‘আরশোলা’দের আক্রমণ! যন্তর-মন্তরে চলা বিরোধে ‘দেশদ্রোহী’রা, দাবি আদিপুরুষ সিনেমার লেখক মনোজ মুনতাশিরের
নিট পরীক্ষার অনিয়ম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও দিল্লির জন্তর মন্তরের আন্দোলনে যোগ দেবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন গীতিকার ও লেখক মনোজ মুনতাশির। তাঁর দাবি, আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা কিছু মানুষের মতাদর্শের সঙ্গে তিনি একমত নন। একই সঙ্গে গোটা সিস্টেমকে দায়ী করে কড়া বার্তা দিয়েছেন তিনি।
নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং তা ঘিরে পড়ুয়াদের আন্দোলন নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন গীতিকার ও লেখক মনোজ মুনতাশির। তিনি জানিয়েছেন, ছাত্রছাত্রীদের উদ্বেগ ও ন্যায্য দাবির প্রতি তাঁর পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। তবে দিল্লির জন্তর মন্তরে চলা বিক্ষোভে তিনি কোনওভাবেই যোগ দেবেন না।

সম্প্রতি টাইমস নাউ-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মনোজ বলেন, ‘আমি কখনও যন্তর মন্তরে যাব না। কারণ, এই মুহূর্তে যাঁরা সেই আন্দোলনের প্রতিনিধিত্ব করছেন, তাঁদের সঙ্গে একই মঞ্চে দাঁড়াতে আমার ভালো লাগবে না। দেশের যুবসমাজ এর চেয়ে অনেক ভালো নেতৃত্ব পাওয়ার যোগ্য।’
প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একজন পড়ুয়ারও যদি প্রাণহানি ঘটে, তার দায় গোটা সিস্টেমের। এই ঘটনার পক্ষে কেউ কথা বলতে পারে না।’
তবে আন্দোলন থেকে দূরে থাকার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে মনোজ দাবি করেন, যন্তর মন্তরের মঞ্চে এমন কিছু মানুষ রয়েছেন, যাঁদের মতাদর্শের সঙ্গে তিনি একমত নন। তাঁর অভিযোগ, সেখানে এমন ব্যক্তিদেরও দেখা যাচ্ছে, যাঁরা অতীতে দেশবিরোধী স্লোগান বা মন্তব্যের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁদের তিনি প্রকাশ্যেই 'দেশদ্রোহী' বলে উল্লেখ করেন।
মনোজ মুনতাশিরের এই মন্তব্য সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। কেউ তাঁর বক্তব্যকে সমর্থন করেছেন, আবার অনেকে তীব্র সমালোচনাও করেছেন।
এক নেটিজেন লেখেন, ‘আপনার মতো মানুষের প্রতিবাদ মঞ্চে না যাওয়াই ভালো।’ অন্য একজন কটাক্ষ করে লেখেন, ‘আদিপুরুষ এর বিতর্কিত সংলাপের লেখক এখন অন্যদের দেশপ্রেম শেখাচ্ছেন?’ মনোজের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে বিতর্কের পারদ চড়েছে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


