Mouni Roy Divorce: ৪ বছরও টিকল না, বাঙালি কন্যে মৌনি রায়ের বিয়ে ভাঙার খবর! বরকে আনফলো, মুছলেন ফোটো
Mouni Roy and Suraj Nambiar Divorce: সেলিব্রিটি দম্পতি সুরজ নাম্বিয়ার এবং মৌনি রায় ফের একবার শিরোনামে। খবর দুজনের ৪ বছরের বৈবাহিক জীবন এবার থামতে চলেছে। যদিও দম্রতির তরফে এই নিয়ে আসেনি অফিসিয়াল তথ্য।
Mouni Roy-Suraj Nambiar: বলিউড অভিনেত্রী মৌনি রায় এবং সুরজ নাম্বিয়া ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে চর্চিত দম্পতিদের মধ্যে পড়েন। বেশ কয়েক বছর ধরে সম্পর্কের পরে এই দম্পতি ২০২২ সালের ২২ জানুয়ারি গাঁটছড়া বাঁধেন। নেটপাড়ায় বরাবরই এই দম্পতিকে নিয়ে আলাদা ক্রেজ ছিল, তবে এখন মনে হচ্ছে সুরজ-মৌনির জুটি ভাঙতে চলেছে। ফটো ব্লগিং সাইট ইনস্টাগ্রামে দু'জনেই একে অপরকে আনফলো করেছেন এবং 'নাগিন' খ্যাত অভিনেত্রী মৌনি রায়ও ইনস্টাগ্রাম থেকে সুরজের সমস্ত ছবি মুছে ফেলেছেন।

দেখা গিয়েছে যে মৌনি রায়ের ইনস্টাগ্রাম পোস্টের কমেন্ট সেকশন ভরে গিয়েছে জিজ্ঞাসা-ভরা কমেন্টে। একজন লিখেছেন, ‘এটা কি ভুলবশত ঘটেছে, নাকি সত্যিই ডিভোর্স?’ আরেকজন লেখেন, ‘দুজনেই তো আনফলো করেছেন, ছবিও মুছে ফেলেছেন’। বে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি দম্পতির পক্ষ থেকে। এটি কেবল একটি প্রচার স্টান্ট, নাকি সেলিব্রিটি দম্পতির বিয়েতে সত্যিই ফাটল ধরেছে সেটার উত্তর দেবে ভবিষ্যত।
জানা যায়, ২০১৯ সালে নিউ ইয়ারের পার্টিতে দেখা হয়েছিল সুরজ আর মৌনির। দুজনেরই ভালো লেগে যায় একে-অপরকে। শুরু হয় ডেটিং। ২০২১ সালের মার্চে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। তারপর ২০২২ সালে বিয়ে হয়। মাত্র ১১০ জন অতিথি এই বিয়েতে অংশ নিয়েছিলেন। যেহেতু উভয় পরিবারই ভিন্ন সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করে, তাই এই দম্পতি মালয়ালি এবং বাঙালি রীতি অনুসারে বিয়ে করেছিলেন। বিয়ের বয়স ৪ গড়াতেই, ফাটল ধরার ইঙ্গিত।
মৌনি রায়ের কেরিয়ার নিয়ে কথা বলতে গেলে, দীর্ঘদিন ধরে টিভি জগতের অংশ ছিলেন। এরপর তিনি সিনেমায় পা রাখেন। 'দেব কে দেব-মহাদেব' সিরিয়াল মাধ্যমে জাতীয় খ্যাতি পাওয়া মৌনি রায় অক্ষয় কুমারের ‘গোল্ড’-এর মাধ্যমে সিনেমা জগতে প্রথম পা রেখেছিলেন। এরপর রোমিও আকবর ওয়াল্টার, মেড ইন চায়না, ব্রহ্মাস্ত্র, ভেলি, ব্ল্যাকআউট এবং দ্য ভূতানির মতো ছবিতে কাজ করতে দেখা যায় তাঁকে। তার বেশির ভাগ ছবিই বক্স অফিসে বিশেষ সাফল্য না পেলেও, চর্চায় থেকেছেন মৌনি। এমনকী মুম্বইতে রেস্তোরাঁও খোলেন।
মৌনি রায় ও তার স্বামী সুরজ নাম্বিয়ার ২০২৩ সালে মুম্বইয়ের আন্ধেরিতে এই রেস্তোরাঁটি চালু করেন। মৌনি রায় ও তার স্বামী সুরজ নাম্বিয়ার ২০২৩ সালে মুম্বইয়ের আন্ধেরিতে এই রেস্তোরাঁটি চালু করেন। বর্তমানে মুম্বই ছাড়াও বেঙ্গালুরু এবং কলকাতাতেও এর শাখা রয়েছে, নাম বদমাশ। এটির ভবিষ্যত নিয়েও তাই উঠছে প্রশ্ন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


