'১০ বছর তোমাকে ছাড়া', শাশুড়ির মৃত্যুবার্ষিকীতে আবেগঘন পোস্ট মিঠুর
বহুবার বহু সাক্ষাৎকারে শাশুড়ি মাকে নিয়ে কথা বলেছিলেন মিঠু চক্রবর্তী। অনেক ছোটবেলায় বিয়ে হয়ে যায় তাই শাশুড়ি মাকে বন্ধুর মতই পেয়েছিলেন তিনি। কখনও মনোমালিন্য হলে স্বামীর কাছে নালিশ জানাবেন না বরং শাশুড়ি বৌমা মিলে নিজেরাই বিষয়টি ঠিক করে নিতেন।
বহুবার বহু সাক্ষাৎকারে শাশুড়ি মাকে নিয়ে কথা বলেছিলেন মিঠু চক্রবর্তী। অনেক ছোটবেলায় বিয়ে হয়ে যায় তাই শাশুড়ি মাকে বন্ধুর মতই পেয়েছিলেন তিনি। কখনও মনোমালিন্য হলে স্বামীর কাছে নালিশ জানাবেন না বরং শাশুড়ি বৌমা মিলে নিজেরাই বিষয়টি ঠিক করে নিতেন। একটা সময় এমনও হয়েছিল, মেয়ে পাপিয়ার থেকে বেশি বৌমা মিঠুকে বিশ্বাস করতেন সব্যসাচী চক্রবর্তীর মা।
শাশুড়ির মৃত্যুবার্ষিকীতে আবেগঘন পোস্ট মিঠুর
শাশুড়ি মায়ের মৃত্যুর ১০ বছর পরেও প্রতিমুহূর্তে তাঁকে স্মরণ করেন মিঠু চক্রবর্তী। আজও এমন এক বন্ধুকে তিনি মিস করেন যিনি শশুর বাড়িতে সব সময় আগলে রাখতেন তাঁকে। তাই শাশুড়ি মায়ের ১০ বছর মৃত্যুবার্ষিকীতে আরও একবার স্মৃতির পাতা উল্টে দেখলেন অভিনেত্রী।
পুরনো দিনের বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেছেন মিঠু যেখানে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, কখনো নাতবউয়ের সঙ্গে কখন আবার নাতিদের সঙ্গে বসে সব্যসাচী চক্রবর্তীর মা। একটি ছবিতে দুই ছেলে মেয়েকে পাশে নিয়ে বসে রয়েছেন তিনি, তো অন্যটিতে রয়েছেন বউমাকে জড়িয়ে। ছবিগুলি দেখে যেন এক লহমায় পিছিয়ে যেতে হয় বেশ কয়েকটি বছর।
সব্যসাচী চক্রবর্তী নিখাদ ভালো মানুষ হলেও তিনি আক্ষরিক অর্থে তেমনভাবে রোমান্টিক মানুষ নয় তাই নিজের না বলা কথা সব সময় শাশুড়ির সঙ্গেই শেয়ার করতেন মিঠু। এমনকি দুই ছেলের দায়িত্ব অনেকটাই সামলাতেন শাশুড়ি মা।
তাই আজও প্রতিমুহূর্তে শাশুড়ি মায়ের আশীর্বাদ সবসময় সঙ্গে অনুভব করেন মিঠু। তাই তিনি লেখেন, ভালো আছি, ভালো রেখো, তোমার আশীর্বাদ যেন এই ঠিকানায় সবসময় পাই মা।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই চিরকালের জন্য না ফেরার দেশে চলে যান সব্যসাচী চক্রবর্তীর দিদি পাপিয়া সেনের স্বামী রাজা সেন। গোটা পরিবার একটা কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন সেই সময়। সেই কঠিন সময় পেরিয়ে আবার ধীরে ধীরে পরিবার ফিরছে মূল স্রোতে।
Home/Entertainment/'১০ বছর তোমাকে ছাড়া', শাশুড়ির মৃত্যুবার্ষিকীতে আবেগঘন পোস্ট মিঠুর