Mimi Chakraborty: বনগাঁ কাণ্ডে এবার কিছুটা স্বস্তিতে মিমি চক্রবর্তী। মিমির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছিলেন তনয় শাস্ত্রী, সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের করা FIR - এ আপাতত স্থগিতাদেশ দিল আদালত।
Mimi Chakraborty: বনগাঁ কাণ্ডে এবার কিছুটা স্বস্তিতে মিমি চক্রবর্তী। মিমির বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছিলেন তনয় শাস্ত্রী, সেই অভিযোগের ভিত্তিতে দায়ের করা FIR - এ আপাতত স্থগিতাদেশ দিল আদালত। এই মুহূর্তে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না বলে জানিয়ে দিল হাইকোর্ট।
অবশেষে স্বস্তিতে মিমি
হাইকোর্টের বিচারপতি কৌশল চন্দ্রের সিঙ্গল বেঞ্চ জানিয়েছে, মিমির বিরুদ্ধে এই মুহূর্তে কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। খুব স্বাভাবিকভাবেই হাইকোর্টের এই নির্দেশে কিছুটা হলেও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন অভিনেত্রী। যদিও বুধবারের এই নির্দেশের পর তনয় শাস্ত্রীর তরফ থেকে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
চলতি বছরে জানুয়ারি মাসে বনগাঁয় অনুষ্ঠান করতে গিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয় মিমি চক্রবর্তীকে ঘিরে, সেটা এখনও বর্তমান। প্রথমে তনয় শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে মিমি চক্রবর্তীর অভিযোগ দায়ের, তনয়ের জেল হওয়া এবং তারপর মিমির বিরুদ্ধে তনয়ের আইনি পদক্ষেপ, এই সবকিছুই চলছে বিগত কয়েক মাস ধরে।
বনগাঁ কাণ্ড প্রসঙ্গে
২০২৬ সালের ২৫ জানুয়ারি বনগাঁয় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের অনেকটা পরে গিয়ে পৌঁছান তিনি। যেহেতু অনুষ্ঠানটির জন্য রাত ১২টা পর্যন্ত পুলিশ পারমিশন ছিল তাই ১২টা বাজতেই মিমিকে মঞ্চ ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন তনয়।
কিন্তু মাঝপথে অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ায় অপমানিত হন মিমি, যার ফলে তিনি বনগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরপরই বাড়ি থেকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় তনয় শাস্ত্রীকে। আদালতে তোলা হলে বিচারক তনয়কে জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন।
এর কিছুদিন পর জামিনে ছাড়া পান তনয়। যদিও পুলিশের দায়ের করা মামলায় তনয়কে জামিন দেওয়া হয় আরও কিছু পরে। এরপর মিমির বিরুদ্ধে ২০ লক্ষ টাকার মানহানির মামলা করেন তনয় শাস্ত্রী। তনয়ের আইনজীবী তথা বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি নায়িকার বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠনের আবেদন জানান। যদিও এই খবরটি একেবারে ভুল বলে জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী।