রচনা নয়, বরং দিদি নম্বর ১ শুরু হয়েছিল এই অভিনেত্রীর হাত ধরে, জানেন কে তিনি?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ছেড়ে আপাতত রচনা তৃণমূল কংগ্রেসের ‘বিদ্রোহী’ সাংসদ দলের সঙ্গে। তবে তাতেও খুব একটা লাভ হয়নি। বাদ পড়েছেন দিদি নম্বর ১ থেকে। জানেন কি, এই শো-র প্রথম সিজন সঞ্চালনা করেছিলেন কে?
রাজনৈতিক পালা বদলের পর রাজ্যের পরিস্থিতি বদলেছে। আর সকলকে অবাক করে তৃণমূলের টিকিটে জিতে সাংসদ হওয়া রচনা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের হাত থেকে হারিয়ে গিয়েছে একটা গোটা শো। ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে দিদি নম্বর ১-এর সঞ্চালনা সামলানো রচনা এখন শো-এর বাইরে। বরং নতুন দিদি হিসেবে দায়িত্ব এসেছে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের কাঁধে। প্রসঙ্গত, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ছেড়ে আপাতত রচনা তৃণমূল কংগ্রেসের ‘বিদ্রোহী’ সাংসদ দলের সঙ্গে। তবে তাতেও খুব একটা লাভ হয়নি।

২০০৯ সাল থেকে শুরু হয় ‘দিদি নম্বর ওয়ান’। অনেকেরই জানা নেই, প্রথম সিজনে শো-টির দায়িত্বভার সামলেছিলেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পুষ্পিতা মুখোপাধ্যায়। ওই একটা সিজনই দিদি নম্বর ১ সঞ্চালনা করেন পুষ্পিতা। তবে দ্বিতীয় সিজন থেকে দিদি নম্বর ১-এর দায়িত্ব আসে রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে। শোনা যায়, মায়ের অসুস্থতার কারণে সরে দাঁড়ান পুষ্পিতা। সেই ২০১০ থেকেই রচনা হয়ে উঠেছিলেন টিভির দিদি। জি বাংলার এই রিয়েলিটি শো দিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন বাংলার মানুষের ঘরে ঘরে।
মাঝে রচনাকে সরিয়ে একবার দিদি নম্বর ১-এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল জুন মালিয়ার কাঁধে। এমনকী, ষষ্ঠ সিজনে এসেছিলেন দেবশ্রী রায়ও। শোনা যায়, এটা হয়েছিল পারিশ্রমিক নিয়ে নির্মাতাদের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে। তবে রচনার জনপ্রিয়তার ধারে কাছেও পৌঁছতে পারেনি কেউ। এখন দেখার, স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের মন জয় করতে কতটা সক্ষম হন।
এদিকে, রচনার অভিযোগ যে একপ্রকার বিনা নোটিসেই তাঁকে দিদি নম্বর ১ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিক কারণেই বেশ অসন্তুষ্ট তিনি। বলেন, এত বছরের একটা দীর্ঘ সম্পর্কের পর, এত বড় একটা সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাঁকে বা তাঁর টিমকে আগাম কোনো নোটিস বা নূন্যতম সময়টুকুই দেওয়া হয়নি। সঙ্গে রচনা খোলসা করেন যে, কীভাবে রাজনীতির ময়দানে চূড়ান্ত ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি দিন-রাত এক করে, ঘুমহীন রাত কাটিয়ে শুটিং শেষ করেছিলেন। কাজে অবহেলার মতো অভিযোগ তাই মানতে নারাজ।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


