শুধু ৭০ দশকে নয়, এই প্রজন্মের মানুষের কাছেও মান্না দে এমন একজন সঙ্গীতশিল্পী, যিনি তাঁর গানের মাধ্যমে ছড়িয়েছেন মুগ্ধতা। ‘কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই’ থেকে শুরু করে ‘জীবনে কি পাব না’ মান্না দে বাঙালিকে উপহার দিয়েছেন এমন অনেক গান যা কোনওদিন পুরনো হওয়ার নয়।

‘তিন ভুবনের পারে’ সিনেমায় মান্না দে যখন গেয়েছিলেন ‘জীবনে কি পাবো না’ গানটি, তখন শুধুমাত্র সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় নয় সেই গানের তালে তালে নেচেছিলেন একটা গোটা প্রজন্ম। এবার সেই গানের নতুন সংস্করণ হল ‘মন মানে না’ ছবিতে। রাহুল মুখোপাধ্যায় পরিচালিত এই সিনেমায় গানটির নব সংস্করণ করেছেন নিকিতা গান্ধী এবং শুভদীপ পান।
আরও পড়ুন: 'ভিনি দিদি আকাশ থেকে…', বয়স সবে ১০ মাস, মেয়েকে কুকুরদের ভালোবাসার পাঠ দিচ্ছেন অনিন্দিতা
শুক্রবার গানটি মুক্তি পাওয়ার পরেই নাকি ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়ে যায়। গানের তালে তালে আবার নেচে ওঠেন বাঙালি। নস্টালজিক হয়ে পড়েন সকলে। কিন্তু যার গান এখনও গাইতে ভয় পান স্বনামধন্য সঙ্গীতশিল্পীরা, সেই মান্না দে - এর গান পুনরায় তৈরি করতে কি এতটুকু ভয় করেনি নিকিতার?
সম্প্রতি আনন্দবাজার ডট কমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গায়িকা বলেন, ‘আমি ছোটবেলায় ওঁর গান শুনে বড় হয়েছি। ওঁর গানের কথা থেকে সুর সবকিছুই অসামান্য। ওঁর গানকে নতুনভাবে রূপ দেওয়া আমার কাছে ভাগ্যের ব্যাপার। তবে গানটি গাইতে ভয় করেনি কারণ এই গানে ওঁর গাওয়া কিছু অংশ রয়েছে। গানটির বিকৃতি ঘটেনি তাই ভয়ের কোনও কারণ নেই।’
{{/usCountry}}সম্প্রতি আনন্দবাজার ডট কমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গায়িকা বলেন, ‘আমি ছোটবেলায় ওঁর গান শুনে বড় হয়েছি। ওঁর গানের কথা থেকে সুর সবকিছুই অসামান্য। ওঁর গানকে নতুনভাবে রূপ দেওয়া আমার কাছে ভাগ্যের ব্যাপার। তবে গানটি গাইতে ভয় করেনি কারণ এই গানে ওঁর গাওয়া কিছু অংশ রয়েছে। গানটির বিকৃতি ঘটেনি তাই ভয়ের কোনও কারণ নেই।’
{{/usCountry}}নিকিতা বলেন, ‘মান্না দে যে গানটি গেয়েছেন সেই গানে আমার গাওয়া গান জুড়তে পেরে আমি ভীষণ গর্বিত। গান শোনার পর শুধু মনে হয়েছে যে ওঁর সঙ্গেই হয়ত গান গাইলাম। আমি ভীষণ রোমাঞ্চিত। খুব খুশি এই সুযোগ পেয়ে।’
আরও পড়ুন: ‘২৭ স্তর ঝরিয়েছি ’আমি'-কে…', শ্রীচৈতন্য হয়ে ওঠার কাহিনি শোনালেন দিব্যজ্যোতি
পুরনো দিনের গান আবার নতুন করে সিনেমা অথবা সিরিয়ালে ব্যবহার করা হচ্ছে তা দেখে ভীষণ খুশি নিকিতা। গায়িকার কথায়, ‘নতুন প্রজন্ম যে আবার পুরনো গানের সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে ব্যাপারটা ভীষণ ভালো। আমার ছোট দিদা রিতা গঙ্গোপাধ্যায় গজল গাইতেন সম্প্রতি আমি সেই গান গেয়েছি অন্যভাবে। আমার দিদা কিন্তু গানটি শুনে ভীষণ খুশি হয়েছেন।’
পুরনো গানকে বিকৃত না করে নতুনভাবে যদি তুলে ধরা যায় তাহলে কিন্তু মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়। তবে এই গানটি যে প্রত্যেকের ভীষণ ভালো লেগেছে তা জানিয়েছেন পরিচালক রাহুল। গান, এমনকি রবি ঘোষের কন্ঠ অবিকৃত অবস্থায় গানে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন পরিচালক। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ গানটি শুনেছেন এবং প্রশংসা করেছেন বলে জানিয়েছেন রাহুল নিজেই।