় মেয়ে পূজা ভাট বরাবরই বাবার খুবই ঘনিষ্ঠ। সম্প্রতি এক পডকাস্টে পূজা এমন এক ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করেছেন, যা নতুন করে আলোচনায় এনেছে মহেশ ভাটের ব্যক্তিগত জীবনকে। পূজা জানিয়েছেন, যখন মহেশ ভাটের জীবনে অন্য এক নারীর আগমন ঘটে, তখন তিনি স্ত্রী কিরণ ভাটকে জানানোর আগেই মেয়ে পূজাকে সেই সম্পর্কের কথা জানিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, তাঁর বাবার বর্তমান স্ত্রী সোনি রাজদানও একসময় পূজার সঙ্গে কথা বলে জানিয়েছিলেন যে, মহেশ ভাটের সংসার ভাঙার জন্য তিনি গভীর অপরাধবোধে ভুগছিলেন। তবে সেই সময় পূজা অত্যন্ত পরিণত ও সংযত উত্তর দিয়েছিলেন সৎ মাকে।

পূজাকে কী বলেছিলেন সোনি রাজদান?
সম্প্রতি সাংবাদিক ভিকি লালওয়ানির ইউটিউব চ্যানেলে হাজির হয়েছিলেন পূজা ভাট। সেখানে তিনি তাঁর সৎ মা সোনি রাজদান এবং বাবা মহেশ ভট্টের সম্পর্ক নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেন। পূজা জানান, তিনি অনেক আগেই বুঝতে পেরেছিলেন যে তাঁর বাবার জীবনে নতুন কেউ এসেছেন। পরে সোনি রাজদানের সঙ্গেও তাঁর খোলামেলা আলোচনা হয়েছিল।
পডকাস্টে পূজা বলেন, ‘সোনির সঙ্গে আমার খুব মন খুলে কথা হয়েছিল। তিনি আমাকে বলেছিলেন, 'পূজা, আমার খুব অপরাধবোধ হচ্ছে।' আমি তাঁকে বলেছিলাম, 'যদি একটা সম্পর্ক সত্যিই শক্তপোক্ত হয়, তাহলে কেউ সেটা ভাঙতে পারে না। কোনও সম্পর্কে ফাটল না থাকলে সেটা ভাঙেও না। কোথাও না কোথাও কিছু অভাব ছিল বলেই কেউ এসে সেই শূন্যস্থান পূরণ করেছে'।’ সম্পূর্ণ পরিস্থিতিকে যে তিনি অত্যন্ত পরিণতভাবে নিয়েছিলেন, সেই কথাই যেন তাঁর এই বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
কীভাবে পূজাকে নিজের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা জানিয়েছিলেন মহেশ?
পডকাস্টে পূজা আরও জানান, বাবা মহেশ ভাট কীভাবে তাঁকে প্রথম নিজের সম্পর্কের কথা জানিয়েছিলেন। পূজার কথায়, তিনি তাঁর মা জানারও আগে সোনি রাজদানের বিষয়ে অবগত ছিলেন।
পূজা বলেন, ‘সত্যি বলতে, সোনির সম্পর্কে আমি আমার মায়েরও আগে জেনে গিয়েছিলাম। বাবা আমাকে ঘুম থেকে ডেকে বলেছিলেন, 'আমি তোমাকে একটা কথা বলতে চাই। আমি একজন মহিলার সঙ্গে দেখা করেছি এবং তাঁর সঙ্গে থাকতে যাচ্ছি। তবে এর মানে এই নয় যে আমি তোমাকে কম ভালোবাসব। আমি সবসময় তোমার পাশে থাকব'।’
তিনি আরও বলেন, 'আমি তখন বলেছিলাম, ‘আপনি যদি আমাকে না বলেন, তাহলে আর কাকে বলবেন? স্টারডাস্ট, সিনেব্লিটজ ম্যাগাজিন বা পাড়ার লোকের মুখে শোনার চেয়ে বাবা-মায়ের মুখে শোনা অনেক ভালো।’
পূজা জানান যে, তাঁর বাবার এই নতুন সম্পর্কের কারণে যদিও তাঁর মা কিরণ ভাটকে ভীষণ কষ্ট পেতে দেখেছিলেন বলেও জানান। যদিও এমন কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও তাঁর বাবা-মা নিজেদের মর্যাদা বজায় রেখেছিলেন এবং বিষয়টিকে সম্মানের সঙ্গে সামলানোর চেষ্টা করেছিলেন।
মহেশ ভাটের প্রেমের গল্প উঠে এসেছে কোন ছবিতে?
সোনি রাজদান এবং মহেশ ভাট ১৯৮৬ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তার আগে মহেশের বিয়ে হয়েছিল কিরণ ভাটের সঙ্গে। কিরণ ও মহেশের দুই সন্তান—রাহুল এবং পূজা। পূজাই তাঁদের বড় সন্তান। অন্যদিকে সোনি রাজদান ও মহেশ ভাটের দুই মেয়ে হলেন আলিয়া ভাট এবং শাহিন ভাট।
জানা যায়, মহেশ ভট্টের প্রথম স্ত্রী কিরণের আগের নাম ছিল লরেন ব্রাইট। বিয়ের পর তাঁর নাম পরিবর্তন করা হয়। ব্যক্তিগত জীবনের নানা অধ্যায় মহেশ ভাট তাঁর একাধিক ছবিতে তুলে ধরেছেন। তাঁর ও কিরণের সম্পর্কের গল্প ফুটে উঠেছিল আশিকি ছবিতে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


